দৈনিক বরিশাল ২৪কর্ম ও মানবসেবায় আলোকিতো পুলিশ অফিসার বাউফলের এবিএম ফারুক হোসেন | দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ জুলাই ৩১, ২০২০ ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

কর্ম ও মানবসেবায় আলোকিতো পুলিশ অফিসার বাউফলের এবিএম ফারুক হোসেন

সোহেল আহমেদ, দৈনিক বরিশাল২৪.কম: করোনাভাইরাসের আক্রমনের শুরু থেকে এ যাবত উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দিক নির্দেশনায় অধীনস্থদের প্রতিনিয়ত ভাইরাস সম্পর্কে ধারনা, সাস্হ্য বিধি, সামাজিক ও নিরাপদ দূরত্ব বজায়, মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যাবহার সহ রুটিন মাফিক ভিভিআইপি নিরাপত্তা ডিউটির প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে আসছেন।

 সমাজের অসহায় দরিদ্র মানুষের দোড় গোড়ায় পৌছে দিচ্ছেন সাহায্যের দুহাত। যখন যেখানে মানুষের বিপদের খবর পাচ্ছেন সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ সহযোগীতা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে মানবসেবায় আত্বনিয়োগ করা পুলিশ কর্মকর্তার নাম এবিএম ফারুক হোসেন।
পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কালীশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আলোকিত সন্তান এবিএম ফারুক হোসেনেএক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৭২ সালের ১লা অক্টবর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক গাজী সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট (অবঃ) ব্যাবসায়ী ও সমাজসেবক ছিলেন। এবিএম ফারুক হোসেন ছোট বেলা থেকে সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন এমন স্বপ্ন দেখতেন। দেশসেবায় মানুষের সেবা করার পথটি পুলিশে চাকুরির মাধ্যমে সহজ হয়ে যায়।
এবিএম ফারুক হোসেন , ১৯৮৮সালে কালিশুরী এসএ ইনষ্টিটিউশন থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৯০ সালে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে একই বিভাগ থেকে এইচ এস সি পাশ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি হন দক্ষিণ বঙ্গের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ব্রজোমোহন বিশ্ববিদ্যালয় (বিএম) কলেজে। তিনি ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। সেখান থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে বিএসএস (সন্মান) এবং এমএসএস পাশ করে বাংলাদেশ পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর পদে চাকরিতে যোগদান করেন।
পুলিশে যোগদান করেই বদলে ফেলেন নিজেকে। পুলিশ বাহিনীর সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে অত্যান্ত সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে চেষ্টা করেন। চাকুরিজীবনে তার বর্তমান অতিরিক্ত আইজিপি মীর শহিদুল ইসলাম (এসবি প্রধান),অতিরিক্ত আইজিপি মাহাবুব হোসেন( এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুব,অতিরিক্ত আইজিপি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আবুল কাশেম স্যারদের সরাসরি দিক নির্দেশনায় কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। এসব গুনী পুলিশ কর্মকর্তারা সবসময় তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।
যেকোন মামলার তদন্তকারীর দ্বায়িত্ব পেলে নিরোপেক্ষতার উধাহরণ সৃষ্টি করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা এবিএম ফারুক হোসেন। (২০০১-০৪) ও সিলেট কোতয়ালী(২০০৪-০৭) থাকাকালীন সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের তৎপরতা ছিল।
প্রায়শই বোমা হামলা সহ সিরিজ বোমা হামলা হয়েছিল। ঐ সময়ে সাহসীকতার সাথে আসামী গ্রেফতার, বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার সহ এসব মামলার তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সহ আদালতের মাধ্যমে সাজা হয়। এছাড়াও সন্ত্রাস দমন,মাদক উদ্ধার,নারী ও শিশুপাচার, নির্যাতন, অস্ত্র উদ্ধারে ভূমিকা তো ছিলই।
গুনী পুলিশ কর্মকর্তা এবিএম ফারুক হোসেন এর কর্মময় জীবনের নানা তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, কর্মজীবনের শুরু থেকেই সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখাই ছিলো তার স্বপ্ন। দেশের যে প্রান্তেই দ্বায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানে সততার সুনাম কুড়িয়ে এসেছেন। সফলতার গুনে মানুষের হ্রদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। অত্যন্ত আন্তরিক এই কর্মকর্তা নিজের দক্ষতা প্রদর্শনেই ব্যাস্ত থাকেন নি,বরং সততার সঙ্গে কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন সহকর্মী পুলিশ সদস্যদেরও।
মানবসেবা করতে গিয়ে তিনি, নিজ এলাকায় কর্মহীন মানুষকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শীতবস্র নিয়ে। অসহায় প্রতিবন্দীকে করেছেন অর্থ সহায়তা। বেকার যুবসমাজকে নানা পরামর্শ দিয়ে অনেককে আত্বনির্ভরশীল হয়ে আত্বকর্মসংস্থানে উতসাহিত করেছেন। অশিক্ষা থেকে মানুষকে শিক্ষার আলো দেখাতে গরীব পরিবারের সন্তানদের অর্থ সহযোগীতা করছেন।
এছাড়াও রোজা, ঈদ, কোরবানীসহ বিভিন্ন উতসবের সময় মানুষকে সাধ্যমত সহযোগীতার চেষ্টা করেছেন। মানবিক কাজে নিজের আত্বনিয়োগের বিষয়টি বরাবরই প্রচারের আঁড়ালে রেখেছেন এবিএম ফারুক হোসেন।
পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনকালে তিনি জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স ও তুরস্ক সহ বিভিন্ন দেশে দেশে নানা প্রশিক্ষন নিয়েছেন।
সাব ইন্সপেক্টর পদে,খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দৌলতপুর ও খুলনা সদর থানা,চট্রগ্রাম পুলিশের ফটিকছড়ি থানা,সিলেট জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানায় সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করেছি।
পুলিশ ইন্সপেক্টর পদে ২০১১ সালের ২৯শে জুন পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিভিন্ন শাখা(সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ, রাজনৈতিক শাখা,হজ্ব ভেরিফিকেশন শাখা, ইমিগ্রেশন শাখা সহ সর্বশেষ প্ররক্ষা (ভিভিআইপি নিরাপত্তা) শাখায় সুনামের সাথে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ এ কর্মরত আছেন।
দৈনিক বরিশাল ২৪

কর্ম ও মানবসেবায় আলোকিতো পুলিশ অফিসার বাউফলের এবিএম ফারুক হোসেন

শুক্রবার, জুলাই ৩১, ২০২০ ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ | আপডেটঃ আগস্ট ০৫, ২০২০ ৩:১৯ অপরাহ্ণ

সোহেল আহমেদ, দৈনিক বরিশাল২৪.কম: করোনাভাইরাসের আক্রমনের শুরু থেকে এ যাবত উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দিক নির্দেশনায় অধীনস্থদের প্রতিনিয়ত ভাইরাস সম্পর্কে ধারনা, সাস্হ্য বিধি, সামাজিক ও নিরাপদ দূরত্ব বজায়, মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যাবহার সহ রুটিন মাফিক ভিভিআইপি নিরাপত্তা ডিউটির প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে আসছেন।

 সমাজের অসহায় দরিদ্র মানুষের দোড় গোড়ায় পৌছে দিচ্ছেন সাহায্যের দুহাত। যখন যেখানে মানুষের বিপদের খবর পাচ্ছেন সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ সহযোগীতা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে মানবসেবায় আত্বনিয়োগ করা পুলিশ কর্মকর্তার নাম এবিএম ফারুক হোসেন।
পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কালীশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আলোকিত সন্তান এবিএম ফারুক হোসেনেএক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৭২ সালের ১লা অক্টবর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক গাজী সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট (অবঃ) ব্যাবসায়ী ও সমাজসেবক ছিলেন। এবিএম ফারুক হোসেন ছোট বেলা থেকে সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবেন এমন স্বপ্ন দেখতেন। দেশসেবায় মানুষের সেবা করার পথটি পুলিশে চাকুরির মাধ্যমে সহজ হয়ে যায়।
এবিএম ফারুক হোসেন , ১৯৮৮সালে কালিশুরী এসএ ইনষ্টিটিউশন থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পাশ করেন। ১৯৯০ সালে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে একই বিভাগ থেকে এইচ এস সি পাশ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি হন দক্ষিণ বঙ্গের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ব্রজোমোহন বিশ্ববিদ্যালয় (বিএম) কলেজে। তিনি ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। সেখান থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে বিএসএস (সন্মান) এবং এমএসএস পাশ করে বাংলাদেশ পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর পদে চাকরিতে যোগদান করেন।
পুলিশে যোগদান করেই বদলে ফেলেন নিজেকে। পুলিশ বাহিনীর সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে অত্যান্ত সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে চেষ্টা করেন। চাকুরিজীবনে তার বর্তমান অতিরিক্ত আইজিপি মীর শহিদুল ইসলাম (এসবি প্রধান),অতিরিক্ত আইজিপি মাহাবুব হোসেন( এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুব,অতিরিক্ত আইজিপি মল্লিক ফখরুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আবুল কাশেম স্যারদের সরাসরি দিক নির্দেশনায় কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। এসব গুনী পুলিশ কর্মকর্তারা সবসময় তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।
যেকোন মামলার তদন্তকারীর দ্বায়িত্ব পেলে নিরোপেক্ষতার উধাহরণ সৃষ্টি করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা এবিএম ফারুক হোসেন। (২০০১-০৪) ও সিলেট কোতয়ালী(২০০৪-০৭) থাকাকালীন সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের তৎপরতা ছিল।
প্রায়শই বোমা হামলা সহ সিরিজ বোমা হামলা হয়েছিল। ঐ সময়ে সাহসীকতার সাথে আসামী গ্রেফতার, বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার সহ এসব মামলার তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সহ আদালতের মাধ্যমে সাজা হয়। এছাড়াও সন্ত্রাস দমন,মাদক উদ্ধার,নারী ও শিশুপাচার, নির্যাতন, অস্ত্র উদ্ধারে ভূমিকা তো ছিলই।
গুনী পুলিশ কর্মকর্তা এবিএম ফারুক হোসেন এর কর্মময় জীবনের নানা তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, কর্মজীবনের শুরু থেকেই সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখাই ছিলো তার স্বপ্ন। দেশের যে প্রান্তেই দ্বায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানে সততার সুনাম কুড়িয়ে এসেছেন। সফলতার গুনে মানুষের হ্রদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। অত্যন্ত আন্তরিক এই কর্মকর্তা নিজের দক্ষতা প্রদর্শনেই ব্যাস্ত থাকেন নি,বরং সততার সঙ্গে কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন সহকর্মী পুলিশ সদস্যদেরও।
মানবসেবা করতে গিয়ে তিনি, নিজ এলাকায় কর্মহীন মানুষকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শীতবস্র নিয়ে। অসহায় প্রতিবন্দীকে করেছেন অর্থ সহায়তা। বেকার যুবসমাজকে নানা পরামর্শ দিয়ে অনেককে আত্বনির্ভরশীল হয়ে আত্বকর্মসংস্থানে উতসাহিত করেছেন। অশিক্ষা থেকে মানুষকে শিক্ষার আলো দেখাতে গরীব পরিবারের সন্তানদের অর্থ সহযোগীতা করছেন।
এছাড়াও রোজা, ঈদ, কোরবানীসহ বিভিন্ন উতসবের সময় মানুষকে সাধ্যমত সহযোগীতার চেষ্টা করেছেন। মানবিক কাজে নিজের আত্বনিয়োগের বিষয়টি বরাবরই প্রচারের আঁড়ালে রেখেছেন এবিএম ফারুক হোসেন।
পেশাগত দ্বায়িত্ব পালনকালে তিনি জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স ও তুরস্ক সহ বিভিন্ন দেশে দেশে নানা প্রশিক্ষন নিয়েছেন।
সাব ইন্সপেক্টর পদে,খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দৌলতপুর ও খুলনা সদর থানা,চট্রগ্রাম পুলিশের ফটিকছড়ি থানা,সিলেট জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানায় সুনাম ও দক্ষতার সাথে কাজ করেছি।
পুলিশ ইন্সপেক্টর পদে ২০১১ সালের ২৯শে জুন পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিভিন্ন শাখা(সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ, রাজনৈতিক শাখা,হজ্ব ভেরিফিকেশন শাখা, ইমিগ্রেশন শাখা সহ সর্বশেষ প্ররক্ষা (ভিভিআইপি নিরাপত্তা) শাখায় সুনামের সাথে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ এ কর্মরত আছেন।
প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  দখলমুক্ত নদীতেই ফেলা হচ্ছে ময়লা, নষ্ট হচ্ছে নদীর সৌন্দর্য   ৪০০ কুমির রপ্তানি করবে বাংলাদেশ   ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর শোক   সাবেক এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই   কোন নেতাকর্মী মাদকসংশ্লিষ্ট চিহ্নিত হলে তার দ্বায়ভার দল নেবে না: সরোয়ার   চাঁদপুরে কারাতে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন   বরিশালে অনলাইনে মৃৎশিল্পী সম্মেলন ও সম্মাননা প্রদান   আইপিএল: খেলাকে কেন্দ্র করে জুয়া থামাতে ফেনীতে কেবল সংযোগ বন্ধ!   দুর্ঘটনা রোধে প্রত্যেক চালককে ‘ডোপ’ টেস্ট করাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী   শিশুর বয়স চার হলেই স্কুল, দুই বছরের প্রাক-প্রাথমিক   ফের করোনার ভয়ংকর রুপ, ফ্রান্সের ৩৮ বিভাগে কারফিউ   লালমনিরহাটে আওয়ামী লীগ-বিএনপির ২ শতাধিক নেতাকর্মীর জাপায় যোগদান   ডিপফেক: সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ নারীর ভুয়া পর্ন ভিডিও তৈরি হচ্ছে!   ওমান প্রবাসীর সাথে সালমার প্রেম,অত:পর তিন লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রতারক   বোয়ালখালীতে স্মরন কালের অভিযান,একশ কোটি টাকার সরকারি জমি উদ্ধার   স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা উদযাপন করতে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ`র আহবান   সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলেদের সচেতন করছি: বিভাগীয় কমিশনার   বরিশালে এক সপ্তাহে ৩৩৬ জেলের কারাদণ্ড   বরিশালে মাদকের বিষবৃক্ষ নিমূল করতে পুলিশের ব্লক রেইড   ঝালকাঠিতে শহীদ মিনার ভাঙচুরের মামলায় যুব মহিলা লীগ কর্মী গ্রেফতার