দৈনিক বরিশাল ২৪বরিশালে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি! | দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

বরিশালে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি!

শামীম আহমেদ, বরিশালঃ বরিশাল শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঔষধের ফার্মেসী গুলোতে চিকিৎসকের ব্যাবস্থাপত্র ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে ঘুম ও ব্যাথা নাশক ঔষধ। যা এলাকার যুব সমাজ ব্যাবহার করছে নেশা হিসেবে। এলাকার যুবসমাজ নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংশের পথে প্রায়। ওষুধ প্রশাসন কতৃপক্ষের নেই কোন নজর! স্থানীয়
জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রসাশনের সু-দৃষ্টি এবং এই ধ্বংশের কবল থেকে যুবসমাজকে বাঁচানোর আহ্বান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কিছু সচেতন নাগরীকের। তারা বলেন, আমাদের সন্তানদের যেই বয়সে হাতে কলম, মুখে মাদকের বিরুদ্ধে শ্লোগান আর বুকে সুন্দর দেশ গড়ার প্রত্যয়। ঠিক সেই সময় এই অর্থলোভী, অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ীরা আমাদের সন্তানদের হাতে তুলে দিচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক।

বরিশাল শহরের পলাশপুর, কেডিসি,স্টিডিয়াম কলোনী,ভাটারখাল, রসুলপুর, কাউনিয়া, কাগাশুরা বাজার, মিরগঞ্জ বাজার, লঞ্চঘাট,বাস র্টারমিনাল ও বরিশাল শহরের আবাসিক হোটেল এলাকায়,বাসষ্ট্যান্ডে কিছু ওষুধের দোকানদার অবাদে চালিয়ে যাচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক ব্যবসা। জানাযায়, অপারেশন ও বিভিন্ন গুরুতর রোগীদের জন্য ব্যাবহৃত ব্যাথা নাশক এবং ঘুমের ঔষধ যেমন, প্যথেডিন, নালবন-২, সেডিল, ইফিউম, ইনজেকশন ও ডরমিকাম, ইনোকটিন, সেডিল ট্যাবলেট এবং অফকফ, তুসকা, ফেনাডিল সিরাপ সহ বিভিন্ন ঔষধ যা ডাক্তারী ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি নিষেধ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই অর্থের লোভে হরদমে বিক্রি করছে এ ঔষধ ব্যবসায়ীরা এবং এলাকার যুবসমাজ তা কিনে নেশা হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছে অবাদে। যার বাস্তব নিদর্শন রয়েছে,পলাশপুর ৫ নং ওয়ার্ডের ৭ নং গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন কালবার্ড ব্রিজের পাশে একটি আটোরিক্সার গেজের পিছনে। যেখানে বসে মাদক সেবীরা এসব মাদক গ্রহন করেন দিন রাত। তারা আরো জানাযায়, এই ফার্মেসী ব্যাবসায়ীদের কবলে পরে মাদকাসক্ত হয়ে নিজের ভারসম্য হারিয়ে ফেলেন ঐ এলাকার যুবকরা।

শুধু তাই নয় বস্তির এলাকা গুলোাতে রয়েছে হায়-হায় কোম্পানীর বড় বড় হারবালের দোকান। নেই তাদের কোন ধরনের লাইন্সে। নেই কোন অভিযান। তাই বর্তমানে তাদের ব্যাবসা চলছে জমজমাট। শুধু তাইএখানে সরকারী নিষিদ্ধি ওষুধও বিক্রি হচ্ছে পাল্লাদিয়ে। পলাশপুর এলকার যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই দেখবে ভূয়া ডাক্তারের বড় বড় সাইনবোর্ড। স্থানীয় পুলিশ প্রসাশন ও সচেতন জনপ্রতিনিধিদের চোখে বুড়ো আগুল দিয়ে নিরবে চালিয়ে যাচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক ব্যবসা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, এই ঔষধ ফার্মেসীর আড়ালেই চলছে এ ঔষধ নামক মাদকের রমরমা ব্যাবসা। প্রতিদিন সাধারন মানুষের মতই এলাকার যুবসমাজ বিভিন্ন ভাবে ভিড় জমাতে থাকে এ ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে এবং লোকচক্ষুর আড়ালেই ব্যবস্থাপত্র ছাড়া চলতে থাকে ঔষধ নামক মাদক কেনা বেচা।

গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ বেচা-কেনা। কি আর বলবো বাবা? অগো কারনে আমার পোলাডাও নেশাগ্রস্থ হইয়া গেছে, কিছু বললে আমাগো উপরে হাত তোলে, এভাবে অসুপূর্ণ চোকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর এক মাদক সেবীর বাবা জানান, বাবারে বর্তমানে পুলিশের ধারে কিছু কইনা কারণ, তাইলে আমরা গরীব মানুষ আমাগো উপরে চাপ পরবে। হেনস্তা হইতে হবে তাদের কাছে, আর সমাজে তো যারা এই মাদকের লগে জড়িতো তাগো গায়ের জোড় বেশি। তাই পত্রিকার মাধ্যমে পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের কাছে জানাই এই অসাধু অর্থলোভী ফার্মেসী ব্যবসায়ীদের হাত থেকে এলাকার যুবসমাজকে যেন রক্ষা করে। আর কোন মা বাবার সন্তান যেন শাগ্রস্থ না হয়।

এ ব্যপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, এদের ঔষধ বিক্রির সঠিক কাগজ পত্র আছে কিনা, তাও আমার জানা নাই। আর যে যেই ঔষধ চায় তাই দিয়ে দেয়। তবে ব্যাথা নাশক ও ঘুমের ঔষধ ব্যাবস্থাপত্র(প্রেসক্রিপশন) ছাড়া বিক্রি করা নিষেধ থাকলেও তারা বিক্রি করতেছে। তবে আপনাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রসাশন ও ড্রাগ এসোসিয়েশন এর দৃষ্টি আকর্ষন করে এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা এই ঔষধ নামক মাদক বিক্রি করে এলাকার সম্মান ক্ষুন্য করতেছে এবং এলাকার যুব সমাজ ধ্বংশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কম

বরিশালে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি!

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ | আপডেটঃ ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯ ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ

শামীম আহমেদ, বরিশালঃ বরিশাল শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঔষধের ফার্মেসী গুলোতে চিকিৎসকের ব্যাবস্থাপত্র ছাড়াই বিক্রি হচ্ছে ঘুম ও ব্যাথা নাশক ঔষধ। যা এলাকার যুব সমাজ ব্যাবহার করছে নেশা হিসেবে। এলাকার যুবসমাজ নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংশের পথে প্রায়। ওষুধ প্রশাসন কতৃপক্ষের নেই কোন নজর! স্থানীয়
জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রসাশনের সু-দৃষ্টি এবং এই ধ্বংশের কবল থেকে যুবসমাজকে বাঁচানোর আহ্বান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কিছু সচেতন নাগরীকের। তারা বলেন, আমাদের সন্তানদের যেই বয়সে হাতে কলম, মুখে মাদকের বিরুদ্ধে শ্লোগান আর বুকে সুন্দর দেশ গড়ার প্রত্যয়। ঠিক সেই সময় এই অর্থলোভী, অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ীরা আমাদের সন্তানদের হাতে তুলে দিচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক।

বরিশাল শহরের পলাশপুর, কেডিসি,স্টিডিয়াম কলোনী,ভাটারখাল, রসুলপুর, কাউনিয়া, কাগাশুরা বাজার, মিরগঞ্জ বাজার, লঞ্চঘাট,বাস র্টারমিনাল ও বরিশাল শহরের আবাসিক হোটেল এলাকায়,বাসষ্ট্যান্ডে কিছু ওষুধের দোকানদার অবাদে চালিয়ে যাচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক ব্যবসা। জানাযায়, অপারেশন ও বিভিন্ন গুরুতর রোগীদের জন্য ব্যাবহৃত ব্যাথা নাশক এবং ঘুমের ঔষধ যেমন, প্যথেডিন, নালবন-২, সেডিল, ইফিউম, ইনজেকশন ও ডরমিকাম, ইনোকটিন, সেডিল ট্যাবলেট এবং অফকফ, তুসকা, ফেনাডিল সিরাপ সহ বিভিন্ন ঔষধ যা ডাক্তারী ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি নিষেধ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই অর্থের লোভে হরদমে বিক্রি করছে এ ঔষধ ব্যবসায়ীরা এবং এলাকার যুবসমাজ তা কিনে নেশা হিসেবে ব্যবহার করে যাচ্ছে অবাদে। যার বাস্তব নিদর্শন রয়েছে,পলাশপুর ৫ নং ওয়ার্ডের ৭ নং গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন কালবার্ড ব্রিজের পাশে একটি আটোরিক্সার গেজের পিছনে। যেখানে বসে মাদক সেবীরা এসব মাদক গ্রহন করেন দিন রাত। তারা আরো জানাযায়, এই ফার্মেসী ব্যাবসায়ীদের কবলে পরে মাদকাসক্ত হয়ে নিজের ভারসম্য হারিয়ে ফেলেন ঐ এলাকার যুবকরা।

শুধু তাই নয় বস্তির এলাকা গুলোাতে রয়েছে হায়-হায় কোম্পানীর বড় বড় হারবালের দোকান। নেই তাদের কোন ধরনের লাইন্সে। নেই কোন অভিযান। তাই বর্তমানে তাদের ব্যাবসা চলছে জমজমাট। শুধু তাইএখানে সরকারী নিষিদ্ধি ওষুধও বিক্রি হচ্ছে পাল্লাদিয়ে। পলাশপুর এলকার যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই দেখবে ভূয়া ডাক্তারের বড় বড় সাইনবোর্ড। স্থানীয় পুলিশ প্রসাশন ও সচেতন জনপ্রতিনিধিদের চোখে বুড়ো আগুল দিয়ে নিরবে চালিয়ে যাচ্ছে এ ঔষধ নামক মাদক ব্যবসা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, এই ঔষধ ফার্মেসীর আড়ালেই চলছে এ ঔষধ নামক মাদকের রমরমা ব্যাবসা। প্রতিদিন সাধারন মানুষের মতই এলাকার যুবসমাজ বিভিন্ন ভাবে ভিড় জমাতে থাকে এ ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে এবং লোকচক্ষুর আড়ালেই ব্যবস্থাপত্র ছাড়া চলতে থাকে ঔষধ নামক মাদক কেনা বেচা।

গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ বেচা-কেনা। কি আর বলবো বাবা? অগো কারনে আমার পোলাডাও নেশাগ্রস্থ হইয়া গেছে, কিছু বললে আমাগো উপরে হাত তোলে, এভাবে অসুপূর্ণ চোকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আর এক মাদক সেবীর বাবা জানান, বাবারে বর্তমানে পুলিশের ধারে কিছু কইনা কারণ, তাইলে আমরা গরীব মানুষ আমাগো উপরে চাপ পরবে। হেনস্তা হইতে হবে তাদের কাছে, আর সমাজে তো যারা এই মাদকের লগে জড়িতো তাগো গায়ের জোড় বেশি। তাই পত্রিকার মাধ্যমে পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের কাছে জানাই এই অসাধু অর্থলোভী ফার্মেসী ব্যবসায়ীদের হাত থেকে এলাকার যুবসমাজকে যেন রক্ষা করে। আর কোন মা বাবার সন্তান যেন শাগ্রস্থ না হয়।

এ ব্যপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, এদের ঔষধ বিক্রির সঠিক কাগজ পত্র আছে কিনা, তাও আমার জানা নাই। আর যে যেই ঔষধ চায় তাই দিয়ে দেয়। তবে ব্যাথা নাশক ও ঘুমের ঔষধ ব্যাবস্থাপত্র(প্রেসক্রিপশন) ছাড়া বিক্রি করা নিষেধ থাকলেও তারা বিক্রি করতেছে। তবে আপনাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রসাশন ও ড্রাগ এসোসিয়েশন এর দৃষ্টি আকর্ষন করে এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানাচ্ছি। যারা এই ঔষধ নামক মাদক বিক্রি করে এলাকার সম্মান ক্ষুন্য করতেছে এবং এলাকার যুব সমাজ ধ্বংশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার রাকিব ।
ফকির বাড়ি, ৫৫৪৫৪ বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭২২৩৩৬০২১
ইমেইল : rakibulbsl@gmail.com, barisalcrimenews@gmail.com
  মিডিয়াই পারে জনগণের মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে: চসিক মেয়র   লোটাস কিন্ডারগার্টেন এ্যন্ড হাইস্কুলে অভিভাবক সমাবেশ, উৎফুল্য শিক্ষার্থীরা   সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৪০ ধনীর একজন বাংলাদেশি   গোমস্তাপুরে ১ কেজি গাঁজাসহ ২ জন গ্রেপ্তার   লাল সবুজে সেজেছে বরিশাল, কাল মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন   ৫ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ কনস্টেবল হলেন শামসুজ্জামান পিপিএম   ভোলা-বরিশাল ব্রিজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ   নারীদের রক্ষাকর্তা রণবীর!   হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   লালমোহনে আ’লীগ সভাপতি শাওন, সম্পাদক ফখরুল   স্মার্টফোন আপনার যে ক্ষতি করতে পারে   লন্ডনে বাংলা দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা!   জেএসসি-জেডিসি-পিইসির ফল ২৯ ডিসেম্বর   রেকর্ড ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর জিতলেন মেসি   মা-বাবার খেদমত করতে পারা সৌভাগ্যের ব্যাপার   বরিশালে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি!   ডিসেম্বরে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা   নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার, জনমনে সস্তি   চরফ্যাশনে ডায়াগনস্টিক থেকে নবজাতক চুরির অভিযোগ   চিকিৎসা সেবা দিয়ে প্রশংসায় বাংলাদেশে আসা আমেরিকান ডাক্তার দম্পতি