দৈনিক বরিশাল ২৪ভালোবাসা অটুট থাকুক মানুষের কল্যাণে,মুছে যাক হিংসা প্রতিহিংসা | দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০ ১:০১ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

ভালোবাসা অটুট থাকুক মানুষের কল্যাণে,মুছে যাক হিংসা প্রতিহিংসা

মনিরুজ্জামানঃ ভালোবাসা মানে নীল প্রজাপতি, ভালোবাসা মানে হারমানা ক্ষতি, ভালোবাসা মানে উষ্নসুখের বরফ গলা নদী। ভালেঅবাসার গানের এ কথাগুলো কন্ঠশিল্পী আসিফ এর গানেই মানায়। বাস্তবে ঘটে এর উল্টো। ভালোবাসায় যারা পতিত হয়েছে তারা কেবলই নির্মমতা বুঝতে পারে। পাঠকের সার্থে লেখকের ভাষায় ভালোবাসা হলো এমন একটি অদৃশ্য ছোয়া, যা চাইলেই যেমন পাওয়া যায়না, তেমনই পেলেও তা সহজেই ধরে রাখা যায় না।

আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রতিবছর তরুণ-তরুণসহ নানা বয়সের মানুষ তাদের পরিচিতজনদের সাথে সুখদু:খ বিনীময় করে থাকে। উপলক্ষে এ দিনে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। কিন্তু যে দিবসে মানুষের এতো আয়োজন তাদের অনেকেই জানেনা এর আদি ইতিহাস। প্রিয়জনদের নিয়ে সারাদিন আড্ডা গল্পে কেটে যায় তাদের বিশেষ একটি দিন।

ইতিহাস থেকে যতদুর জানাযায়, ২৬৯ খৃষ্ঠাব্দে ১৪ই ফেব্রুয়ারী রচিত হয় ভালেঅবাসার অমর গাথা ইতিহাস। ইতালির রোম নগরে আজকের এই দিনে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামে এজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। রাষ্টে নিশেধ অমান্য করে তিনি প্রেমিক প্রেমিকদের বিবাহ পড়ানো সম্পন্ন করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোমান সম্রাট তাকে বন্দি করেন। সেখানে বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি একজন কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুষ্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের জনপ্রিয়তা বহুগুনে বেড়ে যায়। তার প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে রাজা তাকে ফাশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেন। সেদিন থেকে পোপ জেলাসিউস আজকের এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন-ডে হিসেবে ঘোষনা করেন।

তখন থেকেই বিশ্বব্যপী এদিন ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। স্ত্রীকে ভালোবেসে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের সম্রাট শাজাহান। গড়েছেন লাইলি মজনু শিরি ফরহাদ। ইতিহাস রচিত হচ্ছে আমাদের দেশেও। নানা অপসংস্কতিতে আমাদের দেশে ভালোবাসার দিবসটিতে প্রায় ঘটছে অপ্রত্যাসিত কোন অঘটন। সামাজিক অবক্ষয়ে এর প্রভাবে বাড়ছে বাল্য বিবাহ। কয়েক দিনের ব্যাবধানে সুখেল সংসারে নেমে আসছে অমানবিক বিপর্যয় ।

এক শ্রেনির বখাটে যুবকের ফাঁদে পড়ে সুখী জীবনের করুণ পরিনতি ডেকে আনছেন তরুনীরা। ফলে পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালেই মেলে অনাকাঙ্ক্ষিত যুবক যুবতীর অপমৃত্যুর সংবাদ। আবার অনেকেই ব্যার্থ হয়েও আত্ববিশ্বাসে বেঁচে থাকার লড়াই করছে।

এবার আসি ভালোবাসার নির্মম পরিনতির স্বিকার রিতার (ছদ্দ নাম) কথায়। বাবা আ: জব্বার কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতেন। চার সন্তানের মধ্যে রিতা বড়। ৫ ম শ্রেনিতে পড়া রিতাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষীত করবেন এমন বুকবাঁধা আশা বাবার মনে। কিন্তু বাবা কি জানতেন রিতা তার সেই আশার গুরেবালি ঘটাবেন? সংসারে অভাব কাকে বলে রিতাকে বুজতে দেননি দরিদ্র জব্বার। রিতা পড়ার নামে যখন যা চেয়েছে সাধ্য না থাকলেও ধার দেনা করে মেয়ের শখ পুরন করেছেন।

একদিন স্কুলে যাওয়ার পথে এলাকার সাহাদাত নামের যুবকের প্রেমের ফাঁদে রিতা। অল্প বয়সের সুযোগ নিয়ে সাহাদাত রিতাকে টাকা পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দিয়ে সহজেই পটিয়ে ফেলে রিতাকে। পিতা মাতার প্রতি রিতার ভালোবাসা বিলিন করে রিতা এখন সাহাদাত বন্দনায়। পড়াশুনায় মন বসছে না। বাবা মার কোনো প্রচেষ্টাই কাজে আসছে না। শুরু হয় রিতার অবুঝ প্রেমের মিশন। স্কুল ফাকিসহ বিভিন্ন দিবসে রিতা সাহাদাত সিনেমাহল, পার্কের নিয়মিত দর্শনার্থী!

প্রাথমিকে ফলাফল মোটামুটি ভালই করছিলো। রিতা এবার ৬ ষ্ঠ শ্রেনির শিক্ষার্থী। বাবা মায়ের অজান্তে রিতা সাহাদাতেরর প্রেম চলতে থাকে। অষ্টম শ্রেনির বার্ষিক পরীক্ষা দিবে রিতা। মাত্র কয়েক দিন আগে রিতা সাহাদাত ধরা পড়ে যায় জব্বারে কাছে। প্রেমের টানে উজ্জল ভবিষ্যৎ থেকে পতিত হওয়া রিতা সাহাদাতেরর সাথে ঘর ছাড়া।

অনেক খোজার পরে সামাজিকতার কলসিত বিচার ব্যবস্থা আর স্থানীয় কাজীর হটকারীতায় রিতা সাহাদাত বিয়ের পিড়িতে! নির্ঘাৎ একটি বাল্য বিবাহ। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনা স্থলে হাজির হলেও প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টি আর টাকার কাছে পরাজিত বিবেকবান সাংবাদিকরা।

বিয়ে হল। অগোছালো সাহাদাত রিতাকে নিয়ে তার মামাবাড়ি ওঠে। প্রেমের কাছে হার না মানা রিতা এখন সংসারী। বিয়ের কয়েক দিনের মাথায় বেরিয়ে আসে সাহাদাতেরর কালো রুপ। মদ গাজার নেশায় আসক্ত স্বামী। তার ওপর বাড়িতে এসে কারোনে অকারোনে মারধর। কি করবে রিতা? শত নির্জাতন সহ্য করেও স্বামীর প্রতি আকৃষ্ট রিতা। কেটে গেলো আট বছর। এক সময়ের ৫ ম শ্রেনির শিশু এখন তিন সন্তানের জননী।

রিতার প্রতি অভিমান করে থাকা জব্বার নাতিদের ভালোবাসতেন। নাতিদের নিকট জানতে পারেন আদরের বড় মেয়ে রিতা ভালো নেই। সব কিছু জেনে রিতাকে ডিভোর্স দেয়ার পরামর্শ দেন। বাবার অবাধ্য হওয়া রিতা এবার ভুল করল না। স্বামীর সংসারকে বিদায় জানিয়ে ডিভোর্স দিলো সাহাদাতকে।
সেই থেকেই বাস্তব জীবনের কঠিন পরিনতি যেনো আর কেউ বরণ না করে সেই প্রত্যাশা রিতার।

লেখক: মনিরুজ্জামান, যুগ্ন-সম্পাদক, দৈনিক বরিশাল ২৪.কম।

 বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কম

ভালোবাসা অটুট থাকুক মানুষের কল্যাণে,মুছে যাক হিংসা প্রতিহিংসা

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০ ১:০১ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০ ২:৪১ অপরাহ্ণ

মনিরুজ্জামানঃ ভালোবাসা মানে নীল প্রজাপতি, ভালোবাসা মানে হারমানা ক্ষতি, ভালোবাসা মানে উষ্নসুখের বরফ গলা নদী। ভালেঅবাসার গানের এ কথাগুলো কন্ঠশিল্পী আসিফ এর গানেই মানায়। বাস্তবে ঘটে এর উল্টো। ভালোবাসায় যারা পতিত হয়েছে তারা কেবলই নির্মমতা বুঝতে পারে। পাঠকের সার্থে লেখকের ভাষায় ভালোবাসা হলো এমন একটি অদৃশ্য ছোয়া, যা চাইলেই যেমন পাওয়া যায়না, তেমনই পেলেও তা সহজেই ধরে রাখা যায় না।

আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রতিবছর তরুণ-তরুণসহ নানা বয়সের মানুষ তাদের পরিচিতজনদের সাথে সুখদু:খ বিনীময় করে থাকে। উপলক্ষে এ দিনে তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। কিন্তু যে দিবসে মানুষের এতো আয়োজন তাদের অনেকেই জানেনা এর আদি ইতিহাস। প্রিয়জনদের নিয়ে সারাদিন আড্ডা গল্পে কেটে যায় তাদের বিশেষ একটি দিন।

ইতিহাস থেকে যতদুর জানাযায়, ২৬৯ খৃষ্ঠাব্দে ১৪ই ফেব্রুয়ারী রচিত হয় ভালেঅবাসার অমর গাথা ইতিহাস। ইতালির রোম নগরে আজকের এই দিনে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামে এজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। রাষ্টে নিশেধ অমান্য করে তিনি প্রেমিক প্রেমিকদের বিবাহ পড়ানো সম্পন্ন করতেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোমান সম্রাট তাকে বন্দি করেন। সেখানে বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি একজন কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুষ্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের জনপ্রিয়তা বহুগুনে বেড়ে যায়। তার প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে রাজা তাকে ফাশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেন। সেদিন থেকে পোপ জেলাসিউস আজকের এ দিনকে ভ্যালেন্টাইন-ডে হিসেবে ঘোষনা করেন।

তখন থেকেই বিশ্বব্যপী এদিন ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। স্ত্রীকে ভালোবেসে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের সম্রাট শাজাহান। গড়েছেন লাইলি মজনু শিরি ফরহাদ। ইতিহাস রচিত হচ্ছে আমাদের দেশেও। নানা অপসংস্কতিতে আমাদের দেশে ভালোবাসার দিবসটিতে প্রায় ঘটছে অপ্রত্যাসিত কোন অঘটন। সামাজিক অবক্ষয়ে এর প্রভাবে বাড়ছে বাল্য বিবাহ। কয়েক দিনের ব্যাবধানে সুখেল সংসারে নেমে আসছে অমানবিক বিপর্যয় ।

এক শ্রেনির বখাটে যুবকের ফাঁদে পড়ে সুখী জীবনের করুণ পরিনতি ডেকে আনছেন তরুনীরা। ফলে পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালেই মেলে অনাকাঙ্ক্ষিত যুবক যুবতীর অপমৃত্যুর সংবাদ। আবার অনেকেই ব্যার্থ হয়েও আত্ববিশ্বাসে বেঁচে থাকার লড়াই করছে।

এবার আসি ভালোবাসার নির্মম পরিনতির স্বিকার রিতার (ছদ্দ নাম) কথায়। বাবা আ: জব্বার কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতেন। চার সন্তানের মধ্যে রিতা বড়। ৫ ম শ্রেনিতে পড়া রিতাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষীত করবেন এমন বুকবাঁধা আশা বাবার মনে। কিন্তু বাবা কি জানতেন রিতা তার সেই আশার গুরেবালি ঘটাবেন? সংসারে অভাব কাকে বলে রিতাকে বুজতে দেননি দরিদ্র জব্বার। রিতা পড়ার নামে যখন যা চেয়েছে সাধ্য না থাকলেও ধার দেনা করে মেয়ের শখ পুরন করেছেন।

একদিন স্কুলে যাওয়ার পথে এলাকার সাহাদাত নামের যুবকের প্রেমের ফাঁদে রিতা। অল্প বয়সের সুযোগ নিয়ে সাহাদাত রিতাকে টাকা পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দিয়ে সহজেই পটিয়ে ফেলে রিতাকে। পিতা মাতার প্রতি রিতার ভালোবাসা বিলিন করে রিতা এখন সাহাদাত বন্দনায়। পড়াশুনায় মন বসছে না। বাবা মার কোনো প্রচেষ্টাই কাজে আসছে না। শুরু হয় রিতার অবুঝ প্রেমের মিশন। স্কুল ফাকিসহ বিভিন্ন দিবসে রিতা সাহাদাত সিনেমাহল, পার্কের নিয়মিত দর্শনার্থী!

প্রাথমিকে ফলাফল মোটামুটি ভালই করছিলো। রিতা এবার ৬ ষ্ঠ শ্রেনির শিক্ষার্থী। বাবা মায়ের অজান্তে রিতা সাহাদাতেরর প্রেম চলতে থাকে। অষ্টম শ্রেনির বার্ষিক পরীক্ষা দিবে রিতা। মাত্র কয়েক দিন আগে রিতা সাহাদাত ধরা পড়ে যায় জব্বারে কাছে। প্রেমের টানে উজ্জল ভবিষ্যৎ থেকে পতিত হওয়া রিতা সাহাদাতেরর সাথে ঘর ছাড়া।

অনেক খোজার পরে সামাজিকতার কলসিত বিচার ব্যবস্থা আর স্থানীয় কাজীর হটকারীতায় রিতা সাহাদাত বিয়ের পিড়িতে! নির্ঘাৎ একটি বাল্য বিবাহ। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনা স্থলে হাজির হলেও প্রভাবশালীদের লোলুপ দৃষ্টি আর টাকার কাছে পরাজিত বিবেকবান সাংবাদিকরা।

বিয়ে হল। অগোছালো সাহাদাত রিতাকে নিয়ে তার মামাবাড়ি ওঠে। প্রেমের কাছে হার না মানা রিতা এখন সংসারী। বিয়ের কয়েক দিনের মাথায় বেরিয়ে আসে সাহাদাতেরর কালো রুপ। মদ গাজার নেশায় আসক্ত স্বামী। তার ওপর বাড়িতে এসে কারোনে অকারোনে মারধর। কি করবে রিতা? শত নির্জাতন সহ্য করেও স্বামীর প্রতি আকৃষ্ট রিতা। কেটে গেলো আট বছর। এক সময়ের ৫ ম শ্রেনির শিশু এখন তিন সন্তানের জননী।

রিতার প্রতি অভিমান করে থাকা জব্বার নাতিদের ভালোবাসতেন। নাতিদের নিকট জানতে পারেন আদরের বড় মেয়ে রিতা ভালো নেই। সব কিছু জেনে রিতাকে ডিভোর্স দেয়ার পরামর্শ দেন। বাবার অবাধ্য হওয়া রিতা এবার ভুল করল না। স্বামীর সংসারকে বিদায় জানিয়ে ডিভোর্স দিলো সাহাদাতকে।
সেই থেকেই বাস্তব জীবনের কঠিন পরিনতি যেনো আর কেউ বরণ না করে সেই প্রত্যাশা রিতার।

লেখক: মনিরুজ্জামান, যুগ্ন-সম্পাদক, দৈনিক বরিশাল ২৪.কম।

সম্পাদক ও প্রকাশক : খন্দকার রাকিব ।
ফকির বাড়ি, ৫৫৪৫৪ বরিশাল।
মোবাইল: ০১৭২২৩৩৬০২১
ইমেইল : rakibulbsl@gmail.com, barisalcrimenews@gmail.com
  পেন্সিল পাবলিকেশনস এর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন   বরিশালে ভিজিডির চাল বিতরণ   ভোলাটাটে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলিসহ ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব   ঐতিহাসিক ৭ মার্চের দিনে পরীক্ষা বরিশালে রুটিন পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ   ঋতুরাজকে বরণে চট্টগ্রামে বর্ণিল আয়োজন   মিনহাজুল ইসলামের ডাকে নীলফামারীতে হাজার হাজার দর্শক   বাগেরহাট-৪ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন ফরাজী মনির   সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট সংবাদ হিসেবে প্রকাশ উচিত নয়: তথ্যমন্ত্রী   বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি খোরশেদ আলমকে বদলি   পিরোজপুরে সামাজিক বনায়নে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন   ফাগুনের রঙে বরিশালে বসন্ত বরণ   ইঁদুর থেকে ছড়াচ্ছে ‘লাসা’ জ্বর, নাইজেরিয়ায় ৭০ জনের মৃত্যু   রাঙ্গামাটিতে নৌকাডুবিতে নিহত তিন , নিখোঁজ তিন শিশু   বরিশালে নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিলের সভাপতি হলেন তুষার-সম্পাদক রিপন   ভোলায় আলু চাষে বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য   ভালোবাসা অটুট থাকুক মানুষের কল্যাণে,মুছে যাক হিংসা প্রতিহিংসা   ফুলে ফুলে সিক্ত হলেন রংপুরের কৃতিসন্তান বিশ্বজয়ী আকবর আলী   এক মানবিক পুলিশের নাম শওকত হোসেন   মাধ্যমিক স্তরের ৪০ লাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাবেন বিকাশে   চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল, গানপাউডার ও জিহাদি বইসহ শিবিরের ১৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার