অনলাইন নিউজঃ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। রোববার (৩১ মে) প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তরের আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সচিবালয়ে বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফলাফল দিয়েছেন।
যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১০।
এবার করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্কুলে গিয়ে ফল জানার সুযোগ নেই। তাই এবার সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নিজ নিজ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষার্থীরা রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
যারা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফল দেওয়া হবে। রোববার (৩১ মে) দুপুর ১২টা থেকে ওয়েবসাইট থেকেও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে। এ জন্য http://www.educationboardresults.gov.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইনপুট দিয়ে ফল জানা যাবে।
এছাড়া ফল প্রকাশের দিন এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে। এ জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ ঢাকা বোর্ড হলে Dha লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার্থীর ফল জানানো হবে।
এবারে গড় পাসের হার ৮২.৮৭. শতাংশ।
গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এবার তা বেড়ে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ হয়েছে।
ঘোষিত ফলাফলে যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৩ জন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৮৫.২২ , আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৮২.৭৩, বরিশাল বোর্ডে ৭৯.৭০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন।ময়মনসিংহে পাসের হার ৮০.১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮৪.৭৩ শতাংশ, জিপিএস-৫ পেয়েছে ৯হাজার ৮ জন। রাজশাহীতে পাসের হার ৯০.৩৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ হাজার ১৬৭ জন।
বিজ্ঞান বিভাগে গতবছর পাসের হার ছিল ৯৪.৭২, এবার হয়েছে ৯৪.৫৪ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে গতবছর পাসের হার ছিল ৮৩.০৩, এবার হয়েছে ৮৪.৮০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে গতবছর পাসের হার ছিল ৭৪.৩২, এবার হয়েছে ৭৬.৩৯ শতাংশ।
বিদেশি কেন্দ্রগুলোতে পাসের হার ৯৪.৬৪ শতাংশ। মোট ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণণ করেছে। এর মধ্যে পাস করেছে ৩১৮ জন।সুত্রঃমানবকন্ঠ