মো: জিহাদ রানা: বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার বলেছেন,য় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ, আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ গর্বিত বাঙালি। আমরা একে অপরের ধর্মীয় উৎসবে হাজির হয়ে ঐতিহ্যের চরিত্র, সংস্কৃতি সারা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরি। আমাদের প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবে রয়েছে কল্যাণের বার্তা। মা দুর্গা অসুরকে বধ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন, তেমনি ভাবে সবাই এক হয়ে সকল অন্যায়কে পরাজিত করে মানবিকতাকে জয় করতে হবে।
২৫ অক্টোবর রোববার বিএমপি কমিশনার নগরীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি  পূজা মন্ডপ কমিটি সহ সকল পূজারীদের ফলমূল ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে, দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে প্রত্যাশা করে পুলিশ কমিশনার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন একটি সত্যিকারের সোনার বাংলা, সম্প্রীতির সোনার বাংলা, সমৃদ্ধির সোনার বাংলা।
তিনি আরও বলেন, জীবন বাঁচলে জীবিকা বাঁচবে। সারাবিশ্বে চলমান মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব এড়াতে এবারের উৎসবের আমেজে একটু ভিন্নতা আনা হয়েছে। যা আমরা ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় সভার মাধ্যমে সকলেই অবগত ও সম্মত হয়েছি। আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় ছিলো ভিন্ন কৌশল।
গতবছরের চেয়ে নিরাপত্তা নজরদারি আরও বেশি রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে এই পুজা উদযাপন আমাদের শিখিয়ে দিচ্ছে, আনন্দ উদযাপনের ফলাফল কিভাবে ভালোর পক্ষে থাকে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব প্রলয় চিসিম বলেন, অসুরকে মা দূর্গা পরাজিত করেছিলেন। আমরাও সমাজ থেকে যাবতীয় পাপাচার পরাজিত করে সকল অশুভের বিনাশ ও শিষ্টের পালন করে এ দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবো।
এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ বিএমপি জনাব মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিএমপি জনাব মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর বিএমপি জনাব মোঃ খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার ডিবি বিএমপি জনাব মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম বার সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।