সাইদ রাসেলঃ
তিন অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ-বিদায়। মাত্র তিন অক্ষর। কিন্তু শব্দটির আপাদমস্তক বিষাদে ভরা। শব্দটা কানে আসতেই মনটা কেন যেন বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। এমন কেন হয়? কারণ এই যে,বিদায় হচ্ছে বিচ্ছেদ। আর প্রত্যেক বিচ্ছেদের মাঝেই নিহিত থাকে নীল কষ্ট।
বিদায় চাকরি জীবনে শুধু একবারই নয়, এক চাকুরী জীবনে মানুষকে সম্মুখীন হতে হয় একাধিক বিদায়ের। সে-ই যে জন্ম লগ্ন থেকে বিদায়ের সূচনা, তারপর জীবন পথের বাঁকে বাঁকে আরো কত বিদায় যে অনিবার্য হয়ে আসে।
মানবশিশু ভুমিষ্ট হয়েই কাঁদতে থাকে। কেন সে কাঁদে? সে তো কাঁদবেই। এতদিন মায়ের নাড়ির সঙ্গে তার যে বন্ধন ছিল সেটি যে আজ ছিন্ন হল। এভাবে জীবনের পরতে পরতে ছিন্ন হয় আরো কত প্রিয় বন্ধন! তবে এ বিদায়ের বেলায় কষ্টের মাঝেও এক রকম আনন্দ থাকতে পারে যদি সান্তনার সংকট না থাকে।
বিদায় কখনো সুখের হয়না, কিন্তু বিদায় জানাতেই হবে, এটাই বাস্তবতা । বিজ্ঞ জনেরা বলেছেন যদি কখনো বিদায় বেলা এসে যায়, তাহলে তা যেন হয় অতি সুখের বিদায় । সুন্দর বিদায় হলো ক্ষতি না করে বিদায় নেয়া, সুন্দর ক্ষমা হলো বকা না দিয়ে ক্ষমা করা, সুন্দর ধৈর্য হলো অভিযোগ না রেখে ধৈর্য্ধারণ করা।
এসকল গুনের অধিকারী ছিলেন আমাদের ইপিজেড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোহাম্মদ হোছাইন স্যার। আমরা আজকে আমাদের ইপিজেড থানার সুযোগ্য পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) স্যারকে আমাদের মাঝ থেকে বিদায় জানালাম। বিদায় জানাতে যদিও অনেক কষ্ট হয়েছে, তারপরও কি করা, বিদায় তো দিতেই হবে।
স্যার যেখানে চাকরি করেন সুনামের সহিত চাকরি করবেন এ আশা রাখি।আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
সাইদ রাসেল, এসআই, ইপিজেড থানা, সিএমপি।
(লেখা ও ছবিঃ ফেসবুক থেকে নেয়া)