অনলাইন নিউজঃবিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বলতে আকদ পর্যন্ত হয়েছে। লকডাউনের কারণে আর আতিথেয়তার সম্ভব হয়নি। বিয়ের খাবার না খেয়েই ছুটতে হয়েছে কর্মস্থলের জন্য। নতুন বউ নিয়ে অন্তত লঞ্চের কেবিনে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল রাসেলের। তাও হলো না। অস্বাভাবিক যাত্রীর চাপে শেষে লঞ্চের ছাদেই ঠাঁই হয়েছে নবদম্পতির।

বরিশাল নদীবন্দরে কথা হয় নববিবাহিত রাসেলের বোন পারভিনের সঙ্গে। জেলার উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে তাদের বাড়ি।

গতকালও জানতাম না আগামীকাল শুক্রবার থেকে আবার লকডাউন দিবে। আজ দুপুরে শুনেছি তখন কেবল আকদ হয়েছে। আয়োজন ছিল খাবারের। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পরপরই খাওয়া-দাওয়া না করেই নতুন বউ নিয়ে ঢাকা রওয়ানা দিয়েছি। যেতে কষ্ট হবে। কিন্তু কিছু করার নেই।

রাসেল ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যানের কাজ করেন। নব পরিণীতা স্ত্রীর বাড়ি পাশের ইউনিয়নে বললেও নাম বলেননি রাসেল। 

রাসেল বলেন, চেষ্টা করছি লঞ্চে একটি কেবিন সংগ্রহ করার। কিন্তু পাচ্ছি না। নতুন বউ নিয়ে এভাবে খোলা আকাশের নিচে যেতে কেমন দেখায়! আর একটা দিন পরে লকডাউন দিলে আর সমস্যা হত না। না পারলাম কোরবানির মাংস খেতে, না পারলাম বিয়ের অনুষ্ঠানটা করতে। প্রসঙ্গত, আজ বরিশাল নদীবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ১০টি বিলাসবহুল লঞ্চ ছেড়ে যায়। এরমধ্যে পারাবত-১০ লঞ্চের ছাদে ঠাঁই হয়েছে নবদম্পতির।সূত্রঃযুগান্তর