বিশেষ প্রতিনিধিঃ শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় নয়, চাকরি ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষাও এই আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কেউ নকল করে পার পেয়ে যেতে পারবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার তালিকায় শিক্ষা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। শীঘ্রই তা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংশোধিত আইনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।’
তিনি বলেন, ‘নতুন আইনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নকল প্রতিরোধ করা হবে এবং পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞাতেও পরিবর্তন আনা হবে।
শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় নয়, চাকরি ও ব্যাংকসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষাও এই আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে কেউ নকল করে পার পেয়ে যেতে পারবে না।’তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সরকার ২০০টির বেশি প্রকল্প গ্রহণ করেছিল, যেগুলোতে অনেকেই অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। ওই সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিক্রির মাধ্যমে অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি।
শিক্ষা খাতে ধস নামার পেছনের কারণগুলো খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরিনসহ প্রমুখ।