সোহেল আহমেদ: ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে এক তরুণী বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সুমাইয়া আক্তার (১৮) পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মো. ফজলুর রহমানের মেয়ে।

সোমবার দুপুরে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন।
তিনি জানান, পটুয়াখালী থেকে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য ব‌রিশালের শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌কেল কলেজ হাসপাতালে আসা ডেঙ্গু রোগী সুমাইয়া আক্তার আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে চি‌কিৎসাধীন অবস্থায় মারা‌ গেছে।

জানা যায়, সুমাইয়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত বুধবার দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাকে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহে মোজাহেদুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সুমাইয়া প্রথমে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সে মারা যায়।

১৬ জুলাই থেকে মোট ১২শ ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হয়। এরমধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ১০৯১ জন। আর মৃতের সংখ্যা ৫ জন।

এদিকে পরিবার সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়া ঈদের ছুটিতে দুমকির ভাড়া বাসায় আসেন। সেখানে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন।  এই মেধাবী এইচএসসিতে জিপিএ ৪ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ঢাকায় একটি কোচিংয়ে ভর্তি হয়েছিলেন।

কিন্তু তার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ হল না। ঈদের ছুটিতে বাসায় ফিরে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে সোমবার দুপুরে তিনি মারা গেছেন। সুমাইয়া পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার সরকারি জনতা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হকের মেয়ে।

ন।