শামীম আহমেদ, বরিশাল অফিসঃ করোনাভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে এমন সন্দেহে বরিশালে ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

গত তিনদিনে চার জেলার ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়। নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুইজন ও মুলাদী উপজেলার একজনকে।

এছাড়া ভোলা জেলার সদর উপজেলায়ও একজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলায় একজন ও ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায় একজন নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারা সবাই বিভিন্ন দেশ থেকে সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছেন।

জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মীরা হোম কোয়ারেন্টাইনের প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত কারো শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। বর্তমানে বরিশাল জেলার ১০ জন, ঝালকাঠি জেলার পাঁচজন ও পটুয়াখালী জেলার পাঁচজন ও ভোলা জেলায় একজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জেলায় বিভিন্ন কমিটিসহ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় বিশেষভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৯১৯ বেড। খোলা হয়েছে করোনা ইউনিট।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, গত তিনদিনে বিভাগের চার জেলায় ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। জেলাগুলো হচ্ছে ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী। তবে তারা অধিকাংশই বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন।