আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ - দৈনিক বরিশাল ২৪দৈনিক বরিশাল ২৪আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ - দৈনিক বরিশাল ২৪
আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ
Photo Card
Preview
আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ
অনলাইন নিউজ: নীল আকাশে বিশালাকার গম্বুজ আর আকাশছোঁয়া মিনার। এ যেন সাদা আর সোনালি রঙের এক অপূর্ব মিতালী। বলছিলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কথা। এখানে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আরব বিশ্বের কোনো এক রাজকীয় স্থাপনা। ২০০৩ সালে কাজ শুরু হওয়া এই মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র মক্কা, মদিনা, কারবালা এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন পুণ্যভূমির মাটি। ২১টি গম্বুজ আর ১৯৩ ফুট উচ্চতার মিনার, আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধন এই বায়তুল আমান জামে মসজিদে। এর ভেতরে রয়েছে শৈল্পিক ছোঁয়া। দামি পাথর আর কারুকাজে খচিত দেয়ালগুলো জানান দেয় আভিজাত্যর কথা। মসজিদটিতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন প্রায় দেড় হাজার...
৩১
অনলাইন নিউজ: নীল আকাশে বিশালাকার গম্বুজ আর আকাশছোঁয়া মিনার। এ যেন সাদা আর সোনালি রঙের এক অপূর্ব মিতালী। বলছিলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কথা। এখানে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আরব বিশ্বের কোনো এক রাজকীয় স্থাপনা।
২০০৩ সালে কাজ শুরু হওয়া এই মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র মক্কা, মদিনা, কারবালা এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন পুণ্যভূমির মাটি।
২১টি গম্বুজ আর ১৯৩ ফুট উচ্চতার মিনার, আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধন এই বায়তুল আমান জামে মসজিদে। এর ভেতরে রয়েছে শৈল্পিক ছোঁয়া। দামি পাথর আর কারুকাজে খচিত দেয়ালগুলো জানান দেয় আভিজাত্যর কথা। মসজিদটিতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি।
শুধু ধর্মপ্রাণ মানুষই নন, স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন শত শত মাইলের পথ পাড়ি দিয়ে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা।
ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে আসা রফিকুল নামের দর্শনার্থী বলেন, ‘এই মসজিদের নাম অনেক আগ থেকেই শুনেছি। তবে কাছে থেকে প্রথমবার দেখে ভালো লাগছে। মনে হয়েছে আরব বিশ্বের কোনো এক শহরে রয়েছি।’
আরেক দর্শনার্থী ইসমাইল বলেন, ‘ছবিতে দেখে মসজিদটি দেখতে এসেছি। সামনাসামনি এটি দেখতে ছবির চেয়েও সুন্দর।’
মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘মসজিদটি নির্মানের আগে প্রকৌশলীকে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করানো হয়েছে। কারণ এই মসজিদটির ডিজাইন অন্য কোনো মসজিদের সাথে না মিলে। মসজিদটিতে ২১টি গম্বুজ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শুধু মসজিদ নয়। এই কমপ্লেক্সে রয়েছে এতিমখানা ও মাদ্রাসা। যার ব্যায়ভার সম্পূর্ণ বহন করছে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা।’
২০০৩ সালে মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও শেষ হয় ২০০৬ সালে। উপজেলার গুঠিয়া গ্রামে ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এই কমপ্লেক্সে মসজিদের পাশাপাশি রয়েছে এতিমখানা ও বিশাল জলাধার। রাতের আলোকসজ্জায় এর রূপ পাল্টে যায় বহুগুণ।
বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, ‘গুঠিয়া মসজিদ, দূর্গাসাগর ও বানারীপাড়ার শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের বাড়িকে ঘিরে পর্যটক বান্ধব করতে নানা পরিকল্পনা রয়েছে।’তথ্যসূত্র:সময় সংবাদ
আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Photo Card
Preview
আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ
অনলাইন নিউজ: নীল আকাশে বিশালাকার গম্বুজ আর আকাশছোঁয়া মিনার। এ যেন সাদা আর সোনালি রঙের এক অপূর্ব মিতালী। বলছিলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কথা। এখানে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আরব বিশ্বের কোনো এক রাজকীয় স্থাপনা। ২০০৩ সালে কাজ শুরু হওয়া এই মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র মক্কা, মদিনা, কারবালা এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন পুণ্যভূমির মাটি। ২১টি গম্বুজ আর ১৯৩ ফুট উচ্চতার মিনার, আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধন এই বায়তুল আমান জামে মসজিদে। এর ভেতরে রয়েছে শৈল্পিক ছোঁয়া। দামি পাথর আর কারুকাজে খচিত দেয়ালগুলো জানান দেয় আভিজাত্যর কথা। মসজিদটিতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন প্রায় দেড় হাজার...
৩১
অনলাইন নিউজ: নীল আকাশে বিশালাকার গম্বুজ আর আকাশছোঁয়া মিনার। এ যেন সাদা আর সোনালি রঙের এক অপূর্ব মিতালী। বলছিলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কথা। এখানে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আরব বিশ্বের কোনো এক রাজকীয় স্থাপনা।
২০০৩ সালে কাজ শুরু হওয়া এই মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র মক্কা, মদিনা, কারবালা এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন পুণ্যভূমির মাটি।
২১টি গম্বুজ আর ১৯৩ ফুট উচ্চতার মিনার, আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধন এই বায়তুল আমান জামে মসজিদে। এর ভেতরে রয়েছে শৈল্পিক ছোঁয়া। দামি পাথর আর কারুকাজে খচিত দেয়ালগুলো জানান দেয় আভিজাত্যর কথা। মসজিদটিতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি।
শুধু ধর্মপ্রাণ মানুষই নন, স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন শত শত মাইলের পথ পাড়ি দিয়ে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা।
ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে আসা রফিকুল নামের দর্শনার্থী বলেন, ‘এই মসজিদের নাম অনেক আগ থেকেই শুনেছি। তবে কাছে থেকে প্রথমবার দেখে ভালো লাগছে। মনে হয়েছে আরব বিশ্বের কোনো এক শহরে রয়েছি।’
আরেক দর্শনার্থী ইসমাইল বলেন, ‘ছবিতে দেখে মসজিদটি দেখতে এসেছি। সামনাসামনি এটি দেখতে ছবির চেয়েও সুন্দর।’
মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘মসজিদটি নির্মানের আগে প্রকৌশলীকে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করানো হয়েছে। কারণ এই মসজিদটির ডিজাইন অন্য কোনো মসজিদের সাথে না মিলে। মসজিদটিতে ২১টি গম্বুজ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শুধু মসজিদ নয়। এই কমপ্লেক্সে রয়েছে এতিমখানা ও মাদ্রাসা। যার ব্যায়ভার সম্পূর্ণ বহন করছে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা।’
২০০৩ সালে মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও শেষ হয় ২০০৬ সালে। উপজেলার গুঠিয়া গ্রামে ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এই কমপ্লেক্সে মসজিদের পাশাপাশি রয়েছে এতিমখানা ও বিশাল জলাধার। রাতের আলোকসজ্জায় এর রূপ পাল্টে যায় বহুগুণ।
বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, ‘গুঠিয়া মসজিদ, দূর্গাসাগর ও বানারীপাড়ার শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের বাড়িকে ঘিরে পর্যটক বান্ধব করতে নানা পরিকল্পনা রয়েছে।’তথ্যসূত্র:সময় সংবাদ