আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ

১৬১৪

অনলাইন নিউজ: নীল আকাশে বিশালাকার গম্বুজ আর আকাশছোঁয়া মিনার। এ যেন সাদা আর সোনালি রঙের এক অপূর্ব মিতালী। বলছিলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কথা। এখানে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আরব বিশ্বের কোনো এক রাজকীয় স্থাপনা।

২০০৩ সালে কাজ শুরু হওয়া এই মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র মক্কা, মদিনা, কারবালা এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন পুণ্যভূমির মাটি।

২১টি গম্বুজ আর ১৯৩ ফুট উচ্চতার মিনার, আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধন এই বায়তুল আমান জামে মসজিদে। এর ভেতরে রয়েছে শৈল্পিক ছোঁয়া। দামি পাথর আর কারুকাজে খচিত দেয়ালগুলো জানান দেয় আভিজাত্যর কথা। মসজিদটিতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি।
 
শুধু ধর্মপ্র‍াণ মানুষই নন, স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন শত শত মাইলের পথ পাড়ি দিয়ে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা।
 
ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে আসা রফিকুল নামের দর্শনার্থী বলেন, ‘এই মসজিদের নাম অনেক আগ থেকেই শুনেছি। তবে কাছে থেকে প্রথমবার দেখে ভালো লাগছে। মনে হয়েছে আরব বিশ্বের কোনো এক শহরে রয়েছি।’
 
আরেক দর্শনার্থী ইসমাইল বলেন, ‘ছবিতে দেখে মসজিদটি দেখতে এসেছি। সামনাসামনি এটি দেখতে ছবির চেয়েও সুন্দর।’
 
মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘মসজিদটি নির্মানের আগে প্রকৌশলীকে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করানো হয়েছে। কারণ এই মসজিদটির ডিজাইন অন্য কোনো মসজিদের সাথে না মিলে। মসজিদটিতে ২১টি গম্বুজ রয়েছে।’
 
তিনি বলেন, ‘শুধু মসজিদ নয়। এই কমপ্লেক্সে রয়েছে এতিমখানা ও মাদ্রাসা। যার ব্যায়ভার সম্পূর্ণ বহন করছে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা।’
 
২০০৩ সালে মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও শেষ হয় ২০০৬ সালে। উপজেলার গুঠিয়া গ্রামে ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এই কমপ্লেক্সে মসজিদের পাশাপাশি রয়েছে এতিমখানা ও বিশাল জলাধার। রাতের আলোকসজ্জায় এর রূপ পাল্টে যায় বহুগুণ।
 
বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, ‘গুঠিয়া মসজিদ, দূর্গাসাগর ও বানারীপাড়ার শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের বাড়িকে ঘিরে পর্যটক বান্ধব করতে নানা পরিকল্পনা রয়েছে।’তথ্যসূত্র:সময় সংবাদ
দৈনিক বরিশাল ২৪

আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ

শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ
১৬১৪

অনলাইন নিউজ: নীল আকাশে বিশালাকার গম্বুজ আর আকাশছোঁয়া মিনার। এ যেন সাদা আর সোনালি রঙের এক অপূর্ব মিতালী। বলছিলাম বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের কথা। এখানে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আরব বিশ্বের কোনো এক রাজকীয় স্থাপনা।

২০০৩ সালে কাজ শুরু হওয়া এই মসজিদের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র মক্কা, মদিনা, কারবালা এবং ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন পুণ্যভূমির মাটি।

২১টি গম্বুজ আর ১৯৩ ফুট উচ্চতার মিনার, আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধন এই বায়তুল আমান জামে মসজিদে। এর ভেতরে রয়েছে শৈল্পিক ছোঁয়া। দামি পাথর আর কারুকাজে খচিত দেয়ালগুলো জানান দেয় আভিজাত্যর কথা। মসজিদটিতে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন প্রায় দেড় হাজার মুসল্লি।
 
শুধু ধর্মপ্র‍াণ মানুষই নন, স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন শত শত মাইলের পথ পাড়ি দিয়ে এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা।
 
ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে আসা রফিকুল নামের দর্শনার্থী বলেন, ‘এই মসজিদের নাম অনেক আগ থেকেই শুনেছি। তবে কাছে থেকে প্রথমবার দেখে ভালো লাগছে। মনে হয়েছে আরব বিশ্বের কোনো এক শহরে রয়েছি।’
 
আরেক দর্শনার্থী ইসমাইল বলেন, ‘ছবিতে দেখে মসজিদটি দেখতে এসেছি। সামনাসামনি এটি দেখতে ছবির চেয়েও সুন্দর।’
 
মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘মসজিদটি নির্মানের আগে প্রকৌশলীকে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করানো হয়েছে। কারণ এই মসজিদটির ডিজাইন অন্য কোনো মসজিদের সাথে না মিলে। মসজিদটিতে ২১টি গম্বুজ রয়েছে।’
 
তিনি বলেন, ‘শুধু মসজিদ নয়। এই কমপ্লেক্সে রয়েছে এতিমখানা ও মাদ্রাসা। যার ব্যায়ভার সম্পূর্ণ বহন করছে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা।’
 
২০০৩ সালে মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হলেও শেষ হয় ২০০৬ সালে। উপজেলার গুঠিয়া গ্রামে ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এই কমপ্লেক্সে মসজিদের পাশাপাশি রয়েছে এতিমখানা ও বিশাল জলাধার। রাতের আলোকসজ্জায় এর রূপ পাল্টে যায় বহুগুণ।
 
বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, ‘গুঠিয়া মসজিদ, দূর্গাসাগর ও বানারীপাড়ার শের-ই বাংলা একে ফজলুল হকের বাড়িকে ঘিরে পর্যটক বান্ধব করতে নানা পরিকল্পনা রয়েছে।’তথ্যসূত্র:সময় সংবাদ
প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  বহু কাজ এখনও বাকি, কীভাবে চালু হবে শিশু হাসপাতাল   ফিফা প্রীতি ম্যাচে সান ম্যারিনোকে হারিয়ে বাংলাদেশের জয়   ‘মানুষকে সহযোগিতার ব্যাপারে আমি এত দলাদলি পছন্দ করিনা’   পদোন্নতি পেয়ে বারিশালের যুবদল নেতা তছলিম উদ্দিন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত   বিএম স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মীর জাহিদুল কবির   বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন   বরিশালে শতবর্ষী পদ্মপুকুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেনা দর্শনার্থীরা   শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রামে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়   বাবুগঞ্জে দরিদ্র পরিবারের পাশে চাঁদপাশা সমিতির সদস্যরা   দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী   বহুল আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ ফেরত যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের খামারে   তীব্র গরমে জনজীবনে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এলো বৃষ্টি, অব্যাহত থাকতে পারে ঈদের দিনে   ‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’   পটুয়াখালীর শ্রেষ্ঠ পারফর্মার ডিবি অফিসার নির্বাচিত মেহেদী হাসান   বিদিশা এরশাদের দুই বছরের কারাদণ্ড   সিরিজ জয় বাংলাদেশের   ডে কেয়ার-শিশু শিক্ষায় ‘শ্রমিক সন্তুষ্টি’ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ   ভূমিসেবা পেতে জনগণকে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী   এক মাসে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা, সবজি–মাছ–মাংসও চড়া