প্রকৃত জনসংখ্যার চেয়ে জন্ম নিবন্ধন প্রায় এক কোটি বেশি
অনলাইন নিউজঃ বাংলাদেশের প্রকৃত জনসংখ্যার চেয়ে জন্ম নিবন্ধনের সংখ্যা ৯৯ লাখ ছয় হাজার বেশি! এটা কিভাবে সম্ভব। এক বা দুই লাখ নয়, প্রায় এক কোটি বেশি। জন্ম নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এখন পর্যন্ত ১৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষের জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে। অথচ আদমশুমারির চলতি বছরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য বলছে, দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ২০ লাখ ৯৪ হাজার। তাহলে বাড়তি নিবন্ধনকারীরা কারা? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জন্ম নিবন্ধন নির্ভুলভাবে করা হচ্ছে না। এক ব্যক্তির একাধিক নিবন্ধন, জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন না হওয়া, তথ্য যাচাইয়ে দুর্বলতা, মৃত ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন বাতিল করে তালিকা সংশোধন না করায় এমন অস্বাভাবিক হিসাব দেখা দিয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন জহিরুল ইসলাম। [inside-ad-1]
প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, জন্ম নিবন্ধন হালনাগাদ করার পেছনে গত তিন দশকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি ছাড়াও বেশ কিছু দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় দেশের সরকারগুলো জন্ম নিবন্ধনকে অন্যতম দরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কারণ কমপক্ষে ১৬টি অত্যাবশ্যক পরিষেবা পেতে জন্ম নিবন্ধন সর্বপ্রথম প্রয়োজন। অথচ হিসাব
দেখা যায়, রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের অনলাইনে কাজ করার জন্য অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের কাজ শেষ হয়নি। নিবন্ধনের আবেদন, মৃত্যু নিবন্ধনের আবেদন করতে গেলে সহজে করা যাচ্ছে না। ফেসবুক পেজটিরও গত বছর ৭ অক্টোবরের পর কোনো আপডেট নেই। আইন অনুযায়ী শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। মোট জন্ম নিবন্ধনের তুলনায় জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের হার খুবই কম।
ডিসি অফিসে যাওয়ার পর সেখান থেকে জানানো হয়, সিটি করপোরেশন অফিস থেকে ফরোয়ার্ডিংসহ ফরম জমা দিতে হবে। পরের দিন তিনি আবার সিটি করপোরেশন অফিসে যান। বিষয়টি বললে ফাইলটি রেখে দিয়ে তিন দিন পরে যেতে বলেন। তিন দিন পর ফরোয়ার্ডিং নিয়ে ডিসি অফিসে গিয়ে জমা দেওয়ার পর ডিসি অফিস থেকে জানানো হয়, ১০ থেকে ১৫ দিন পর তাঁকে ফোনে বিষয়টি জানানো হবে। কারেকশন হওয়ার পর তাঁকে সিটি করপোরেশনের অফিস থেকে জন্ম নিবন্ধনের প্রিন্ট কপি নিতে হবে। ১২ দিন চলে গেলেও এখনো তাঁকে ডিসি অফিস থেকে ফোন করা হয়নি। আবদুস সালাম বলেন, ‘এত ভোগান্তি সহ্য করে কারো জন্ম নিবন্ধন সংশোধন না করতে চাওয়াটাই স্বাভাবিক। ছেলের নাম সংশোধনের চেয়ে বাড়তি খরচ করে নতুন বানিয়ে নিলেই হতো।’সূত্রঃ দৈনিক শিক্ষা ডটকম।












