বরিশালে এক সপ্তাহে ৩৩৬ জেলের কারাদণ্ড
সোহেল আহমেদ: ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমের সঙ্গে সমন্বয় করে এবার ১৪ অক্টোবর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ধরা, বেচাকেনা, পরিবহন, বিপণন ও বাজারজাতকরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মৎস্য বিভাগ। নিষেধাজ্ঞা শুরুর সময় থেকে বরিশাল বিভাগের সর্বোত্র চলছে মৎস বিভাগের নেতৃত্বে অভিযান। যে অভিযানে জেলা-উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, কোষ্টগার্ড, নৌ-বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী সহায়তা করছে।
মৎস অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানাগেছ, গত ১৪ অক্টোবর থেকে বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় মোট ধারাবাহিকভাবে ৭৭০ টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পাশাপাশি ৩৫০ টি মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং মোট অভিযানের অনুকুলে ৩৬৭ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযানে আটককৃতদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত ৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৩৩৬ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২৮ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ৩ দশমিক ৫ মেট্রিকটন ইলিশ উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা (হিলসা) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশের উপর নির্ভরশীল জেলেদের এসময় ২০ কেজি করে চাল খাদ্য সহায়তা হিসেবে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রচার প্রচারণা ও টানা অভিযান চালানো হয়েছে। আর বিভিন্ন অভিযানে বরিশালে যারা ধরা পড়ছে, তাদের মধ্যে অধিকাংশই মৌসুমী জেলে।
আর মৎস্য অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মোঃ আব্দুল মান্নান আকন বলেন, এখন পর্যন্ত অভিযানের ফলাফলে যে টুকু বোঝা যাচ্ছে, তাতে বিগত সময়ের থেকে নদী ও সাগর নিষেধাজ্ঞার সময় প্রশাসনের সর্বোস্তরেরর নজরদারী বেড়েছে।
যারকারণ বিগত সময়ের থেকে অভিযান, মৎস শিকারীদের আটক, জাল উদ্ধারের পরিমান বেড়েছে। উলেখ্য বরিশাল জেলায় ৪৭ হাজার জেলেকে এবং বিভাগে ২ লাখ ৮২ হাজার ৫ শন জেলেকে নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে ২০ কেজি করে চাল সহায়তা দেয়ার কথা।
সম্পাদনায়:শামীম আহমেদ।












