সুশান্তের জীবনে কে এই বাঙালি নারী? - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪সুশান্তের জীবনে কে এই বাঙালি নারী? - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ জুন ১৬, ২০২০ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

সুশান্তের জীবনে কে এই বাঙালি নারী?

১৪

রিয়া চক্রবর্তী। বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠা বাঙালি মেয়ে। সুশান্তের জীবনে যিনি এসেছিলেন শেষ বসন্ত হয়ে। সুশান্তের মৃত্যুর পর আজ তিনি কোথায়? মিডিয়াকে এড়িয়ে চলেছেন। ফোন বন্ধ। অথচ তাঁর ইনস্টাগ্রাম বলছে, সকালেও স্যাসি ভিডিও পোস্ট করেছেন প্রোফাইলে। কালকেও পিৎজা বানিয়েছেন মায়ের সঙ্গে। প্রেমিকের জীবনে যে ঝড় উঠেছিল তা কি এক বারের জন্যও টের পাননি রিয়া? নাকি সম্পর্কটাই আর ছিল না দু’জনের মধ্যে?

কে এই রিয়া চক্রবর্তী? কী তাঁর পরিচয়? কেন সুশান্তের মৃত্যুতে বারে বারে উঠে আসছে বছর ২৭-এর এই মেয়ের নাম? এসম্ব নিয়ে এক বৃহৎ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায়।

প্রতিবেদনে প্রকাশ, পেশায় অভিনেত্রী রিয়ার বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সৈনিক পরিবারে মানুষ। তাই রিয়ার ছোটবেলা কেটেছে ভারতের নানা প্রান্তে। পড়াশোনা করেছেন হরিয়ানার আম্বালার আর্মি পাবলিক স্কুলে। অভিনয়ে আসার ইচ্ছা ছিল ছোট থেকেই। ২০০৯-এ এমটিভি আয়োজিত এক রিয়্যালিটি শো-তে বিজয়ী হয়েই বিনোদন জগতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। এর পর তেলুগু ছবি দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু।

বলি ব্রেক মেলে ২০১৩-তে। ছবির নাম ‘মেরে ড্যাড কি মারুতি’। ধীরে ধীরে ‘সোনালি কেবল’, ‘দোবারা’ সমেত বেশ কিছু হিন্দি ছবিতে অভিনয় করতে শুরু করেন রিয়া। এই সময়েই মহেশ ভট্টর সঙ্গে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন ছড়ায় বাজারে

অসমবয়সী এই প্রেম নিয়ে কম কথা হয়নি বলিপাড়ায়। রিয়া বলেছিলেন, ‘‘উনি আমার শিক্ষক। ওঁকে আমি শ্রদ্ধা করি।’’

দু’জনে সে ভাবে একসঙ্গে কাজ না করলেও সুশান্তের সঙ্গে রিয়ার পরিচয় কী করে হল? কী ভাবেই বা সেই পরিচয় পরিণতি পেল প্রেমে? বলিউড তা জানে না। দু’জনের কেউই আগে বিনোদন জগতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। উঠে এসেছিলেন সাধারণ পরিবার থেকে। এমনও হতে পারে, তাই হয়তো অন্য কোনও সমীকরণ কাজ করেছিল দু’জনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশ, ‘কেদারনাথ’ মুক্তির পর যখন সারা আর সুশান্তের প্রেম নিয়ে খুব গুঞ্জন বাজারে ঠিক সেই সময়েই সবাইকে অবাক করে গত বছরের জুনে রিয়ার সঙ্গে লাদাখ ঘুরতে যান সুশান্ত। যদিও লাদাখ থেকে একসঙ্গে ছবি তাঁরা দেননি। প্রথমে ফ্যানেরা অতটা ঠাওর করতে না পারলেও দু’জনের একসঙ্গে লাদাখ যাওয়াটা যে নেহাতই কাকতালীয় নয়, তা বুঝতে বাকি ছিল না কারও।

তার ঠিক কয়েক মাস পর, অক্টোবরের মাঝামাঝি চুপিচুপি প্যারিস পাড়ি দিয়েছিলেন রিয়া-সুশান্ত। সেলেব মানুষ। খবর চাউর হতে বেশি সময় লাগেনি। তার পরেই জোর গুঞ্জন। ও দিকে রিয়ার সঙ্গে আবার মহেশ ভট্টর নাকি সম্পর্ক রয়েছে, বলাবলি করতে শুরু করেন অনেকেই। সে যা-ই হোক, হ্যাঁ-না কিছুই বলেননি সুশান্ত-রিয়া। কথাতেই তো আছে, নীরবতা সম্মতির লক্ষণ। এর পরে কখনও রেস্তরাঁ, আবার কখনও বা জিমে… একসঙ্গে দু’জনেই ধরা পড়তে লাগলেন পাপারাৎজির লেন্সে। মুখে ‘উই আর জাস্ট ফ্রেন্ডস’ বলে কাটিয়ে দিলেও সুশান্ত-রিয়ার প্রেম নিয়ে তখন তোলপাড় বলিউড।

ওদের লাভ স্টোরি যেন মান্যতা পায় গত ২১ জানুয়ারি। সুশান্তের ৩৪ বছরের জন্মদিনে। তামাম দুনিয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রায় খোলাখুলি সুশান্তের সঙ্গে প্রেমকে প্রকাশ্যে আনেন রিয়া। ইনস্টাতে দু’জনের আদরের ছবি পোস্ট করে রিয়া লেখেন, ‘মাই ক্রেজি ডায়মন্ড’। অতঃপর সম্পর্কে শিলমোহর। যদিও রিয়া বলেছিলেন, ‘‘ধুস, আমরা তো বন্ধুই। খুব ভাল বন্ধু।’’

এরই মাঝে খবর আসে, সম্পর্কে নাকি চিড় ধরেছে ওঁদের। একসঙ্গে আর নেই তাঁরা। শোনা যাচ্ছিল, সুশান্তের পর পর কয়েকটা ফ্লপ নাকি এর পিছনে দায়ী।

তবে সে সমস্তকে মিথ্যে প্রমাণ করে ১১ মার্চ মুম্বইয়ের এক জিমের সামনে দু’জনে একসঙ্গে ধরা দেন ক্যামেরার লেন্সে। জনসমক্ষে রিয়া আর সুশান্তকে ওই শেষ বারই দেখা গিয়েছিল।

এর পর শুরু হয়ে যায় লকডাউন। ঘরবন্দি হয়ে পড়েন তারকারাও। সুশান্ত আর রিয়ার প্রেমেও কি অশনি সঙ্কেত হয়ে দাঁড়ায় এই লকডাউন?

বান্দ্রার ফ্ল্যাটে একা থাকতেন সুশান্ত। মা মারা গিয়েছেন কয়েক বছর আগে। বাবা রয়েছেন দেশের বাড়িতে। দিন দিন যে হতাশার অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিলেন তার বিন্দুমাত্র আঁচও কেন পেতে দেননি রিয়াকে?

কী বা হল ১১ মার্চের পর? কথা বলাও কি বন্ধ করে দিয়েছিলেন ওঁরা দু’জন? উঠে আসছে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন? মহিলা ম্যানেজারের আত্মহত্যার চার দিন পর সুশান্তের মৃত্যু, ‘বয়ফ্রেন্ড’-এর মৃত্যুর পরেও রিয়ার হাসিখুশি ইনস্টা পোস্ট কোন রহস্যের ইঙ্গিত?

ধরে নেওয়া যাক, বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল তাঁদের। যদি তাই হয়, কারণ কী? আর সে কারণেই এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন সুশান্ত? প্রশ্ন অনেক। উত্তর জানা নেই। চারি দিকে জট পাকিয়ে যাওয়া এক থমথমে রহস্য।

মাত্র ৩৪ বছরেই জীবন থেমে গেল সুশান্তের। তাঁর জীবনের শেষ ভালবাসা হয়ে রয়ে গেলেন বাঙালি মেয়ে রিয়া চক্রবর্তী!

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

দৈনিক বরিশাল ২৪

সুশান্তের জীবনে কে এই বাঙালি নারী?

মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২০ ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
১৪

রিয়া চক্রবর্তী। বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠা বাঙালি মেয়ে। সুশান্তের জীবনে যিনি এসেছিলেন শেষ বসন্ত হয়ে। সুশান্তের মৃত্যুর পর আজ তিনি কোথায়? মিডিয়াকে এড়িয়ে চলেছেন। ফোন বন্ধ। অথচ তাঁর ইনস্টাগ্রাম বলছে, সকালেও স্যাসি ভিডিও পোস্ট করেছেন প্রোফাইলে। কালকেও পিৎজা বানিয়েছেন মায়ের সঙ্গে। প্রেমিকের জীবনে যে ঝড় উঠেছিল তা কি এক বারের জন্যও টের পাননি রিয়া? নাকি সম্পর্কটাই আর ছিল না দু’জনের মধ্যে?

কে এই রিয়া চক্রবর্তী? কী তাঁর পরিচয়? কেন সুশান্তের মৃত্যুতে বারে বারে উঠে আসছে বছর ২৭-এর এই মেয়ের নাম? এসম্ব নিয়ে এক বৃহৎ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায়।

প্রতিবেদনে প্রকাশ, পেশায় অভিনেত্রী রিয়ার বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সৈনিক পরিবারে মানুষ। তাই রিয়ার ছোটবেলা কেটেছে ভারতের নানা প্রান্তে। পড়াশোনা করেছেন হরিয়ানার আম্বালার আর্মি পাবলিক স্কুলে। অভিনয়ে আসার ইচ্ছা ছিল ছোট থেকেই। ২০০৯-এ এমটিভি আয়োজিত এক রিয়্যালিটি শো-তে বিজয়ী হয়েই বিনোদন জগতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। এর পর তেলুগু ছবি দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু।

বলি ব্রেক মেলে ২০১৩-তে। ছবির নাম ‘মেরে ড্যাড কি মারুতি’। ধীরে ধীরে ‘সোনালি কেবল’, ‘দোবারা’ সমেত বেশ কিছু হিন্দি ছবিতে অভিনয় করতে শুরু করেন রিয়া। এই সময়েই মহেশ ভট্টর সঙ্গে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন ছড়ায় বাজারে

অসমবয়সী এই প্রেম নিয়ে কম কথা হয়নি বলিপাড়ায়। রিয়া বলেছিলেন, ‘‘উনি আমার শিক্ষক। ওঁকে আমি শ্রদ্ধা করি।’’

দু’জনে সে ভাবে একসঙ্গে কাজ না করলেও সুশান্তের সঙ্গে রিয়ার পরিচয় কী করে হল? কী ভাবেই বা সেই পরিচয় পরিণতি পেল প্রেমে? বলিউড তা জানে না। দু’জনের কেউই আগে বিনোদন জগতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। উঠে এসেছিলেন সাধারণ পরিবার থেকে। এমনও হতে পারে, তাই হয়তো অন্য কোনও সমীকরণ কাজ করেছিল দু’জনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশ, ‘কেদারনাথ’ মুক্তির পর যখন সারা আর সুশান্তের প্রেম নিয়ে খুব গুঞ্জন বাজারে ঠিক সেই সময়েই সবাইকে অবাক করে গত বছরের জুনে রিয়ার সঙ্গে লাদাখ ঘুরতে যান সুশান্ত। যদিও লাদাখ থেকে একসঙ্গে ছবি তাঁরা দেননি। প্রথমে ফ্যানেরা অতটা ঠাওর করতে না পারলেও দু’জনের একসঙ্গে লাদাখ যাওয়াটা যে নেহাতই কাকতালীয় নয়, তা বুঝতে বাকি ছিল না কারও।

তার ঠিক কয়েক মাস পর, অক্টোবরের মাঝামাঝি চুপিচুপি প্যারিস পাড়ি দিয়েছিলেন রিয়া-সুশান্ত। সেলেব মানুষ। খবর চাউর হতে বেশি সময় লাগেনি। তার পরেই জোর গুঞ্জন। ও দিকে রিয়ার সঙ্গে আবার মহেশ ভট্টর নাকি সম্পর্ক রয়েছে, বলাবলি করতে শুরু করেন অনেকেই। সে যা-ই হোক, হ্যাঁ-না কিছুই বলেননি সুশান্ত-রিয়া। কথাতেই তো আছে, নীরবতা সম্মতির লক্ষণ। এর পরে কখনও রেস্তরাঁ, আবার কখনও বা জিমে… একসঙ্গে দু’জনেই ধরা পড়তে লাগলেন পাপারাৎজির লেন্সে। মুখে ‘উই আর জাস্ট ফ্রেন্ডস’ বলে কাটিয়ে দিলেও সুশান্ত-রিয়ার প্রেম নিয়ে তখন তোলপাড় বলিউড।

ওদের লাভ স্টোরি যেন মান্যতা পায় গত ২১ জানুয়ারি। সুশান্তের ৩৪ বছরের জন্মদিনে। তামাম দুনিয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রায় খোলাখুলি সুশান্তের সঙ্গে প্রেমকে প্রকাশ্যে আনেন রিয়া। ইনস্টাতে দু’জনের আদরের ছবি পোস্ট করে রিয়া লেখেন, ‘মাই ক্রেজি ডায়মন্ড’। অতঃপর সম্পর্কে শিলমোহর। যদিও রিয়া বলেছিলেন, ‘‘ধুস, আমরা তো বন্ধুই। খুব ভাল বন্ধু।’’

এরই মাঝে খবর আসে, সম্পর্কে নাকি চিড় ধরেছে ওঁদের। একসঙ্গে আর নেই তাঁরা। শোনা যাচ্ছিল, সুশান্তের পর পর কয়েকটা ফ্লপ নাকি এর পিছনে দায়ী।

তবে সে সমস্তকে মিথ্যে প্রমাণ করে ১১ মার্চ মুম্বইয়ের এক জিমের সামনে দু’জনে একসঙ্গে ধরা দেন ক্যামেরার লেন্সে। জনসমক্ষে রিয়া আর সুশান্তকে ওই শেষ বারই দেখা গিয়েছিল।

এর পর শুরু হয়ে যায় লকডাউন। ঘরবন্দি হয়ে পড়েন তারকারাও। সুশান্ত আর রিয়ার প্রেমেও কি অশনি সঙ্কেত হয়ে দাঁড়ায় এই লকডাউন?

বান্দ্রার ফ্ল্যাটে একা থাকতেন সুশান্ত। মা মারা গিয়েছেন কয়েক বছর আগে। বাবা রয়েছেন দেশের বাড়িতে। দিন দিন যে হতাশার অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিলেন তার বিন্দুমাত্র আঁচও কেন পেতে দেননি রিয়াকে?

কী বা হল ১১ মার্চের পর? কথা বলাও কি বন্ধ করে দিয়েছিলেন ওঁরা দু’জন? উঠে আসছে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন? মহিলা ম্যানেজারের আত্মহত্যার চার দিন পর সুশান্তের মৃত্যু, ‘বয়ফ্রেন্ড’-এর মৃত্যুর পরেও রিয়ার হাসিখুশি ইনস্টা পোস্ট কোন রহস্যের ইঙ্গিত?

ধরে নেওয়া যাক, বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল তাঁদের। যদি তাই হয়, কারণ কী? আর সে কারণেই এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন সুশান্ত? প্রশ্ন অনেক। উত্তর জানা নেই। চারি দিকে জট পাকিয়ে যাওয়া এক থমথমে রহস্য।

মাত্র ৩৪ বছরেই জীবন থেমে গেল সুশান্তের। তাঁর জীবনের শেষ ভালবাসা হয়ে রয়ে গেলেন বাঙালি মেয়ে রিয়া চক্রবর্তী!

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  আধুনিক সাংবাদিকতার কারিগর কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ   মানুষ অনেক আশা নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে: প্রধানমন্ত্রী   জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   জানা গেল ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ   চট্টগ্রাম মেডিকেলে বার্ন ইউনিটে ২০ জন ট্রেইন্ড ডাক্তার রয়েছে কিন্তু তারা সার্ভিস দিচ্ছে না: সাইদ আল নোমান   বৃত্তি পেয়েছে লাখুটিয়ার আহমাদ তাজওয়ার, ভালো মানুষ হওয়ার প্রত্যাশা শিক্ষক বাবার   চট্টগ্রামে বন্দর পতেঙ্গা সাংবাদিক সোসাইটি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত   বরিশাল জিলা স্কুলে অভাবনীয় সাফল্য, ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জন বৃত্তি পেয়েছে   প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত, শিক্ষামন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন অধ্যক্ষ তাহমিনা আকতার   চট্টগ্রামে ভূমিকম্প অনুভূত   প্রাথমিকের গত বছরের বৃত্তি পরীক্ষা এবছর: শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন   বাবার চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন, সাথে রেখে শেখাতেন মরহুম সাংবাদিক মীর মনিরুজ্জামান: শাহিন সুমন   নিজের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের   যেভাবে হারিয়ে গেলেন সাংবাদিক মীর মনিরুজ্জামান   মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ   আধুনিক স্থাপত্য আর ইসলামী ক্যালিগ্রাফির মেলবন্ধনে বরিশালের বায়তুল আমান জামে মসজিদ   সাধারণ মানুষের ওপর হামলার অভিযোগে, এমপি নিজানের নির্দেশে ৩ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা   নির্বাচনে অংশ নেয়া এমপি প্রার্থীদের সাথে জাপার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত   শপথগ্রহণ করেই বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতে নতুন প্রধানমন্ত্রী   বিশ্ব সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে