টেলিভিশনে মায়ের বিয়ের খবর দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশু তুবা - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪টেলিভিশনে মায়ের বিয়ের খবর দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশু তুবা - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১ ১১:২০ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

টেলিভিশনে মায়ের বিয়ের খবর দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশু তুবা

আকতার ফারুক শাহীন, অতিথি প্রতিবেদকঃ
টেলিভিশনে মা তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ের খবর দেখে শিশুকন্যা রাফিয়া হাসান তুবা। মায়ের বিয়ে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। সেদিন খুব কষ্ট পায় ৮ বছরের তুবা।

বুধবার ঢাকায় ক্রিকেটার নাসির হোসেনের নববিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি সংবাদ সম্মেলনে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে রাকিবের ঘরে জন্ম নেয়া তাম্মির শিশুকন্যা ৮ বছরের রাফিয়া হাসান তুবাকে জোর করে তাম্মির বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

তবে সেই অভিযোগ সত্য নয় বলে জানিয়েছে শিশু তুবা। বাসায় তাম্মির মা তাকে মারধর করতো বলে অভিযোগ তুবার। রেকর্ডকৃত বক্তব্যে তুবা জানায়, তার বাবা রাকিবকে দেখতে পারত না তাম্মির মা। তাকেও কারণে-অকারণে চড়-থাপ্পড় দিত। বাসায় সারাক্ষণ ধমকের ওপর রাখত তাকে নানি। একটু এদিক-সেদিক হলেই রাগারাগি আর গালাগালি করত। এ কারণে সে নিজের ইচ্ছায় বাবার সাথে দাদির কাছে চলে আসে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তুবা বলে- মা এখন আর আমায় ফোন দেয় না। আমার সাথে কথাও বলে না। মা অনেক পচা হয়ে গেছে। সে আরেকজনকে বিয়ে করেছে। আপনারা আমার মাকে এনে দিন। আমি মা আর বাবাকে নিয়ে সবাই একসঙ্গে থাকব।

রাকিবের মা সালমা সুলতানা যুগান্তরকে বলেন, ১০-১২ বছর আগে রাকিবের সঙ্গে বিয়ে হয় তাম্মির। প্রেম করে বিয়ে করায় প্রথমে আমরা মেনে নেইনি। পরে তুবার জন্ম হলে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। শুরু থেকেই তাম্মির আচরণ কিংবা স্বভাব কোনোটাই ভালো ছিল না। তবুও আমরা ছেলে আর নাতির মুখ চেয়ে কখনো কিছু বলিনি।

তিনি বলেন, রাকিবের বউ থাকা অবস্থায় তাম্মি যে আবার বিয়ে বসবে সেটা আমাদের কল্পনাতেও ছিল না। তুবাই প্রথম টেলিভিশনে দেখে আমার কাছে এসে গলা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে আর বলে যে মা আবার বিয়ে করেছে।

তুবার দাদি বলেন, গত ২৬ আগস্ট ছিল তুবার জন্মদিন। সেদিন আমরা কেক কেটেছি, তুবা অনুষ্ঠানে নাচ করেছে। ভিডিও কলে তাম্মিকে সব দেখিয়েছি আমরা। সেও আনন্দ পাওয়ার অনেক ভান করেছে সেদিন। কিন্তু তখনও ঘূণাক্ষরেও বুঝতে পারিনি যে সে এরকম একটা কিছু করবে। তাম্মি নিজে থেকে ফোন করে কখনই তুবার কোনো খোঁজখবর নিত না। তুবা মাকে ফোন করে কথা বলতে চাইলেও নানা ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে লাইন কেটে দিত তাম্মি।

তিনি বলেন, মায়ের বিয়ের খবর টিভিতে দেখে মেয়েটা যে কত কষ্ট পেয়েছে তা বলে বোঝাতে পারব না। সারাদিন মনমরা হয়ে বসে থাকে। কারও সঙ্গে তেমন একটা কথাও বলে না। বাড়ির একটি মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে তুবা। বন্ধুদের সঙ্গেও সে এখন আর খেলতে যায় না। সুত্রঃ যুগান্তর।

দৈনিক বরিশাল ২৪

টেলিভিশনে মায়ের বিয়ের খবর দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে শিশু তুবা

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১ ১১:২০ অপরাহ্ণ

আকতার ফারুক শাহীন, অতিথি প্রতিবেদকঃ
টেলিভিশনে মা তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ের খবর দেখে শিশুকন্যা রাফিয়া হাসান তুবা। মায়ের বিয়ে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। সেদিন খুব কষ্ট পায় ৮ বছরের তুবা।

বুধবার ঢাকায় ক্রিকেটার নাসির হোসেনের নববিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি সংবাদ সম্মেলনে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে রাকিবের ঘরে জন্ম নেয়া তাম্মির শিশুকন্যা ৮ বছরের রাফিয়া হাসান তুবাকে জোর করে তাম্মির বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

তবে সেই অভিযোগ সত্য নয় বলে জানিয়েছে শিশু তুবা। বাসায় তাম্মির মা তাকে মারধর করতো বলে অভিযোগ তুবার। রেকর্ডকৃত বক্তব্যে তুবা জানায়, তার বাবা রাকিবকে দেখতে পারত না তাম্মির মা। তাকেও কারণে-অকারণে চড়-থাপ্পড় দিত। বাসায় সারাক্ষণ ধমকের ওপর রাখত তাকে নানি। একটু এদিক-সেদিক হলেই রাগারাগি আর গালাগালি করত। এ কারণে সে নিজের ইচ্ছায় বাবার সাথে দাদির কাছে চলে আসে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তুবা বলে- মা এখন আর আমায় ফোন দেয় না। আমার সাথে কথাও বলে না। মা অনেক পচা হয়ে গেছে। সে আরেকজনকে বিয়ে করেছে। আপনারা আমার মাকে এনে দিন। আমি মা আর বাবাকে নিয়ে সবাই একসঙ্গে থাকব।

রাকিবের মা সালমা সুলতানা যুগান্তরকে বলেন, ১০-১২ বছর আগে রাকিবের সঙ্গে বিয়ে হয় তাম্মির। প্রেম করে বিয়ে করায় প্রথমে আমরা মেনে নেইনি। পরে তুবার জন্ম হলে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। শুরু থেকেই তাম্মির আচরণ কিংবা স্বভাব কোনোটাই ভালো ছিল না। তবুও আমরা ছেলে আর নাতির মুখ চেয়ে কখনো কিছু বলিনি।

তিনি বলেন, রাকিবের বউ থাকা অবস্থায় তাম্মি যে আবার বিয়ে বসবে সেটা আমাদের কল্পনাতেও ছিল না। তুবাই প্রথম টেলিভিশনে দেখে আমার কাছে এসে গলা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে আর বলে যে মা আবার বিয়ে করেছে।

তুবার দাদি বলেন, গত ২৬ আগস্ট ছিল তুবার জন্মদিন। সেদিন আমরা কেক কেটেছি, তুবা অনুষ্ঠানে নাচ করেছে। ভিডিও কলে তাম্মিকে সব দেখিয়েছি আমরা। সেও আনন্দ পাওয়ার অনেক ভান করেছে সেদিন। কিন্তু তখনও ঘূণাক্ষরেও বুঝতে পারিনি যে সে এরকম একটা কিছু করবে। তাম্মি নিজে থেকে ফোন করে কখনই তুবার কোনো খোঁজখবর নিত না। তুবা মাকে ফোন করে কথা বলতে চাইলেও নানা ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে লাইন কেটে দিত তাম্মি।

তিনি বলেন, মায়ের বিয়ের খবর টিভিতে দেখে মেয়েটা যে কত কষ্ট পেয়েছে তা বলে বোঝাতে পারব না। সারাদিন মনমরা হয়ে বসে থাকে। কারও সঙ্গে তেমন একটা কথাও বলে না। বাড়ির একটি মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে তুবা। বন্ধুদের সঙ্গেও সে এখন আর খেলতে যায় না। সুত্রঃ যুগান্তর।

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  করোনায় আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া   আধুনিক বরিশাল গড়ার কারিগর শওকত হোসেন হিরোন’র কথা   চরফ্যাশনে জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত তরমুজ চাষি   ভোলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ফেরি কলমীলতায় আগুন, পুড়ে গেছে মালবাহী ৮ টি ট্টাক   ঝড়ে আগুন উড়ে গেছে টিন, ঝরে পড়েছে আম   করোনায় আরো ৫৩ জনের মৃত্যু   এমপি আসলামুল হক আর নেই   নায়িকার নখের আঁচড়ে আহত শাকিব খান   ‘একাত্তরের বীরশ্রেষ্ঠরা বাংলাদেশের চিরকালের নায়ক’   ‘আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও বেওয়ারিশ হাসপাতাল বানিয়ে দিন’   ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাবলম্বী হতে চায় তানিয়া, সহযোগিতা করলেন ডিসি জসীম উদ্দিন   এসএসসি’র সেন্টার প্রাপ্তির দাবী নিয়ে বাবুগঞ্জের সাধারণ মানুষ শিক্ষা বোর্ডের দুয়ারে   ‘আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও একটা বেওয়ারিশ হাসপাতাল বানিয়ে দিন’   ‘কাজ না থাকলেও বোর্ডে যাই, আড্ডা-টাড্ডা মারি’   বরিশালে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বঙ্গবন্ধুর মানব লোগো’র প্রদর্শন   করোনা প্রতিরোধে কুষ্টিয়ায় এসপি খাইরুল আলমের নেতৃত্বে মাস্ক বিতরণ   বরিশালে করোনা প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট; ৫৫০০টাকা জরিমানা   চলে গেলেন ভাষা সৈনিক ইউসুফ কালু   শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের শ্রদ্ধা নিবেদন   আসুন, সব ভেদাভেদ ভুলে সোনার বাংলা গড়ি: প্রধানমন্ত্রী