গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
মো: জিয়াউদ্দিন বাবু, বিশেষ প্রতিবেদক, বরিশাল: গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচানা সভা ও জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পেরিয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনা স্মরণ করা হয়। আমরা চাই, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও চেতনা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে জাগ্রত থাকবে। কারণ, হাজার মানুষের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও প্রত্যাশার মধ্যদিয়ে অর্জিত এই চেতনাকে কোনো অপশক্তি যেন ভুল পথে পরিচালিত করতে না পারে। সে জন্য আমাদের সবাইকে সচেতন, ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারকে দীর্ঘদিন একটি গোষ্ঠী ও একটি পরিবার কুক্ষিগত করে রাখতে চেয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিলো। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু এ দেশের তরুণ প্রজন্ম, ছাত্রসমাজ, কৃষক, শ্রমিক, পেশাজীবী এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ সেই পরিস্থিতি মেনে নেয়নি। দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শামিল হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন শাসকগোষ্ঠী নানা ধরনের লোভ-লালসা, পদ-পদবির প্রলোভন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মানুষকে বিভক্ত করার চেষ্টা করেছিল। অনেককে বলা হয়েছিল, ‘আমাদের সঙ্গে আসুন, আপনাকে মন্ত্রী বানানো হবে।’ কিন্তু দেশের সচেতন মানুষ সেই প্রলোভনে পা দেয়নি। তারা ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখেছে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটল থেকেছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে, এটি কেবল কয়েকজন সাহসী তরুণের আন্দোলন ছিল না। এটি ছিল সমগ্র।












