নলছিটিতে সেতুর অভাবে দুই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি: ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠি ও ভরতকাঠি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে খাল। খালটি গ্রাম দুটির সীমানা চিহ্ন বহন করছে। ৬০ ফুট চওড়া এ খালের ওপর নির্মিত একমাত্র সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন পার হতে হয় গ্রামবাসীদের। দুই গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম এই সাঁকো।
খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোর অনেকটাই তলিয়ে যায়। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পেরিয়ে প্রতিদিন স্কুল যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। নারী ও বৃদ্ধদের আতঙ্ক নিয়ে এ সাঁকো পার হতে হয়। বিশেষ করে রোগীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি আতঙ্কের। সাঁকো পার হয়ে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার সময় দুর্ভোগের সীমা থাকে না তাদের।
জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আকবর আলী ও ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আনছার উদ্দিন জানান, বিগত দিনে অনেক সরকার ক্ষমতায় এলেও আজ পর্যন্ত আমাদের দুই গ্রামের সংযোগ ও যাতায়াতের জন্য একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি। এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু নির্বাচন এলেই খালটির ওপর কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা হাজির হয় গ্রাম দুটির ভোটারদের কাছে। সেই প্রতিশ্রুতি আজ পর্যন্ত পূরণ হয়নি।
এ বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা জানান, এই খালের ওপর একটি ব্রীজ বা কালভার্ট জরুরি। কারণ, দুটি গ্রামের জনসাধারণের চলাচল ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই খাল। এ সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যদিও এ কারণে ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকারের টেকসই প্রকল্পে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে এখানে ব্রীজ বা কালভার্ট নির্মাণ হতে পারে।












