আমার সেরা ছবির সম্মাননা দিয়েছিলেন সাবেক ডিসি সাইফুজ্জামান স্যার
সোহেল আহমেদ: পকেটের টাকা খরচ করে মাইলের মাইল বরিশাল সহ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে হেটে হেটে ঘুরে বেড়াতাম একটা ভালো ছবির জন্য। আমরা যারা বরিশালের পেশাদার ফটো সাংবাদিক তাঁরা এভাবেই পরিশ্রম করে থাকি। বছর জুড়ে তোলা এসব ছবি থেকে বরিশালের সাবেক জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান স্যার আমি সহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে সেরা ছবির সম্মাননা প্রদান করেছিলেন। সাংবাদিকতা জীবনের এটা গর্বের। কিন্তু আজকাল নিজেকে ফটো সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে বিবেচনা করতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক বরিশাল ২৪ ডটকম অনলাইন নিউজ এর সম্পাদক ও বরিশালের প্রখ্যাত সাংবাদিক শামীম আহমেদ।
আজ ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্টাটাসে তিনি লেখেন,দিন যায়,মাস যায় সেই সাথে বছরের পর বছর চলে যায়।
এক সময় আমরা বরিশালে আমি শামীম আহমেদ,আলী জসিম,মিজানুর রহমান ও কাজী মিরাজ বরিশাল সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিজের পকেটের টাকা খরচ করে যাতায়াত সহ বিভিন্ন আশার ফ্লিম কিনে পত্রিকায় প্রকাশ সহ বিভিন্ন আঙ্গিকের ছবি তুলে সংগ্রহ করে রাখতাম।
কখনো আমরা নিজেরা ছবির প্রতিযোগীতা করি নাই। এমনকি কারো কাছ থেকে ছবির বিনিময় ফায়দা লুঠে নেই নাই। হঠাৎ একদিন দিপু হাফিজুর রহমান ও বরিশালের তৎকালীন জেলা প্রশাসক গাজী সাইফুজ্জামান স্যার তারা বেশ কিছু ছবি তারা নিজেরাই সংগ্রহ করে একদিন বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটি (পুরাতন) পাবলিক লাইব্রেরী ভবনে আজ থেকে প্রায় ৭ বছর পূর্বে ২৬ই মার্চ মহান স্বাধিনতা দিবস অনুষ্ঠানের বিকালে আমাকে ও বরিশালের প্রফেশনার ষ্টুডিও ও ফ্রিল্যান্স ফটো গ্রাফার চিত্রপান্ডেকে আমন্ত্রন জানায় জেলা প্রশাসক গাজী সাইফুজ্জামান স্যার। তারা সেদিন আমাদের দু’জনকে সেরা কিছু ছবির জন্য সম্মাননা প্রদান করা সহ ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দিত করেছিলেন।
আজ সেই মহান ২৬ই মার্চ স্বাধিনতা দিবস উপলক্ষে ফেইজবুকের সহায়তায় পুরান স্মৃর্তি ফিরে আসায় সেদিনের কথা মনে পড়ে গেল।
সেই সময় খুব গর্ব করে আমরা কয়জন ফটো সাংবাদিক পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতাম।সেই সাথে দেশের প্রথমসারির পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর বরিশাল ব্যুরো প্রদান আকতার ফারুক শাহিন ভাই ও আমি বরিশাল ব্যুরোতে বুক ফুলিয়ে চলছি এখনও চলে যাচ্ছি আল্লাহর রহমতে।
তবে এখন অনেক সময় নিজেকে ফটো সাংবাদিক পরিচয় দিতে একটু বিচেনা করতে হয় তারপরেও পরিচয় বহন করি যেহেতু এই চাকরীতে আমার সংসার পরিচালনা করা সহ বড় মেয়ে সরকারী বরিশাল কলেজের ৩য় বর্ষে অনার্সে পড়াশুনা করছে, মেজ মেয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ৪র্থ বর্ষে পড়া সহ ছোট মেয়ে ৫ম শ্রেনিতে পড়াশুনা কড়ছে। আমি সকলের কাছে দোয়া-প্রার্থনা করে যাচ্ছি যতদিন এই পেশায় আছি ততদিন যেন সকলের কাছে একটা গ্রহনযোগ্যতা ও ভালভাসা নিয়ে নিয়ে বিদায় নিতে পাড়ি তার জন্য সবারকাছে ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা চাওয়া সহ দোয়া কামনা করছি।












