করোনা ঝুঁকিতে প্রতিবন্ধীকে ভোটার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো নির্বাচন অফিস - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪করোনা ঝুঁকিতে প্রতিবন্ধীকে ভোটার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো নির্বাচন অফিস - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ জুন ২০, ২০২০ ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

করোনা ঝুঁকিতে প্রতিবন্ধীকে ভোটার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো নির্বাচন অফিস

৪৭

ইউসুফ আহমেদ, রংপুর থেকে: রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের বেলায়েত হোসেন। তিনি ওই গ্রামের সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মৃত রইছ উদ্দিন ও মরিয়ম বেগমের ছেলে। ১৯৭৬ সালে জন্ম গ্রহণ করলেও জন্মের ৬ বছর পরই তিনি বাক, শ্রবণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে যান।

সার্বক্ষণিক তিনি শুয়ে বসে ও হুইলচেয়ারেই চলাফেরা করেন। প্রতিবন্ধী হওয়ার কারনে তিনি জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) কার্ড করেননি। বাবা সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন ফলে তার মৃত্যুর পর সম্প্রতি ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তার মায়ের মৃত্যু হয়। কিন্তু তিনি উত্তরাধীকার সূত্রে পেনশনের একমাত্র দাবিদার হওয়ায় এনআইডি কার্ড ছাড়া পেনশনের টাকা তুলতে পারছেন না কয়েক মাস ধরে।

এ অবস্থায় সুমিয়ারা পারভীন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, কাউনিয়া, রংপুর এর সহিত ইতি পূর্বে কথা বলে ভোটার নিবন্ধন আবেদন ফরম পুরণ পূর্বক বুধবার (১৭ জুন) বেলায়েত হোসেনকে নির্বাচন কার্যালয়ে নিয়ে যান তার বড় ভাই মো. হেলাল।

থানা নির্বাচন কার্যালয় দোতলায় হওয়ার তাকে ওঠানো কষ্ঠ সাধ্য। এদিকে নির্বাচন কার্যালয়ের সার্ভারের নেটওয়ার্কিং ক্যাবল ছোট হওয়ায় নিচে সুবিধামত জায়গায় বেলায়েতের ছবি তোলার জন্য ৪০ থেকে ৫০ ফুট তার ভাড়া করে থানা নির্বাচন কার্যালয়।

বেলায়েতকে শারীরিকভাবে কষ্ট দেয়া ছাড়াই ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধি হিসেবে ৩ ফুট দুরত্বের থাকার কথা চিন্তা না করে খুব কাছ থেকে ছবি তোলা, ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আইরিশ গ্রহণসহ আবেদনের যাবতীয় কাজ বুধবারই সম্পন্ন করেছে তারা। থানা নির্বাচন কার্যালয়ের এমন মানবিক আচরণে খুশি ও কৃতজ্ঞ বেলায়েতের পরিবার।

বেলায়েত হোসেনের বড় ভাই মো. হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবি ছিলেন। তিনি কয়েক বছর পূর্বেই মৃত্যু বরন করেন ফলে আমার মা পেনশনের টাকা পাচ্ছিলেন কিন্তু সেই মাও গত বছর ডিসেম্বর মাসে মারা গেছেন।

প্রতিবন্ধী ভাইয়ের নামে পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য উপজেলা ট্রেজারী অফিস কাগজপত্র চায়। তারা যেসব কাগজপত্র দিতে বলেছেন সেগুলোর সবই জোগার করি। চুড়ান্তভাবে যেদিন অনলাইনে আবেদন সাবমিট করবেন, সেদিন তারা বলল তার জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কেন? আমি জানাই, প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে তার এনআইডি করা হয়নি। তবে প্রতিবন্ধী আইডি আছে। তখন তারা বলল, এটা দিয়ে হবে না, এনআইডি কার্ড লাগবে।

ঘটনাটা লকডাউনের আগে আগেই। তখন উপজেলা নির্বাচন অফিস, কাউনিয়ায় গেলাম। উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সঙ্গে কথা হয়। তারপর লকডাউনের কারণে আর সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে গত ১৬ই জুন’২০ (মঙ্গলবার) ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলাম।

বিদ্যুৎ ছিল না তার ওপর আবার বৃষ্টি হচ্ছিল বিধায় বাসায় ফেরত আসি। কিন্তু তারা আমার শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাইকে দেখে। তারপর ১৭ই জুন’২০ (বুধবার) তারা এনআইডি আবেদনের কাজটা খুবই আন্তরিকতার সাথে করে দিয়েছেন।

ওকে তো উপরে তোলা কোন ভাবেই সম্ভব নয় বিধায় নির্বাচন অফিসের অপারেটর মোস্তফা কামাল নেটওয়ার্কিং ক্যাবল ম্যানেজ করে অফিসের পাশে পুকুর ধারে ছবি তোলা সহ ফিঙ্গার প্রিন্ট নিলেন। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই অপারেটরগন খুবই আন্তরিকতার সহিত সবকিছু ওখানে করলেন। খুব ভালো লাগছে তাদের ব্যবহার।

এই এনআইডি আবেদনের যাবতীয় কাজে সহযোগিতা করেছেন সারা দেশের থানা/উপজেলা নির্বাচন অফিসে আউটসোর্সিং এ নিয়োগপ্রাপ্ত দু’জন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের ন্যায় কাউনিয়া থানা নির্বাচন কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. মোস্তফা কামাল ও শারমিন আরা। তাদের মধ্যে মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘ আমরা এই করোনা কালে ঝুকি নিয়ে নিয়মিত অফিস করছি ও গ্রহকগনকে সামনে থেকে সেবা প্রদান করছি।

দৈনন্দিন সেবার অংশ হিসেবে বেলায়ত হোসেনকেও আমরা সেবা দিয়েছি। বেলায়েত হোসেনের জন্ম ১৯৭৬ সালে। তিনি শারীরিক ভাবে সকল দিক থেকে অক্ষম। হুইলচেয়ারে করে অন্যের সহযোগীতা নিয়ে চলাফেরা করেন তিনি। তিনি উত্তোরাধীকার সূত্রে পেনশনের দাবিদার হয়েও পেনশনের টাকা এনআইডির অভাবে কয়েক মাস থেকে পাচ্ছেন না।

এতদিনেও তিনি ভোটার না হওয়ার ফলে তাকে ভ্যানে করে অফিস চত্ত্বরে আনা হয়। ভোটার হওয়ার জন্য আমাদের উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে কথা বলেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে স্যারের আদেশক্রমেই আমরা এই করোনাকালীন সময়েও নিরাপদ দুরত্বকে উপক্ষো করে গত ১৭ই জুন আবেদন নিয়ে ভোটার হওয়ার জন্য সকল কাজ সম্পন্ন করেছি। আশা করছি আগামী রবিবার এনআইডি জাবেদা কপি পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।

মোস্তফা কামাল আরও বলেন, ‘আমাদের অফিস ভবন দুই তলা বিশিষ্ট এবং ২য় তলায় সার্ভার কম্পিউটার রয়েছে। কিন্তু তিনি সকল দিক থেকে অক্ষম হওয়ায় দোতলায় তো তাকে তোলা যাচ্ছে না। অফিসের নেটওয়ার্কিং ক্যাবল ছোট হওয়ায় আমরা ৪০ থেকে ৫০ ফিট নেকওয়ার্কিং ক্যাবল ভাড়া করে বাইরে থেকে নিয়ে এনেছি যাতে তাকে অফিসের দুইতলায় না তুলেই তার সুবিধামত জায়গায় কাজ সম্পন্ন করা যায়।

অফিসের পাশেই পুকুরপাড় আছে, সেখানেই আমরা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ছবি তোলা সহ আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশ নিয়েছে। কমিশন থেকে সার্ভারের নতুন আপডেট দিয়েছেন। অফ লাইনে ক্লাইন্ট কম্পিউটার দিয়ে কাজ টি করার পর মিরর সার্ভারে ডাটা টি নেওয়া পর ডাটার কোন অংশে মিসিং হলে ভোটারকে আবার আসতে হতে পারে।

এই ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমরা উপজেলা সার্ভারের সাথে কানেক্ট (যুক্ত) করেই ছবি তুলেছি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সার্ভারে ডাটাটি সেইভ দেওয়া হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা কামাল বলেন- নির্বাচন কমিশন করোনার প্রাদূর্ভাব কালে সারাদেশে লকডাউনের সময় গ্রাহক সেবা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে মানুষের দোরগোরায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইন সার্ভিস চালু করেছে এবং বিপুল সাড়াও পেয়েছে।

গ্রাহকদের সুবিধার কথা ভেবে কমিশনের অন-লাইন সার্ভিস ওয়েব পোর্টালে (services.nidw.gov.bd/) সারা দেশের সকল উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে কর্মরত আউটসোর্সিং এ নিয়োগপ্রাপ্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে।

ফলে ৯ টু ৫ অফিসে সেবা গ্রহীতাদের সার্ভিস দেওয়ার পরেও এনআইডি সেবা গ্রহীতাগনকে সরকারি ছুটির দিন সহ অফিস আওয়ার পরেও দিনে ও রাতে সেবাগ্রহীতাদের নানা মুখি সমস্যার সমাধান সহ ফোনকলের মাধ্যমে যে কোন প্রশ্নত্তোর দিয়ে আসছি।

দৈনিক বরিশাল ২৪

করোনা ঝুঁকিতে প্রতিবন্ধীকে ভোটার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো নির্বাচন অফিস

শনিবার, জুন ২০, ২০২০ ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
৪৭

ইউসুফ আহমেদ, রংপুর থেকে: রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের বেলায়েত হোসেন। তিনি ওই গ্রামের সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মৃত রইছ উদ্দিন ও মরিয়ম বেগমের ছেলে। ১৯৭৬ সালে জন্ম গ্রহণ করলেও জন্মের ৬ বছর পরই তিনি বাক, শ্রবণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে যান।

সার্বক্ষণিক তিনি শুয়ে বসে ও হুইলচেয়ারেই চলাফেরা করেন। প্রতিবন্ধী হওয়ার কারনে তিনি জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) কার্ড করেননি। বাবা সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন ফলে তার মৃত্যুর পর সম্প্রতি ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তার মায়ের মৃত্যু হয়। কিন্তু তিনি উত্তরাধীকার সূত্রে পেনশনের একমাত্র দাবিদার হওয়ায় এনআইডি কার্ড ছাড়া পেনশনের টাকা তুলতে পারছেন না কয়েক মাস ধরে।

এ অবস্থায় সুমিয়ারা পারভীন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, কাউনিয়া, রংপুর এর সহিত ইতি পূর্বে কথা বলে ভোটার নিবন্ধন আবেদন ফরম পুরণ পূর্বক বুধবার (১৭ জুন) বেলায়েত হোসেনকে নির্বাচন কার্যালয়ে নিয়ে যান তার বড় ভাই মো. হেলাল।

থানা নির্বাচন কার্যালয় দোতলায় হওয়ার তাকে ওঠানো কষ্ঠ সাধ্য। এদিকে নির্বাচন কার্যালয়ের সার্ভারের নেটওয়ার্কিং ক্যাবল ছোট হওয়ায় নিচে সুবিধামত জায়গায় বেলায়েতের ছবি তোলার জন্য ৪০ থেকে ৫০ ফুট তার ভাড়া করে থানা নির্বাচন কার্যালয়।

বেলায়েতকে শারীরিকভাবে কষ্ট দেয়া ছাড়াই ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধি হিসেবে ৩ ফুট দুরত্বের থাকার কথা চিন্তা না করে খুব কাছ থেকে ছবি তোলা, ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আইরিশ গ্রহণসহ আবেদনের যাবতীয় কাজ বুধবারই সম্পন্ন করেছে তারা। থানা নির্বাচন কার্যালয়ের এমন মানবিক আচরণে খুশি ও কৃতজ্ঞ বেলায়েতের পরিবার।

বেলায়েত হোসেনের বড় ভাই মো. হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবি ছিলেন। তিনি কয়েক বছর পূর্বেই মৃত্যু বরন করেন ফলে আমার মা পেনশনের টাকা পাচ্ছিলেন কিন্তু সেই মাও গত বছর ডিসেম্বর মাসে মারা গেছেন।

প্রতিবন্ধী ভাইয়ের নামে পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্য উপজেলা ট্রেজারী অফিস কাগজপত্র চায়। তারা যেসব কাগজপত্র দিতে বলেছেন সেগুলোর সবই জোগার করি। চুড়ান্তভাবে যেদিন অনলাইনে আবেদন সাবমিট করবেন, সেদিন তারা বলল তার জাতীয় পরিচয়পত্র নাই কেন? আমি জানাই, প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে তার এনআইডি করা হয়নি। তবে প্রতিবন্ধী আইডি আছে। তখন তারা বলল, এটা দিয়ে হবে না, এনআইডি কার্ড লাগবে।

ঘটনাটা লকডাউনের আগে আগেই। তখন উপজেলা নির্বাচন অফিস, কাউনিয়ায় গেলাম। উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সঙ্গে কথা হয়। তারপর লকডাউনের কারণে আর সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে গত ১৬ই জুন’২০ (মঙ্গলবার) ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলাম।

বিদ্যুৎ ছিল না তার ওপর আবার বৃষ্টি হচ্ছিল বিধায় বাসায় ফেরত আসি। কিন্তু তারা আমার শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাইকে দেখে। তারপর ১৭ই জুন’২০ (বুধবার) তারা এনআইডি আবেদনের কাজটা খুবই আন্তরিকতার সাথে করে দিয়েছেন।

ওকে তো উপরে তোলা কোন ভাবেই সম্ভব নয় বিধায় নির্বাচন অফিসের অপারেটর মোস্তফা কামাল নেটওয়ার্কিং ক্যাবল ম্যানেজ করে অফিসের পাশে পুকুর ধারে ছবি তোলা সহ ফিঙ্গার প্রিন্ট নিলেন। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই অপারেটরগন খুবই আন্তরিকতার সহিত সবকিছু ওখানে করলেন। খুব ভালো লাগছে তাদের ব্যবহার।

এই এনআইডি আবেদনের যাবতীয় কাজে সহযোগিতা করেছেন সারা দেশের থানা/উপজেলা নির্বাচন অফিসে আউটসোর্সিং এ নিয়োগপ্রাপ্ত দু’জন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের ন্যায় কাউনিয়া থানা নির্বাচন কার্যালয়ের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. মোস্তফা কামাল ও শারমিন আরা। তাদের মধ্যে মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘ আমরা এই করোনা কালে ঝুকি নিয়ে নিয়মিত অফিস করছি ও গ্রহকগনকে সামনে থেকে সেবা প্রদান করছি।

দৈনন্দিন সেবার অংশ হিসেবে বেলায়ত হোসেনকেও আমরা সেবা দিয়েছি। বেলায়েত হোসেনের জন্ম ১৯৭৬ সালে। তিনি শারীরিক ভাবে সকল দিক থেকে অক্ষম। হুইলচেয়ারে করে অন্যের সহযোগীতা নিয়ে চলাফেরা করেন তিনি। তিনি উত্তোরাধীকার সূত্রে পেনশনের দাবিদার হয়েও পেনশনের টাকা এনআইডির অভাবে কয়েক মাস থেকে পাচ্ছেন না।

এতদিনেও তিনি ভোটার না হওয়ার ফলে তাকে ভ্যানে করে অফিস চত্ত্বরে আনা হয়। ভোটার হওয়ার জন্য আমাদের উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে কথা বলেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে স্যারের আদেশক্রমেই আমরা এই করোনাকালীন সময়েও নিরাপদ দুরত্বকে উপক্ষো করে গত ১৭ই জুন আবেদন নিয়ে ভোটার হওয়ার জন্য সকল কাজ সম্পন্ন করেছি। আশা করছি আগামী রবিবার এনআইডি জাবেদা কপি পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।

মোস্তফা কামাল আরও বলেন, ‘আমাদের অফিস ভবন দুই তলা বিশিষ্ট এবং ২য় তলায় সার্ভার কম্পিউটার রয়েছে। কিন্তু তিনি সকল দিক থেকে অক্ষম হওয়ায় দোতলায় তো তাকে তোলা যাচ্ছে না। অফিসের নেটওয়ার্কিং ক্যাবল ছোট হওয়ায় আমরা ৪০ থেকে ৫০ ফিট নেকওয়ার্কিং ক্যাবল ভাড়া করে বাইরে থেকে নিয়ে এনেছি যাতে তাকে অফিসের দুইতলায় না তুলেই তার সুবিধামত জায়গায় কাজ সম্পন্ন করা যায়।

অফিসের পাশেই পুকুরপাড় আছে, সেখানেই আমরা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ছবি তোলা সহ আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশ নিয়েছে। কমিশন থেকে সার্ভারের নতুন আপডেট দিয়েছেন। অফ লাইনে ক্লাইন্ট কম্পিউটার দিয়ে কাজ টি করার পর মিরর সার্ভারে ডাটা টি নেওয়া পর ডাটার কোন অংশে মিসিং হলে ভোটারকে আবার আসতে হতে পারে।

এই ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমরা উপজেলা সার্ভারের সাথে কানেক্ট (যুক্ত) করেই ছবি তুলেছি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সার্ভারে ডাটাটি সেইভ দেওয়া হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা কামাল বলেন- নির্বাচন কমিশন করোনার প্রাদূর্ভাব কালে সারাদেশে লকডাউনের সময় গ্রাহক সেবা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে মানুষের দোরগোরায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইন সার্ভিস চালু করেছে এবং বিপুল সাড়াও পেয়েছে।

গ্রাহকদের সুবিধার কথা ভেবে কমিশনের অন-লাইন সার্ভিস ওয়েব পোর্টালে (services.nidw.gov.bd/) সারা দেশের সকল উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে কর্মরত আউটসোর্সিং এ নিয়োগপ্রাপ্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে।

ফলে ৯ টু ৫ অফিসে সেবা গ্রহীতাদের সার্ভিস দেওয়ার পরেও এনআইডি সেবা গ্রহীতাগনকে সরকারি ছুটির দিন সহ অফিস আওয়ার পরেও দিনে ও রাতে সেবাগ্রহীতাদের নানা মুখি সমস্যার সমাধান সহ ফোনকলের মাধ্যমে যে কোন প্রশ্নত্তোর দিয়ে আসছি।

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ডিআইজি আবু রায়হান সালেহ্   পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি কই মাছে   গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত   জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   গ্যাস সরবরাহ নিয়ে সুখবর দিলো কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন   চট্টগ্রামে থেমে থেমে বৃষ্টি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ   বরিশালে আস্থার নাম সমাজসেবার মানবিক মুখ সাজ্জাদ পারভেজ   জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী   ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ, দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির আয়োজন   বরিশালে বিস্ফোরণ: চিপসের প্যাকেটের আড়ালে ‘বুবি ট্র্যাপ’   নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ   ভারতের সাড়ে ১১ হাজার টন চাল ফেরত পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ   আর্থিক সংকটে সাংবাদিক কাজী জাহিদ, বাবার জীবন বাঁচাতে চাইলেন সহযোগিতা   প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পা‌শে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান   ১৩০ বছর বয়সী মায়ের খেয়াল রাখেন ১০০ বছরের মেয়ে!   ১৫ বছর পরও ভুলে যাননি ১০০ টাকার দেনা, ছুটে এলেন শোধ করতে   সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি কাল   সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   ১০ গোলের ম্যাচেও জিততে পারলো ফ্রান্স, তৃতীয় ইংল্যান্ড