বরিশালে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ ঘোষনা করেছে পুলিশ
শামীম আহমেদ: বরিশালে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ ঘোষনা করেছে পুলিশ। সাধারন মানুষের নিরাপত্তায় বরিশালকে অন্য জেলা থেকে আলাদা করা হয়েছে। মুলত এই লকডানউন কার্যকর করতে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ খাইরুল আলমের নের্তৃত্বে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল থেকে বরিশাল নথুলাবাদ,এলাকা থেকে শুরু করে গড়িয়ার পাড়,রহমতপুরসহ মেট্টোপলিটন এলাকার সড়ক ব্লক করে দেয় পুলিশ। এসময় বরিশালের ভিতরে কাউকে প্রবেশ ও বাইরে কাউকে যেতে দেয়নি পুলিশ।
এসময়ে উপ-পুলিশ কমিশনার(উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম বলেন, প্রানঘাতি মহামারীর ভয়াবহ প্রকোপ থেকে নগরবাসীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রি,পুলিশের আইজিপি ও বিএমপি কমিশনার মহোদয়গণের নির্দেশনা মোতাবেক বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় কেউ প্রবেশ ও বাইরে যেতে পারবেনা।সবাইকে সচেতন হয়ে ঘরের মধ্য অবস্থান করতে হবে। নগরীর মধ্য সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে ওষুধের ফার্মেসী ব্যাতীত সকল প্রকার ব্যাবসা প্রতষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।পাড়া মহলার দোকানপাট দুপুর ২ টার মধ্য বন্ধ করার নির্দেশ দেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, করোনা প্রতিরোধে ইতিমধ্যে সচেতনতা মূলক বহু প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, অপ্রয়োজনে ঘরের বাহির যেতে নিষেধ সহ সরকারী সকল নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক যে দোকান সমূহ খোলা রাখার কথা রয়েছে শুধুমাত্র ঔষধ তথা মেডিকেল সার্ভিস সমূহ ব্যতিত সকল দোকান এমনকি খাবারের দোকান, কাঁচা বাজারের দোকান, মুদি দোকান সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। পাড়া-মহলার দোকানগুলো সকাল থেকে দুপুর দুটো’র মধ্যে বন্ধ করতে হবে। অপ্রয়োজনে কাউকে ঘরের বাহির পাওয়া চলবে না।
করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নিতে সবাই ঘরে থাকুন।অযথা বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে বের হলে তাকে গ্রেফতার সহ আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সহকারি পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া এন্ড স্টাফ অফিসার) আঃ হালিম, সহকারি পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট) মোঃ রবিউল ইসলাম শামিম, এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদ বিন আলম সহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা।












