কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ইতিবাচক ভুমিকা জরুরী
সোহেল আহমেদ: কিশোর অপরাধ প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের সন্তান হত্যার ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অত্যান্ত নিন্দনীয় হ্রিদয় বিধারক এ হত্যাকান্ডে দেশের সর্বসাধারণ মানুষও মর্মাহত। সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কিশোর গ্যাং এর নামে সংগঠিত কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ করা প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয় বরং এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ইতিবাচক ভুমিকা খুবই জরুরী বলে মনেকরছি। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়া থেকে একঝাঁক উঠতি বয়সীরা কিশোর অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে এমন ধারণা সাধারণ মানুষের।
অনেকেই মনে করেন, এই তরুণরা বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক প্রগামে ব্যাবহ্র হয়। দলের নেতাদের খুশি করতে গিয়ে বিভিন্ন মিছিল মিটিং সমাবেশে বিপুল উপস্থিতির জানান দেয় এসব তরুণরা। ফলে তারা বুঝে হোক আর না বুঝে হোক বড় ভাই ( দলের নেতা ) পাশে আছে এমন ভরষায় ছোট ছোট অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। একটা সময় গিয়ে সেটা কোন বড় আকারে গড়াচ্ছে। হয়তো দলের সেই বড় ভাই ( দলের নেতা ) এসব বিষয়ে অবগতোও থাকেননা। কিন্তু শেষমেশ কিশোর অপরাধের দায় ওই নেতাকেও নিতে হচ্ছে। আর এখান থেকেই একটি দলের অনেক ভালো কাজের বিপরীতে বদনাম ছড়িয়ে যাচ্ছে সারা দেশে। তাহলে এখন করনীয় কী? বিস্তারিত আসছে………….












