ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ০৫, ২০২৬ ৮:০৪ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র

৯

অনলাইন নিউজ: জনাকীর্ণ বাসে বা রাস্তায় চলাচলের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ কিংবা ধাক্কার ঘটনায় নারী ও পুরুষের প্রতি সামাজিক প্রতিক্রিয়া কি এক রকম? অনেক ক্ষেত্রে নারীর প্রতি এমন আচরণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হলেও পুরুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি উপেক্ষা করা বা হাস্যরসের মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যক্তিগত সীমার প্রতি সম্মান এবং নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

তবে অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের প্রতিটি ঘটনাকে একইভাবে বিচার করার সুযোগ নেই। ভিড়ের মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত ধাক্কা, ইচ্ছাকৃত স্পর্শ এবং যৌন হয়রানিমূলক আচরণের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ঘটনার উদ্দেশ্য, পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য বিবেচনা করেই বিষয়টি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বৈষম্যের অভিযোগ

সমাজে পুরুষকে সাধারণত শক্তিশালী ও আত্মরক্ষায় সক্ষম হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। অন্যদিকে নারীকে তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বা সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই প্রচলিত ধারণার কারণে পুরুষের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ অনেক সময় গুরুত্ব পায় না বলে মনে করেন অনেকে।

এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পুরুষের ব্যক্তিগত সীমা ও সম্মতির বিষয়টিকে আড়াল করতে পারে। একই সঙ্গে নারীর প্রতি হয়রানির ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও অস্বীকার করা যায় না। বরং উভয় ক্ষেত্রেই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং ভুক্তভোগীর বক্তব্য শোনা জরুরি।

আইনে কী বলা আছে?

বাংলাদেশের আইনে শারীরিক আক্রমণ ও অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু বিধান নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। দণ্ডবিধির ৩৫২ ধারায় গুরুতর ও আকস্মিক উসকানি ছাড়া কোনো ব্যক্তির ওপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে। একইভাবে ৩৫৫ ধারায় কাউকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে দণ্ডবিধির ৩৫৪ ও ৫০৯ ধারায় নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ, বলপ্রয়োগ, কথা বা অঙ্গভঙ্গির মতো নির্দিষ্ট অপরাধের বিধান রয়েছে। তাই নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে সব ধরনের হয়রানির আইনি বিধান অভিন্ন— এমন দাবি সঠিক নয়।

আইনি প্রতিকার নির্ভর করে ঘটনার ধরন, উদ্দেশ্য ও প্রযোজ্য আইনের ওপর। ফলে কোনো ব্যক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা আক্রমণের শিকার হলে ঘটনাটি যথাযথভাবে বর্ণনা করে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

পুরুষ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ প্রকাশে অনীহা

সামাজিকভাবে পুরুষকে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে দেখার প্রচলিত ধারণা অনেক সময় তাঁদের অভিজ্ঞতা প্রকাশের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। হয়রানির অভিযোগ জানালে হাসাহাসি বা অবিশ্বাসের মুখে পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কাও কেউ কেউ করেন।

এ বিষয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, “গত সপ্তাহে বাসে ওঠার সময় এক নারী আমার গায়ে বেশ জোরে ধাক্কা দিয়ে পাশ কাটিয়ে গেলেন। অথচ প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো মানুষ আমাকেই বাঁকা চোখে দেখত। পুরুষ বলেই কি আমাদের ব্যক্তিগত সীমার (Personal Space) কোনো মূল্য নেই?”

তাঁর অভিজ্ঞতা পুরুষের ব্যক্তিগত সীমা ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিয়ে সামগ্রিক সামাজিক প্রবণতা নির্ধারণ করা যায় না; এ বিষয়ে আরও তথ্য ও গবেষণা প্রয়োজন।

নারীর নিরাপত্তা ও সমান সম্মানের প্রশ্ন

এ বিষয়ে গৃহিণী সালমা বেগম বলেন, “নারীরা সাধারণত সামাজিকভাবে বেশি অরক্ষিত। তাই তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা বা সংবেদনশীলতা থাকা স্বাভাবিক। তবে হ্যাঁ, কেউ যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে অসম্মান করে, তবে তা নারী-পুরুষ উভয় পক্ষ থেকেই সমানভাবে অগ্রহণযোগ্য।”

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা এবং পুরুষের ব্যক্তিগত সীমার প্রতি সম্মান— বিষয় দুটিকে পরস্পরের বিপরীতে দেখার সুযোগ নেই। বরং যে কোনো ব্যক্তির সম্মতি ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেওয়াই হওয়া উচিত সামাজিক আচরণের ভিত্তি।

প্রয়োজন সচেতনতা ও মানসিকতার পরিবর্তন

ব্যক্তিগত সীমা, সম্মতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বিষয়গুলো সামাজিক সচেতনতার অংশ হওয়া জরুরি। অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা আচরণের ক্ষেত্রে নারী কিংবা পুরুষ— কারও অভিজ্ঞতাকেই লিঙ্গের ভিত্তিতে তুচ্ছ করা উচিত নয়।

একই সঙ্গে অভিযোগের ক্ষেত্রে ঘটনার প্রকৃতি যাচাই, ভুক্তভোগীর বক্তব্য শোনা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সামাজিকভাবে কাউকে হাসির পাত্র বানানো বা অভিযোগকে অবজ্ঞা করা সমস্যার সমাধান নয়।

নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে শুধু আইনি সুরক্ষা নয়, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন প্রয়োজন। ব্যক্তিগত সীমার প্রতি সম্মান এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ বার্তা বাজার

দৈনিক বরিশাল ২৪

ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬ ৮:০৪ অপরাহ্ণ
৯

অনলাইন নিউজ: জনাকীর্ণ বাসে বা রাস্তায় চলাচলের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ কিংবা ধাক্কার ঘটনায় নারী ও পুরুষের প্রতি সামাজিক প্রতিক্রিয়া কি এক রকম? অনেক ক্ষেত্রে নারীর প্রতি এমন আচরণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হলেও পুরুষের ক্ষেত্রে বিষয়টি উপেক্ষা করা বা হাস্যরসের মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যক্তিগত সীমার প্রতি সম্মান এবং নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

তবে অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের প্রতিটি ঘটনাকে একইভাবে বিচার করার সুযোগ নেই। ভিড়ের মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত ধাক্কা, ইচ্ছাকৃত স্পর্শ এবং যৌন হয়রানিমূলক আচরণের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ঘটনার উদ্দেশ্য, পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য বিবেচনা করেই বিষয়টি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বৈষম্যের অভিযোগ

সমাজে পুরুষকে সাধারণত শক্তিশালী ও আত্মরক্ষায় সক্ষম হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। অন্যদিকে নারীকে তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বা সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই প্রচলিত ধারণার কারণে পুরুষের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ অনেক সময় গুরুত্ব পায় না বলে মনে করেন অনেকে।

এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পুরুষের ব্যক্তিগত সীমা ও সম্মতির বিষয়টিকে আড়াল করতে পারে। একই সঙ্গে নারীর প্রতি হয়রানির ঘটনাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও অস্বীকার করা যায় না। বরং উভয় ক্ষেত্রেই অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং ভুক্তভোগীর বক্তব্য শোনা জরুরি।

আইনে কী বলা আছে?

বাংলাদেশের আইনে শারীরিক আক্রমণ ও অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু বিধান নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। দণ্ডবিধির ৩৫২ ধারায় গুরুতর ও আকস্মিক উসকানি ছাড়া কোনো ব্যক্তির ওপর আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তির বিধান রয়েছে। একইভাবে ৩৫৫ ধারায় কাউকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে দণ্ডবিধির ৩৫৪ ও ৫০৯ ধারায় নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ, বলপ্রয়োগ, কথা বা অঙ্গভঙ্গির মতো নির্দিষ্ট অপরাধের বিধান রয়েছে। তাই নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে সব ধরনের হয়রানির আইনি বিধান অভিন্ন— এমন দাবি সঠিক নয়।

আইনি প্রতিকার নির্ভর করে ঘটনার ধরন, উদ্দেশ্য ও প্রযোজ্য আইনের ওপর। ফলে কোনো ব্যক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা আক্রমণের শিকার হলে ঘটনাটি যথাযথভাবে বর্ণনা করে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

পুরুষ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ প্রকাশে অনীহা

সামাজিকভাবে পুরুষকে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে দেখার প্রচলিত ধারণা অনেক সময় তাঁদের অভিজ্ঞতা প্রকাশের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। হয়রানির অভিযোগ জানালে হাসাহাসি বা অবিশ্বাসের মুখে পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কাও কেউ কেউ করেন।

এ বিষয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, “গত সপ্তাহে বাসে ওঠার সময় এক নারী আমার গায়ে বেশ জোরে ধাক্কা দিয়ে পাশ কাটিয়ে গেলেন। অথচ প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো মানুষ আমাকেই বাঁকা চোখে দেখত। পুরুষ বলেই কি আমাদের ব্যক্তিগত সীমার (Personal Space) কোনো মূল্য নেই?”

তাঁর অভিজ্ঞতা পুরুষের ব্যক্তিগত সীমা ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিয়ে সামগ্রিক সামাজিক প্রবণতা নির্ধারণ করা যায় না; এ বিষয়ে আরও তথ্য ও গবেষণা প্রয়োজন।

নারীর নিরাপত্তা ও সমান সম্মানের প্রশ্ন

এ বিষয়ে গৃহিণী সালমা বেগম বলেন, “নারীরা সাধারণত সামাজিকভাবে বেশি অরক্ষিত। তাই তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা বা সংবেদনশীলতা থাকা স্বাভাবিক। তবে হ্যাঁ, কেউ যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে অসম্মান করে, তবে তা নারী-পুরুষ উভয় পক্ষ থেকেই সমানভাবে অগ্রহণযোগ্য।”

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা এবং পুরুষের ব্যক্তিগত সীমার প্রতি সম্মান— বিষয় দুটিকে পরস্পরের বিপরীতে দেখার সুযোগ নেই। বরং যে কোনো ব্যক্তির সম্মতি ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেওয়াই হওয়া উচিত সামাজিক আচরণের ভিত্তি।

প্রয়োজন সচেতনতা ও মানসিকতার পরিবর্তন

ব্যক্তিগত সীমা, সম্মতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বিষয়গুলো সামাজিক সচেতনতার অংশ হওয়া জরুরি। অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা আচরণের ক্ষেত্রে নারী কিংবা পুরুষ— কারও অভিজ্ঞতাকেই লিঙ্গের ভিত্তিতে তুচ্ছ করা উচিত নয়।

একই সঙ্গে অভিযোগের ক্ষেত্রে ঘটনার প্রকৃতি যাচাই, ভুক্তভোগীর বক্তব্য শোনা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সামাজিকভাবে কাউকে হাসির পাত্র বানানো বা অভিযোগকে অবজ্ঞা করা সমস্যার সমাধান নয়।

নারী-পুরুষের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে শুধু আইনি সুরক্ষা নয়, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন প্রয়োজন। ব্যক্তিগত সীমার প্রতি সম্মান এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ বার্তা বাজার

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র   এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন   সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী   এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, শুরু হতে পারে ২ ডিসেম্বর   বরিশাল প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদ পেলেন ১১ সাংবাদিক   হালিশহর মডেল স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নতুন সভাপতি জাকের হোসেন সম্পাদক আশ্রাফ আলী   বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীরা পাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী   বরিশালে যুবদলের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত   বরিশালে বাসচাপায় কাতার প্রবাসী নিহত   বর্ণিল আয়োজনে চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত   ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু   ‘এই জার্সিটাই ছিল আমার জীবন, এত ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ’   কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে রাজনীতিবীদদের ইতিবাচক ভুমিকা জরুরী   বরিশালে শ্রমিকদল নেতা রাজ্জাক সরদার আর নেই, শোকে স্তব্ধ ২নং কাশিপুর   রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী   বাঁশির সুরে তুমুল জনপ্রিয় শেখ সোলায়মান এবার নিয়ে এলেন ‘মানব জীবন’   বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ডিআইজি আবু রায়হান সালেহ্   পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি কই মাছে   গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত