টিনের কৌটায় জমানো ৫০ লাখ টাকা শিশুদের দান করলেন মোহাম্মদ আলী - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪টিনের কৌটায় জমানো ৫০ লাখ টাকা শিশুদের দান করলেন মোহাম্মদ আলী - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ১৮, ২০২২ ১:২৬ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

টিনের কৌটায় জমানো ৫০ লাখ টাকা শিশুদের দান করলেন মোহাম্মদ আলী

৩৯

কখনও নাশতা খরচ আবার কখনও গাড়ি ভাড়া বাঁচিয়ে টাকা জমিয়েছেন টিনের কৌটায়। এক টাকা, দুই টাকা কখনও ১০০ টাকা। ৪১ বছরে জমানো টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ। ওই টাকা ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য দান করে অনন্য নজির স্থাপন করলেন ৮০ বছর বয়সী কাজী মোহাম্মদ আলী।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ফরহাদাবাদের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী থাকেন নগরীর পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর হামজারবাগ এলাকায়। পৈতৃক বাড়ির একতলা ঘরে দুই ছেলে ও দুই পুত্রবধূ নিয়ে বসবাস করেন তিনি।

সম্প্রতি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ওয়াক্ফ হিসাব খুলে ৫০ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওয়াক্ফ হিসাবের কাগজপত্র চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির কাছে হস্তান্তর করেন। ওয়াক্ফ হিসাবের মূল টাকা ব্যাংক থেকে তুলতে পারবেন না মোহাম্মদ আলী বা তার স্বজন এমনকি রোগী কল্যাণ সমিতি। কেবল বছর শেষে মুনাফা পাবে সমিতি। রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে মুনাফার টাকা তোলা যাবে। ওই টাকায় চিকিৎসা হবে ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের।

মোহাম্মদ আলী বলেন, ‌‘আমার নানা ক্যানসারে মারা গেছেন, আমার মা হোসনে আরা বেগম ক্যানসারে মারা গেছেন। আমার ছোট বোনের মেয়ে নাহিদা সোমাও ক্যানসারে মারা গেছে। এ নিয়ে আমার মনে একটা কষ্ট আছে। আমি যদি ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য কিছু করতে পারি, তাহলে আমার মনের কষ্ট দূর হবে। এজন্য মূলত টাকাটা জমিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার এসব টাকা ১৮ বছরের নিচে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যয় হবে। কেননা আমি চিকিৎসকদের কাছে শুনেছি, শিশুদের ক্যানসার নিরাময়যোগ্য। যদি তারা ঠিকমতো ওষুধ ও চিকিৎসা পায় তাহলে সুস্থ হয়ে যায়। ক্যানসারের ওষুধ অনেক দামি। গরিব শিশুদের ক্ষেত্রে ক্যানসার চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই ১৮ বছরের নিচে ক্যানসার আক্রান্তদের ক্ষেত্রে টাকাটা ব্যয় করতে বলেছি। তারা যদি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে মা-বাবার কাছে ফিরে যেতে পারবে।

মোহাম্মদ আলী বলেন, ‌‘১৯৬৬ সালে বেসরকারি ওষুধ কোম্পানি তৎকালীন ফাইজারে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি নিয়েছিলাম। এরপর ১৯৮০ সাল থেকে কিছু টাকা জমানো শুরু করি। কখনও গাড়ি ভাড়ার খরচ বাঁচিয়ে আবার কখনও নাশতা খরচ বাঁচিয়ে গোপনে এই টাকা জমিয়েছি। বাড়িতে একটি টিনের কৌটায় টাকা জমাই। ২০০০ সালে যখন টাকার অঙ্ক বড় হয় তখন মা-বাবার নামে ‘কাজী অ্যান্ড হোসেন ফাউন্ডেশনে’ একটি হিসাব নম্বর খুলে টাকা জমা করি। আমার স্বপ্ন ছিল, ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ লাখ টাকা জমা করে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তায় দান করবো। এরই মধ্যে আমার অনেক পরিচিত ব্যক্তিবর্গ এখান থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা করেছেন। ব্যবসায় লাভ হওয়ার পর তারা ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ মুনাফায় টাকা পেতেন একই পরিমাণ মুনাফা আমাকে দিয়েছেন। কেউ কেউ খুশি হয়ে আরও বেশি দিয়েছেন। এভাবে ৪১ বছরে ৫০ লাখ টাকা জমা হলো। ২০২১ সালে টাকাটা ক্যানসার আক্রান্তদের সহায়তায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতিতে জমা দিই। সপ্তাহখানেক আগে ওয়াক্ফ হিসাবের কাগজপত্র সমিতির কাছে হস্তান্তর করেছি।’

তিনি বলেন, ‘২০০৫ সালে বিক্রয় ব্যবস্থাপক পদ থেকে অবসরে যাই। দুই ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হামজারবাগ এলাকার বাসায় থাকি। দুই ছেলে ব্যবসা করে। দুই পুত্রবধূ ব্যাংকার। আমরা ভালো আছি।’

শ্বশুরের এই মহতী কাজে খুশি পুত্রবধূ নাসরিন আকতার ও তিরবিজ আকতার। পুত্রবধূ তিরবিজ আকতার বলেন, ‘শ্বশুরের জমানো টাকায় ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা হবে, এটা অত্যন্ত খুশির খবর। এই টাকায় ক্যানসার আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি যদি সুস্থ হয় তাহলে শ্বশুরের কষ্ট সার্থক হবে।’

রোগী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সাহা বলেন, ‘প্রথমে ভাবতেই পারিনি একজন মধ্যবিত্ত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এত টাকা দান করবেন। এটি একটি নজির। বিষয়টি অন্যদের উৎসাহিত করবে। তার দেওয়া অর্থ দিয়ে এক বছরে তিন জন ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। একই সঙ্গে তাদের যাবতীয় ওষুধ দেওয়া যাবে।’

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘এই অনুদানের টাকা ১৮ বছরের নিচে দরিদ্র ক্যানসার আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ব্যয় হবে। মধ্যবিত্ত একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির এই দান আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। সমাজে এখনও ভালো মানুষ রয়েছেন। আমরা মোহাম্মদ আলীকে সাধুবাদ জানাই।’সূত্রঃ বাংলাট্রিবিউন

দৈনিক বরিশাল ২৪

টিনের কৌটায় জমানো ৫০ লাখ টাকা শিশুদের দান করলেন মোহাম্মদ আলী

সোমবার, এপ্রিল ১৮, ২০২২ ১:২৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেটঃ এপ্রিল ১৮, ২০২২ ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
৩৯

কখনও নাশতা খরচ আবার কখনও গাড়ি ভাড়া বাঁচিয়ে টাকা জমিয়েছেন টিনের কৌটায়। এক টাকা, দুই টাকা কখনও ১০০ টাকা। ৪১ বছরে জমানো টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ। ওই টাকা ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য দান করে অনন্য নজির স্থাপন করলেন ৮০ বছর বয়সী কাজী মোহাম্মদ আলী।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ফরহাদাবাদের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী থাকেন নগরীর পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর হামজারবাগ এলাকায়। পৈতৃক বাড়ির একতলা ঘরে দুই ছেলে ও দুই পুত্রবধূ নিয়ে বসবাস করেন তিনি।

সম্প্রতি সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ওয়াক্ফ হিসাব খুলে ৫০ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওয়াক্ফ হিসাবের কাগজপত্র চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির কাছে হস্তান্তর করেন। ওয়াক্ফ হিসাবের মূল টাকা ব্যাংক থেকে তুলতে পারবেন না মোহাম্মদ আলী বা তার স্বজন এমনকি রোগী কল্যাণ সমিতি। কেবল বছর শেষে মুনাফা পাবে সমিতি। রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরে মুনাফার টাকা তোলা যাবে। ওই টাকায় চিকিৎসা হবে ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের।

মোহাম্মদ আলী বলেন, ‌‘আমার নানা ক্যানসারে মারা গেছেন, আমার মা হোসনে আরা বেগম ক্যানসারে মারা গেছেন। আমার ছোট বোনের মেয়ে নাহিদা সোমাও ক্যানসারে মারা গেছে। এ নিয়ে আমার মনে একটা কষ্ট আছে। আমি যদি ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য কিছু করতে পারি, তাহলে আমার মনের কষ্ট দূর হবে। এজন্য মূলত টাকাটা জমিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার এসব টাকা ১৮ বছরের নিচে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যয় হবে। কেননা আমি চিকিৎসকদের কাছে শুনেছি, শিশুদের ক্যানসার নিরাময়যোগ্য। যদি তারা ঠিকমতো ওষুধ ও চিকিৎসা পায় তাহলে সুস্থ হয়ে যায়। ক্যানসারের ওষুধ অনেক দামি। গরিব শিশুদের ক্ষেত্রে ক্যানসার চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। তাই ১৮ বছরের নিচে ক্যানসার আক্রান্তদের ক্ষেত্রে টাকাটা ব্যয় করতে বলেছি। তারা যদি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে মা-বাবার কাছে ফিরে যেতে পারবে।

মোহাম্মদ আলী বলেন, ‌‘১৯৬৬ সালে বেসরকারি ওষুধ কোম্পানি তৎকালীন ফাইজারে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি নিয়েছিলাম। এরপর ১৯৮০ সাল থেকে কিছু টাকা জমানো শুরু করি। কখনও গাড়ি ভাড়ার খরচ বাঁচিয়ে আবার কখনও নাশতা খরচ বাঁচিয়ে গোপনে এই টাকা জমিয়েছি। বাড়িতে একটি টিনের কৌটায় টাকা জমাই। ২০০০ সালে যখন টাকার অঙ্ক বড় হয় তখন মা-বাবার নামে ‘কাজী অ্যান্ড হোসেন ফাউন্ডেশনে’ একটি হিসাব নম্বর খুলে টাকা জমা করি। আমার স্বপ্ন ছিল, ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ লাখ টাকা জমা করে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তায় দান করবো। এরই মধ্যে আমার অনেক পরিচিত ব্যক্তিবর্গ এখান থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা করেছেন। ব্যবসায় লাভ হওয়ার পর তারা ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ মুনাফায় টাকা পেতেন একই পরিমাণ মুনাফা আমাকে দিয়েছেন। কেউ কেউ খুশি হয়ে আরও বেশি দিয়েছেন। এভাবে ৪১ বছরে ৫০ লাখ টাকা জমা হলো। ২০২১ সালে টাকাটা ক্যানসার আক্রান্তদের সহায়তায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতিতে জমা দিই। সপ্তাহখানেক আগে ওয়াক্ফ হিসাবের কাগজপত্র সমিতির কাছে হস্তান্তর করেছি।’

তিনি বলেন, ‘২০০৫ সালে বিক্রয় ব্যবস্থাপক পদ থেকে অবসরে যাই। দুই ছেলে ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হামজারবাগ এলাকার বাসায় থাকি। দুই ছেলে ব্যবসা করে। দুই পুত্রবধূ ব্যাংকার। আমরা ভালো আছি।’

শ্বশুরের এই মহতী কাজে খুশি পুত্রবধূ নাসরিন আকতার ও তিরবিজ আকতার। পুত্রবধূ তিরবিজ আকতার বলেন, ‘শ্বশুরের জমানো টাকায় ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা হবে, এটা অত্যন্ত খুশির খবর। এই টাকায় ক্যানসার আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি যদি সুস্থ হয় তাহলে শ্বশুরের কষ্ট সার্থক হবে।’

রোগী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সাহা বলেন, ‘প্রথমে ভাবতেই পারিনি একজন মধ্যবিত্ত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এত টাকা দান করবেন। এটি একটি নজির। বিষয়টি অন্যদের উৎসাহিত করবে। তার দেওয়া অর্থ দিয়ে এক বছরে তিন জন ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। একই সঙ্গে তাদের যাবতীয় ওষুধ দেওয়া যাবে।’

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম আহসান বলেন, ‘এই অনুদানের টাকা ১৮ বছরের নিচে দরিদ্র ক্যানসার আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ব্যয় হবে। মধ্যবিত্ত একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির এই দান আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। সমাজে এখনও ভালো মানুষ রয়েছেন। আমরা মোহাম্মদ আলীকে সাধুবাদ জানাই।’সূত্রঃ বাংলাট্রিবিউন

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  বহু কাজ এখনও বাকি, কীভাবে চালু হবে শিশু হাসপাতাল   ফিফা প্রীতি ম্যাচে সান ম্যারিনোকে হারিয়ে বাংলাদেশের জয়   ‘মানুষকে সহযোগিতার ব্যাপারে আমি এত দলাদলি পছন্দ করিনা’   পদোন্নতি পেয়ে বারিশালের যুবদল নেতা তছলিম উদ্দিন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত   বিএম স্কুলের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মীর জাহিদুল কবির   বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন   বরিশালে শতবর্ষী পদ্মপুকুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেনা দর্শনার্থীরা   শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ   চট্টগ্রামে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়   বাবুগঞ্জে দরিদ্র পরিবারের পাশে চাঁদপাশা সমিতির সদস্যরা   দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী   বহুল আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ ফেরত যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের খামারে   তীব্র গরমে জনজীবনে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এলো বৃষ্টি, অব্যাহত থাকতে পারে ঈদের দিনে   ‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’   পটুয়াখালীর শ্রেষ্ঠ পারফর্মার ডিবি অফিসার নির্বাচিত মেহেদী হাসান   বিদিশা এরশাদের দুই বছরের কারাদণ্ড   সিরিজ জয় বাংলাদেশের   ডে কেয়ার-শিশু শিক্ষায় ‘শ্রমিক সন্তুষ্টি’ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ   ভূমিসেবা পেতে জনগণকে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী   এক মাসে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা, সবজি–মাছ–মাংসও চড়া