করোনা সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছি: ড. বিজন কুমার শীল - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪করোনা সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছি: ড. বিজন কুমার শীল - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ জুন ১৬, ২০২০ ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

করোনা সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছি: ড. বিজন কুমার শীল

৭৪

অনলাইন নিউজ:‘আমরা করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছি, কিংবা পিক টাইমের খুব কাছাকাছি রয়েছি বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে।’

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে বাংলানিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশের অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল এ কথা বলেন।

ড. বিজন কুমার শীল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‍্যাপিড ডট ব্লট কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান বিজ্ঞানী। ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানোর জন্য পিপিআর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে ডেঙ্গুর কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কারকও ড. বিজন। যা সিঙ্গাপুরে তার নামেই প্যাটেন্ট করানো। ২০০৩ সালে তিনি সার্স ভাইরাসের কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কার করেছিলেন। এটাও তার নামে প্যাটেন্ট করা।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সার্স ভাইরাস প্রতিরোধে সিঙ্গাপুর সরকারের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। বর্তমানের করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মূলত সার্স-২ ভাইরাস। সার্সের ভয়াবহতার কথা মনে করে মানুষ যেন আতঙ্কিত না হয় সেজন্য বিজ্ঞানীরা কোভিড-১৯ নামকরণ করেছিলেন।

ড. বিজন কুমার শীল বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে আমরা যে পরিমাণ স্যাম্পল পরীক্ষা করছি এবং দেখছি তাতে আমার ব্যক্তিগত ধারণা- ইতোমধ্যে বেশ সংখ্যক মানুষ করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন। অনেকের মধ্যেই ক্লিনিক্যাল সাইন সেভাবে ডেভেলপ করেনি। যেমন কোনো পরিবারের একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই পরিবারের অন্যদের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে করোনার তেমন কোনো লক্ষণ দেখা দেয়নি। হয়তো তাদের একটু সামান্য কাশি, পেটে ব্যথা, কিংবা একদিন সামান্য একটু ডাইরিয়া দেখা দিয়েছে, তারপর তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। এভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি বেশ সংখ্যক মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি, তবে সংস্পর্শে এসেছেন এবং তাদের শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। এটা কিন্তু খুবই ইম্পরট্যান্ট। এই লেয়ারটাকে কিন্তু করোনা ভাইরাস ভেদ করতে পারবেনা। তখন এই পরিবেশে ভাইরাসের পরিমাণ কমে আসবে। ধীরে ধীরে ভাইরাস যখন আর কোনও হোস্ট পাবেনা, তখন ভাইরাস আর থাকবেনা, চলে যাবে।

তিনি আরও বলেন, যাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ক্লিনিক্যাল সাইন বেশি ছিল, তাদের শরীরে এন্টিবডির পরিমাণ তত বেশি। অন্যদিকে, যারা করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন, কিন্তু লক্ষণ খুব কম ছিল তাদের শরীরে এন্টিবডিও কম তৈরি হয়েছে। এদের শরীরের প্লাজমা এই মুহূর্তে কোনো কাজে আসবেনা। তবে তারা নিজেদের সুরক্ষা করবে। যারা করোনায় ৩-৪ দিন গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, সর্দিকাশি বা পেটের সমস্যায় ভুগেছেন বা ম্যাসিভ আক্রান্ত হয়েছেন তাদের শরীরে বেশি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ যে যত বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার শরীরে তত বেশি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। যাদের শরীরে বেশি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে, তারা চাইলে প্লাজমা ডোনেট করে অন্যের জীবনও বাঁচাতে পারেন।

তাহলে কি বাংলাদেশ করোনা সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশে এখন করোনা ভাইরাসের পিক টাইম। কোনো ভাইরাসের সংক্রমণের পিক টাইম বলতে যা বোঝায় আমরা মনে হয় সেই টাইম অতিক্রম করছি।

উল্লেখ্য, কোনো ভাইরাসের পিক টাইম বলতে কোন একটি স্থানে বা দেশে সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়কে বোঝায়। পিক টাইমের পর ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকে।

দৈনিক বরিশাল ২৪

করোনা সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছি: ড. বিজন কুমার শীল

মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২০ ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
৭৪

অনলাইন নিউজ:‘আমরা করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছি, কিংবা পিক টাইমের খুব কাছাকাছি রয়েছি বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে।’

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে বাংলানিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশের অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল এ কথা বলেন।

ড. বিজন কুমার শীল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‍্যাপিড ডট ব্লট কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান বিজ্ঞানী। ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানোর জন্য পিপিআর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে ডেঙ্গুর কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কারকও ড. বিজন। যা সিঙ্গাপুরে তার নামেই প্যাটেন্ট করানো। ২০০৩ সালে তিনি সার্স ভাইরাসের কুইক টেস্ট পদ্ধতির আবিষ্কার করেছিলেন। এটাও তার নামে প্যাটেন্ট করা।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সার্স ভাইরাস প্রতিরোধে সিঙ্গাপুর সরকারের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। বর্তমানের করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মূলত সার্স-২ ভাইরাস। সার্সের ভয়াবহতার কথা মনে করে মানুষ যেন আতঙ্কিত না হয় সেজন্য বিজ্ঞানীরা কোভিড-১৯ নামকরণ করেছিলেন।

ড. বিজন কুমার শীল বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে আমরা যে পরিমাণ স্যাম্পল পরীক্ষা করছি এবং দেখছি তাতে আমার ব্যক্তিগত ধারণা- ইতোমধ্যে বেশ সংখ্যক মানুষ করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন। অনেকের মধ্যেই ক্লিনিক্যাল সাইন সেভাবে ডেভেলপ করেনি। যেমন কোনো পরিবারের একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই পরিবারের অন্যদের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে করোনার তেমন কোনো লক্ষণ দেখা দেয়নি। হয়তো তাদের একটু সামান্য কাশি, পেটে ব্যথা, কিংবা একদিন সামান্য একটু ডাইরিয়া দেখা দিয়েছে, তারপর তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। এভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি বেশ সংখ্যক মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি, তবে সংস্পর্শে এসেছেন এবং তাদের শরীরে ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। এটা কিন্তু খুবই ইম্পরট্যান্ট। এই লেয়ারটাকে কিন্তু করোনা ভাইরাস ভেদ করতে পারবেনা। তখন এই পরিবেশে ভাইরাসের পরিমাণ কমে আসবে। ধীরে ধীরে ভাইরাস যখন আর কোনও হোস্ট পাবেনা, তখন ভাইরাস আর থাকবেনা, চলে যাবে।

তিনি আরও বলেন, যাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ক্লিনিক্যাল সাইন বেশি ছিল, তাদের শরীরে এন্টিবডির পরিমাণ তত বেশি। অন্যদিকে, যারা করোনা ভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছেন, কিন্তু লক্ষণ খুব কম ছিল তাদের শরীরে এন্টিবডিও কম তৈরি হয়েছে। এদের শরীরের প্লাজমা এই মুহূর্তে কোনো কাজে আসবেনা। তবে তারা নিজেদের সুরক্ষা করবে। যারা করোনায় ৩-৪ দিন গলা ব্যাথা, শ্বাসকষ্ট, সর্দিকাশি বা পেটের সমস্যায় ভুগেছেন বা ম্যাসিভ আক্রান্ত হয়েছেন তাদের শরীরে বেশি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ যে যত বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার শরীরে তত বেশি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। যাদের শরীরে বেশি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে, তারা চাইলে প্লাজমা ডোনেট করে অন্যের জীবনও বাঁচাতে পারেন।

তাহলে কি বাংলাদেশ করোনা সংক্রমণের পিক টাইম অতিক্রম করছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশে এখন করোনা ভাইরাসের পিক টাইম। কোনো ভাইরাসের সংক্রমণের পিক টাইম বলতে যা বোঝায় আমরা মনে হয় সেই টাইম অতিক্রম করছি।

উল্লেখ্য, কোনো ভাইরাসের পিক টাইম বলতে কোন একটি স্থানে বা দেশে সংক্রমণের সর্বোচ্চ পর্যায়কে বোঝায়। পিক টাইমের পর ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকে।

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী   এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, শুরু হতে পারে ২ ডিসেম্বর   বরিশাল প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদ পেলেন ১১ সাংবাদিক   হালিশহর মডেল স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নতুন সভাপতি জাকের হোসেন সম্পাদক আশ্রাফ আলী   বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীরা পাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী   বরিশালে যুবদলের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত   বরিশালে বাসচাপায় কাতার প্রবাসী নিহত   বর্ণিল আয়োজনে চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত   ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু   ‘এই জার্সিটাই ছিল আমার জীবন, এত ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ’   কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে রাজনীতিবীদদের ইতিবাচক ভুমিকা জরুরী   বরিশালে শ্রমিকদল নেতা রাজ্জাক সরদার আর নেই, শোকে স্তব্ধ ২নং কাশিপুর   রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী   বাঁশির সুরে তুমুল জনপ্রিয় শেখ সোলায়মান এবার নিয়ে এলেন ‘মানব জীবন’   বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ডিআইজি আবু রায়হান সালেহ্   পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি কই মাছে   গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত   জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   গ্যাস সরবরাহ নিয়ে সুখবর দিলো কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন