শার্শার বাঁগাআচড়ায় সামাজিক দূরত্বহীন পশুর হাট,করোনার ঝুঁকি বাড়ছে
ফারুক হাসান, বেনাপোল প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল আযহা সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসার কথা পশুর হাট। রাখার কথা স্বাস্থ্য সুরক্ষার সব ব্যবস্থা। মানার কথা সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা। অথচ যশোরের শার্শা উপজেলার বাঁগাআচড়ার সাতমাইল পশুর হাট কর্তৃপক্ষ হয়তো বিষয়গুলো ভুলেই গেছে। সেখানে করোনা প্রতিরোধে নেই কোনো ব্যবস্থা।
হাটে আগতদের মাস্ক ব্যবহারের বালাই নেই। কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নেই পশুচিকিৎসক। এ অবস্থায় হাটে আগতদের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন
স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট স‚ত্র জানায়, দেশের দক্ষিন পশ্চিমঞ্চলের বৃহত্তম পশুর হাট বাঁগাআচড়ার সাতমাইল।
এই পশু হাট থেকে ঢাকা,বরিশাল,সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কোরবানির পশু সরবারহ করে থাকেন
ব্যবসায়ীরা। চলতি ১৪২৭ সালে আয়কর, ভ্যাটসহ হাটটি ইজারা প্রদান করা হয়েছে ৫কোটি টাকায়। ইজারা নিয়েছেন বাঁগাআচড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইলিয়াজ কবির বকুলের ভাই নাজমুল হাসান।
শনিবার সাতমাইল পশু হাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটে আগত মানুষের মুখে মাস্ক নেই। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলাচল করছে লোকজন। প্রচÐ ভিড় ঠেলে হাটের ভেতরে প্রবেশের ফাঁক নেই। ইজারাদারের লোকজন হাটের ভিতর টোঙ্গ ঘরে টেবিল-চেয়ার পেতে আদায় করছে খাজনার টাকা।
বাগআঁচড়া সাতমাইল বাজারের ইজারাদার নাজমুল হাসান জানান, বাজারটি আমরা এক বছরের জন্য সরকারীভাবে ৫ কোটি টাকা দিয়ে ডেকে এনেছি। যার প্রতি হাট হিসাবে সরকারকে দেওয়া লাগে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। করোনার কারনে সরকারের নির্দেশনায় আমরা দুই মাসের বেশি সময় এই পশু হাট টি বন্ধ রেখেছিলাম।
হাট বন্ধ থাকায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
তবে সরকারের কাছে দাবি আমাদের এই ক্ষতিটা যেন পুশিয়ে নেওয়ার একটা সুযোগ পাই। তিনি আরো জানান, করোনায় আমরা ক্রেতা বিক্রেতার যাতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার সে জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া পশু হাটটি সার্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকিতে আছে। তবে এবার বিক্রেতারা অনেক লোকসানে পশু বিক্রি করছেন।












