হাসপাতালে মারধরের শিকার পুলিশ কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪হাসপাতালে মারধরের শিকার পুলিশ কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ নভেম্বর ১০, ২০২০ ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

হাসপাতালে মারধরের শিকার পুলিশ কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু

৩৫

অনলাইন নিউজ: মানসিক অসুস্থতার কারণে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে স্বজনেরা রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার সকালে ভর্তি প্রক্রিয়া চলার মধ্যে হাসপাতালের কর্মীরা তাকে টেনেহিঁচড়ে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজে সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্যও দেখা যায়। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান তিনি। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

৩১তম বিসিএসের পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিম সর্বশেষ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। তার স্ত্রী শারমিন সুলতানাও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের। এই দম্পতির চার বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে আনিসুল করিমের মরদেহ গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হাসপাতালের ব্যবস্থাপকসহ ছয়জনকে আটক করেছে।

হাসপাতালে আনিসুল করিমের সঙ্গে ছিলেন তার বড় ভাই রেজাউল করিম সবুজ। তিনি সমকালকে বলেন, তার ভাই একটু মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এজন্য বরিশালের কর্মস্থল থেকে চিকিৎসার জন্য কয়েকদিন আগে ঢাকায় আসেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা তাকে নিয়ে মাইন্ড এইড হাসপাতালে যান। তিনি ভাইকে পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে হাসপাতালের কাউন্টারে ভর্তি ফরম পূরণ করার সময়ে কয়েকজন কর্মচারী আনিসুলকে দোতলায় নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের জানানো হয় আনিসুল অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। এরপর তারা তাকে দ্রুত হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান তার ভাই আগেই মারা গেছেন।

তিনি বলেন, শুরুতে ভাবছিলেন হয়তো তার ভাইয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু হাসপাতালের কর্মীদের আচরণে তার সন্দেহ হতে থাকে। এরপরই তিনি খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানান। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পান তার ভাইকে হাসপাতালের কক্ষের মেঝেতে ফেলে মারধর করা হচ্ছে। নিজে চিকিৎসক জানিয়ে রেজাউল করিম সবুজ বলেন, তার ভাইকে হাসপাতালের লোকজন পিটিয়ে, নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে।

মাইন্ড এইড হাসপাতালের সমন্বয়ক ইমরান খান দাবি করেছেন, পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুলকে জাতীয় মানসিক ইনস্টিটিউট থেকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনেরা। ওই সময়ে তিনি খুব উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করছিলেন। বিভিন্নজনকে মারধর করেন। তাকে শান্ত করার জন্য ওই কক্ষটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে ঘটনার সময়ে তিনি হাসপাতালে ছিলেন না।

বেসরকারি হাসপাতালটি থেকে পুলিশের সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে আনিসুল করিমকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে ঢোকানো হচ্ছে। তাকে হাসপাতালের ৫ থেকে ৬ জন কর্মচারী মিলে মাটিতে ফেলে চেপে ধরতে দেখা যায়। এরপর আরও দুইজন তার পা চেপে ধরেন। ওই সময় মাথার দিকে থাকা দুইজন হাতের কনুই দিয়ে তাকে আঘাত করতে থাকেন। একটি কাপড়ের টুকরো দিয়ে তার হাত পেছন থেকে বাঁধতেও দেখা যায়।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের কর্মীরা আনিসুলকে মারধর করে। পুরো ঘটনার সময়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদকে পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পুরো ভিডিওর চার মিনিটের মাথায় আনিসুলকে উপুড় করলেও তার দেহ নিস্তেজ অবস্থায় ছিল। একজনকে তখন তার মুখে পানি ছিটাতে দেখা গেছে। সাত মিনিট পর সাদা অ্যাপ্রোন পরা একজন নারী ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। ১১ মিনিটের মাথায় কক্ষের দরজা লাগিয়ে দিতে দেখা গেছে। এর দুই মিনিট পর তার বুকে পাম্প করেন অ্যাপ্রোন পরা নারী।

পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি মৃত্যুঞ্জয় দে সজল জানান, হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেটি বিশ্নেষণ করে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানা যাবে। তারা ঘটনার তদন্ত করছেন।

আনিসুল করিমের একজন স্বজন ও তার একজন ব্যাচমেট জানিয়েছেন, পারিবারিক ঝামেলাতে ছিলেন আনিসুল। এতে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তার চিকিৎসাও চলছিল। এ ছাড়া রক্তচাপজনিত সমস্যাও ছিল। তবে সেটা বড় সদস্যা ছিল না।

এদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, বিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুল করিম গত ৮ নভেম্বর শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ কারনে ১০ দিনের ছুটি নিয়ে তিনি ঢাকায় পরিবারের কাছে যান।

সূত্র:সমকাল

দৈনিক বরিশাল ২৪

হাসপাতালে মারধরের শিকার পুলিশ কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু

মঙ্গলবার, নভেম্বর ১০, ২০২০ ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেটঃ নভেম্বর ১০, ২০২০ ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
৩৫

অনলাইন নিউজ: মানসিক অসুস্থতার কারণে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে স্বজনেরা রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার সকালে ভর্তি প্রক্রিয়া চলার মধ্যে হাসপাতালের কর্মীরা তাকে টেনেহিঁচড়ে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজে সেখানে তাকে শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্যও দেখা যায়। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান তিনি। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

৩১তম বিসিএসের পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিম সর্বশেষ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। তার স্ত্রী শারমিন সুলতানাও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের। এই দম্পতির চার বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে আনিসুল করিমের মরদেহ গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হাসপাতালের ব্যবস্থাপকসহ ছয়জনকে আটক করেছে।

হাসপাতালে আনিসুল করিমের সঙ্গে ছিলেন তার বড় ভাই রেজাউল করিম সবুজ। তিনি সমকালকে বলেন, তার ভাই একটু মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এজন্য বরিশালের কর্মস্থল থেকে চিকিৎসার জন্য কয়েকদিন আগে ঢাকায় আসেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা তাকে নিয়ে মাইন্ড এইড হাসপাতালে যান। তিনি ভাইকে পাশে দাঁড় করিয়ে রেখে হাসপাতালের কাউন্টারে ভর্তি ফরম পূরণ করার সময়ে কয়েকজন কর্মচারী আনিসুলকে দোতলায় নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই তাদের জানানো হয় আনিসুল অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। এরপর তারা তাকে দ্রুত হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান তার ভাই আগেই মারা গেছেন।

তিনি বলেন, শুরুতে ভাবছিলেন হয়তো তার ভাইয়ের স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু হাসপাতালের কর্মীদের আচরণে তার সন্দেহ হতে থাকে। এরপরই তিনি খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানান। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পান তার ভাইকে হাসপাতালের কক্ষের মেঝেতে ফেলে মারধর করা হচ্ছে। নিজে চিকিৎসক জানিয়ে রেজাউল করিম সবুজ বলেন, তার ভাইকে হাসপাতালের লোকজন পিটিয়ে, নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে।

মাইন্ড এইড হাসপাতালের সমন্বয়ক ইমরান খান দাবি করেছেন, পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুলকে জাতীয় মানসিক ইনস্টিটিউট থেকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনেরা। ওই সময়ে তিনি খুব উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করছিলেন। বিভিন্নজনকে মারধর করেন। তাকে শান্ত করার জন্য ওই কক্ষটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে ঘটনার সময়ে তিনি হাসপাতালে ছিলেন না।

বেসরকারি হাসপাতালটি থেকে পুলিশের সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে আনিসুল করিমকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে ঢোকানো হচ্ছে। তাকে হাসপাতালের ৫ থেকে ৬ জন কর্মচারী মিলে মাটিতে ফেলে চেপে ধরতে দেখা যায়। এরপর আরও দুইজন তার পা চেপে ধরেন। ওই সময় মাথার দিকে থাকা দুইজন হাতের কনুই দিয়ে তাকে আঘাত করতে থাকেন। একটি কাপড়ের টুকরো দিয়ে তার হাত পেছন থেকে বাঁধতেও দেখা যায়।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালের কর্মীরা আনিসুলকে মারধর করে। পুরো ঘটনার সময়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদকে পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পুরো ভিডিওর চার মিনিটের মাথায় আনিসুলকে উপুড় করলেও তার দেহ নিস্তেজ অবস্থায় ছিল। একজনকে তখন তার মুখে পানি ছিটাতে দেখা গেছে। সাত মিনিট পর সাদা অ্যাপ্রোন পরা একজন নারী ওই কক্ষে প্রবেশ করেন। ১১ মিনিটের মাথায় কক্ষের দরজা লাগিয়ে দিতে দেখা গেছে। এর দুই মিনিট পর তার বুকে পাম্প করেন অ্যাপ্রোন পরা নারী।

পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি মৃত্যুঞ্জয় দে সজল জানান, হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেটি বিশ্নেষণ করে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানা যাবে। তারা ঘটনার তদন্ত করছেন।

আনিসুল করিমের একজন স্বজন ও তার একজন ব্যাচমেট জানিয়েছেন, পারিবারিক ঝামেলাতে ছিলেন আনিসুল। এতে তার মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তার চিকিৎসাও চলছিল। এ ছাড়া রক্তচাপজনিত সমস্যাও ছিল। তবে সেটা বড় সদস্যা ছিল না।

এদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, বিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুল করিম গত ৮ নভেম্বর শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ কারনে ১০ দিনের ছুটি নিয়ে তিনি ঢাকায় পরিবারের কাছে যান।

সূত্র:সমকাল

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  তীব্র গরমে জনজীবনে স্বস্তির বার্তা নিয়ে এলো বৃষ্টি, অব্যাহত থাকতে পারে ঈদের দিনে   ‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’   পটুয়াখালীর শ্রেষ্ঠ পারফর্মার ডিবি অফিসার নির্বাচিত মেহেদী হাসান   বিদিশা এরশাদের দুই বছরের কারাদণ্ড   সিরিজ জয় বাংলাদেশের   ডে কেয়ার-শিশু শিক্ষায় ‘শ্রমিক সন্তুষ্টি’ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ   ভূমিসেবা পেতে জনগণকে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী   এক মাসে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা, সবজি–মাছ–মাংসও চড়া   তরমুজে ইঁদুর মারার বিষেই মৃত্যু একই পরিবারের সেই ৪ জনের   ভারত থেকে আসা পানির ঢলে নিমজ্জিত গোমস্তাপুরের বিস্তীর্ণ বোরো খেত, দিশাহারা কৃষক   চৌদ্দগ্রামে দুর্বৃত্তদের আগুনে ঘরহারা পরিবারগুলো পাচ্ছে নতুন ঠিকানা, উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী   রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ   বৃষ্টির কাছে হার মানছে সবাই, চট্টগ্রাম শহরে অসহনীয় জলাবদ্ধতা   চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী   বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের   ইমতিয়াজ চৌধুরী লাখুটিয়া দাখিল মাদরাসার সভাপতি নির্বাচিত   ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে স্কলার আইডিয়াল স্কুলের বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠিত   বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের টার্গেট দিলো নিউজিল্যান্ড   সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে ক্রেতারা   বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা হাইস্কুলের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠিত