উধাও মালেক মাঝি: গচ্ছিত পণ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন আমদানিকারকেরা
আব্দুল করিম চট্টগ্রাম ,জেলা প্রতিনিধি: মাঝিরঘাটের গুদাম মাঝি (ওয়্যার হাউস ব্যবসায়ী) মালেক মাঝি চার দিন ধরে উধাও। বন্ধ রয়েছে তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর। কোথাও খোঁজ মিলছে না তার। এতে তার গুদামে রাখা শত কোটি টাকার পণ্য নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা।খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মীর গ্রুপের পরিচালক মীর মো. হাসান বলেন, ‘ওয়্যার হাউস এসোসিয়েশন তার সব গুদামে সিল করে দিয়েছে।
সমাধানের জন্য তিনদিনের সময় নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বিটুমিনের ড্রাম নিয়ে বেশি আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কারণ বিটুমিনের ড্রাম খোলা মাঠে থাকে। ডিও’র অনুকূলে বিটুমিন সরবরাহ করতে না পেরে তার উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।জানা যায়, মালেক মাঝির অধীনে মাঝিরঘাট ছাড়াও সিটি গেট, ফৌজদারহাট, পোর্ট কলোনি, সাগরিকা, কাশেম জুট মিল, ছালেহ কার্পেটসহ অন্তত ৬০টি গুদাম রয়েছে।
এসব গুদামে পণ্য রাখেন বিভিন্ন আমদানিকারকেরা। চাল, ডাল থেকে শুরু করে সব ধরনের ভোগ্যপণ্য, মসলাজাতীয় পণ্য, বিটুমিন ও অন্যান্য আমদানি করা পণ্য গচ্ছিত রাখা হয়।চট্টগ্রাম ওয়্যার হাউস কমিশন এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, ‘৪-৫ দিন ধরে মালেক মাঝির হদিস পাচ্ছি না। আমরা তার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে খোঁজ করছি।
বাসা ও অফিস বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার হদিস মিলছে না।মালেক মাঝির গুদামে বিভিন্ন আমদানিকারকের শত কোটি টাকার পণ্য গচ্ছিত আছে উল্লেখ করে আলী আহমদ বলেন, ছোট-বড় প্রায় ৩০ জন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে (এসোসিয়েশন) আবেদন করেছেন। এখন মালিক ও অফিস স্টাফ না থাকায় আমরা বেকাদায় পড়েছি।
আমদানিকারকেরাও পণ্য নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন। চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার ও সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মহিউদ্দিন বলেন, একেকজন মাঝির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার পণ্য গচ্ছিত থাকে। এখন পণ্য খালাস করতে না পারলে বাজারে সংকট সৃষ্টি হবে। ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।












