তালতলীতে আশ্রয় কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন,বাসা বাঁধছে মৌচাক - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪তালতলীতে আশ্রয় কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন,বাসা বাঁধছে মৌচাক - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ জুন ১২, ২০২০ ৯:১৩ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

তালতলীতে আশ্রয় কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন,বাসা বাঁধছে মৌচাক

১১৭

হাফিজুর রহমান, তালতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনা তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সওদাগরপাড়া গ্রামের একটা আশ্রয় কেন্দ্র ঝূকিপূর্ণ বাসা বাঁধছে মৌচাক। জানা গেছে,উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সওদাগর পাড়া গ্রামের একটি মাত্র ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয় কেন্দ্র।

আশ্রয় কেন্দ্রটি অনেক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং আশ্রয় কেন্দ্রটির চারপাশে মৌচাকে বাসা বাঁধছে। সেই ভয়াল ২০০৭ সালের ১৫নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পরে ওই আশ্রয় কেন্দ্রটি ২০০৮ সালের দিকে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি নামের সংস্থা আশ্রয় কেন্দ্রটি নির্মাণ করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,আশ্রয় কেন্দ্রটির চার-দিকের কার্জিন, বারান্দার দেয়াল, দরজার উপরের অংশ কোন জায়গা ফাঁকা নেই, সবখানেই ঝুঁলছে মৌচাক।দূর থেকে আশ্রয় কেন্দ্রটি দেখলে মনে হয় মৌমাছির আশ্রয় কেন্দ্র।আশ্রয় কেন্দ্রটির চারপাশে ময়লা আবর্জনায় ভরপুর।

আশ্রয় কেন্দ্রটির নিচে অবাধে গরু বাধা থাকে।গরু বেধে রেখে গো-খাদ্য খাওয়ায় এবং বিভিন্ন প্রকারের খড়-কুটাসহ লাকরি থাকে। মৌমাছিগুলো উড়ে গেলেও পরে আবার নতুন করে দেয়ালে বসতে থাকে। স্থানীয়রা জানান,মৌচাক নষ্ট করায় মৌমাছিরা তাদের আবাস, বাচ্চা ও মধু হারিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে এবং যেকোনো সময় আক্রমণ করতে পারে।আশ্রয় কেন্দ্রটি অনেক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

রেডক্রিসেন্ট সংস্থা নির্মাণ করা হলে ও আজ তো পর্যন্ত আর মেরামত করা হয় নি।ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আমরা জিবনের ঝুঁকি নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছি।এভাবে প্রায় অর্ধশত মৌচাক বাসা বেঁধে থাকে সেপ্টেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সারারাতটি আমরা মৌমাছি এবং আশ্রয় কেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছি।মৌ পোকার জন্য আশ্রয় কেন্দ্রে অনেক মানুষ যায় নি। নেই কোনো বিদ্যুৎ বা সৌরের ব্যবস্থা। ভিতর চালের ড্রামে অনেক জায়গায় দখল করে আছে।দুর্যোগের আগে সংশ্লিষ্ট কেউ সেখানে যায়নি পরিষ্কারও করেননি।

মৌমাছি ও মৌচাক অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। উপজেলার সিপিবি টিম লিডার মো.আলতাফ হাং বলেন,আমি বিষয়টা জেনেছি তবে অচিরেই মৌচাক অপসারণ এবং আশ্রয় কেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ উর্দ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো.আসাদুজ্জামান বলেন,সওদাগরপাড়া গ্রামের আশ্রয় কেন্দ্রটি ঝূকিপূর্ণ কিনা আমি সরেজমিনে গিয়ে না দেখে বলতে পারব না।

দৈনিক বরিশাল ২৪

তালতলীতে আশ্রয় কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন,বাসা বাঁধছে মৌচাক

শুক্রবার, জুন ১২, ২০২০ ৯:১৩ অপরাহ্ণ
১১৭

হাফিজুর রহমান, তালতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনা তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সওদাগরপাড়া গ্রামের একটা আশ্রয় কেন্দ্র ঝূকিপূর্ণ বাসা বাঁধছে মৌচাক। জানা গেছে,উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের সওদাগর পাড়া গ্রামের একটি মাত্র ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয় কেন্দ্র।

আশ্রয় কেন্দ্রটি অনেক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং আশ্রয় কেন্দ্রটির চারপাশে মৌচাকে বাসা বাঁধছে। সেই ভয়াল ২০০৭ সালের ১৫নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় সিডরের পরে ওই আশ্রয় কেন্দ্রটি ২০০৮ সালের দিকে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি নামের সংস্থা আশ্রয় কেন্দ্রটি নির্মাণ করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,আশ্রয় কেন্দ্রটির চার-দিকের কার্জিন, বারান্দার দেয়াল, দরজার উপরের অংশ কোন জায়গা ফাঁকা নেই, সবখানেই ঝুঁলছে মৌচাক।দূর থেকে আশ্রয় কেন্দ্রটি দেখলে মনে হয় মৌমাছির আশ্রয় কেন্দ্র।আশ্রয় কেন্দ্রটির চারপাশে ময়লা আবর্জনায় ভরপুর।

আশ্রয় কেন্দ্রটির নিচে অবাধে গরু বাধা থাকে।গরু বেধে রেখে গো-খাদ্য খাওয়ায় এবং বিভিন্ন প্রকারের খড়-কুটাসহ লাকরি থাকে। মৌমাছিগুলো উড়ে গেলেও পরে আবার নতুন করে দেয়ালে বসতে থাকে। স্থানীয়রা জানান,মৌচাক নষ্ট করায় মৌমাছিরা তাদের আবাস, বাচ্চা ও মধু হারিয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে এবং যেকোনো সময় আক্রমণ করতে পারে।আশ্রয় কেন্দ্রটি অনেক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

রেডক্রিসেন্ট সংস্থা নির্মাণ করা হলে ও আজ তো পর্যন্ত আর মেরামত করা হয় নি।ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আমরা জিবনের ঝুঁকি নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছি।এভাবে প্রায় অর্ধশত মৌচাক বাসা বেঁধে থাকে সেপ্টেম্বর মাস থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সারারাতটি আমরা মৌমাছি এবং আশ্রয় কেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছি।মৌ পোকার জন্য আশ্রয় কেন্দ্রে অনেক মানুষ যায় নি। নেই কোনো বিদ্যুৎ বা সৌরের ব্যবস্থা। ভিতর চালের ড্রামে অনেক জায়গায় দখল করে আছে।দুর্যোগের আগে সংশ্লিষ্ট কেউ সেখানে যায়নি পরিষ্কারও করেননি।

মৌমাছি ও মৌচাক অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। উপজেলার সিপিবি টিম লিডার মো.আলতাফ হাং বলেন,আমি বিষয়টা জেনেছি তবে অচিরেই মৌচাক অপসারণ এবং আশ্রয় কেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ উর্দ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো.আসাদুজ্জামান বলেন,সওদাগরপাড়া গ্রামের আশ্রয় কেন্দ্রটি ঝূকিপূর্ণ কিনা আমি সরেজমিনে গিয়ে না দেখে বলতে পারব না।

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী   এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, শুরু হতে পারে ২ ডিসেম্বর   বরিশাল প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদ পেলেন ১১ সাংবাদিক   হালিশহর মডেল স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নতুন সভাপতি জাকের হোসেন সম্পাদক আশ্রাফ আলী   বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীরা পাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী   বরিশালে যুবদলের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত   বরিশালে বাসচাপায় কাতার প্রবাসী নিহত   বর্ণিল আয়োজনে চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত   ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু   ‘এই জার্সিটাই ছিল আমার জীবন, এত ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ’   কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে রাজনীতিবীদদের ইতিবাচক ভুমিকা জরুরী   বরিশালে শ্রমিকদল নেতা রাজ্জাক সরদার আর নেই, শোকে স্তব্ধ ২নং কাশিপুর   রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী   বাঁশির সুরে তুমুল জনপ্রিয় শেখ সোলায়মান এবার নিয়ে এলেন ‘মানব জীবন’   বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ডিআইজি আবু রায়হান সালেহ্   পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি কই মাছে   গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত   জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান   গ্যাস সরবরাহ নিয়ে সুখবর দিলো কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন