‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’ - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’ - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ মে ২৩, ২০২৬ ৭:২৮ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’

৪৯

অনলাইন নিউজঃ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে ভর্তি সহায়তার আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। ভর্তি সহায়তা নীতিমালা অনুযায়ী বর্তমানে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের যথাক্রমে ৪ হাজার টাকা, ৬ হাজার টাকা এবং ৮ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানিয়েছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

সম্প্রতি ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির বরাতে তিনি জানান, যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-অ্যাডমিশন অ্যাসিস্ট্যান্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে আগামী ১৪ জুন রাত ১১টা ৫৯মিনিট পর্যন্ত।

আবেদনের নিয়ম: আবেদনকারীদের প্রথমে নির্ধারিত সুপারিশপত্র ফরম ডাউনলোড করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের অনুমোদন নিতে হবে। ফরমটি প্রিন্ট করে পূরণ করার পর প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ সংগ্রহ করতে হবে।

এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের পরিষ্কার ছবি বা স্ক্যান কপি প্রস্তুত করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সুপারিশপত্র।

আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপ পাঁচটি: ১. অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন (আগে অ্যাকাউন্ট না থাকলে)। ২. মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন। ৩. পোর্টালে লগইন। ৪. আবেদন জমা দেওয়া। ৫. ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদন স্ট্যাটাস দেখা।

যেসব কাগজপত্র আপলোড করতে হবে: শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর

জন্মনিবন্ধন সনদের কপি, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষার্থীর এনআইডি (যদি থাকে),

বাবা ও মায়ের এনআইডি (যদি থাকে), আর্থিক অসচ্ছলতার প্রমাণ হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশপত্র।

এতিম, প্রতিবন্ধী, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বা অন্যান্য প্রযোজ্য ক্যাটাগরির সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ২০তম গ্রেডের সরকারি বা আধা-সরকারি কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র, ব্যাংক চেকবইয়ের প্রথম পাতার ছবি অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

যোগ্যতার শর্তাবলি: শিক্ষার্থীকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি, একাদশ শ্রেণি বা আলিম প্রথম বর্ষ, অথবা স্নাতক প্রথম বর্ষ বা সমমানের কোর্সে অধ্যয়নরত হতে হবে।

অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকার নিচে হতে হবে, আবেদনকারীকে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। যেমন—এতিম, প্রতিবন্ধী, স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী পরিবারের সন্তান, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অথবা ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তান।

এছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও ট্রাস্ট বিশেষ বিবেচনায় সহায়তা দিতে পারবেন।

সহায়তার অর্থ বিতরণ: বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদন জমার শেষ সময়ের পর সাধারণত ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আর্থিক সহায়তার অর্থ পাঠানো হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পুরো কার্যক্রম অনলাইনে হওয়ায় আবেদনকারীদের কোনো হার্ডকপি জমা দিতে হবে না। সহায়তার জন্য অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে ০২-৫৫০০০৪২৮, ০১৭৭৮৯৫৮৩৫৬ এবং ০১৭৭৮৯৬৪১৫৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।তথ্যসূত্রঃদৈনিক শিক্ষা ডটকম

দৈনিক বরিশাল ২৪

‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’

শনিবার, মে ২৩, ২০২৬ ৭:২৮ অপরাহ্ণ
৪৯

অনলাইন নিউজঃ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে ভর্তি সহায়তার আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। ভর্তি সহায়তা নীতিমালা অনুযায়ী বর্তমানে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের যথাক্রমে ৪ হাজার টাকা, ৬ হাজার টাকা এবং ৮ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানিয়েছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

সম্প্রতি ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির বরাতে তিনি জানান, যোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-অ্যাডমিশন অ্যাসিস্ট্যান্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন গ্রহণ চলবে আগামী ১৪ জুন রাত ১১টা ৫৯মিনিট পর্যন্ত।

আবেদনের নিয়ম: আবেদনকারীদের প্রথমে নির্ধারিত সুপারিশপত্র ফরম ডাউনলোড করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের অনুমোদন নিতে হবে। ফরমটি প্রিন্ট করে পূরণ করার পর প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ সংগ্রহ করতে হবে।

এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের পরিষ্কার ছবি বা স্ক্যান কপি প্রস্তুত করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সুপারিশপত্র।

আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপ পাঁচটি: ১. অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন (আগে অ্যাকাউন্ট না থাকলে)। ২. মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন। ৩. পোর্টালে লগইন। ৪. আবেদন জমা দেওয়া। ৫. ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদন স্ট্যাটাস দেখা।

যেসব কাগজপত্র আপলোড করতে হবে: শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি, শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর

জন্মনিবন্ধন সনদের কপি, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষার্থীর এনআইডি (যদি থাকে),

বাবা ও মায়ের এনআইডি (যদি থাকে), আর্থিক অসচ্ছলতার প্রমাণ হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সনদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের সুপারিশপত্র।

এতিম, প্রতিবন্ধী, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বা অন্যান্য প্রযোজ্য ক্যাটাগরির সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ২০তম গ্রেডের সরকারি বা আধা-সরকারি কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র, ব্যাংক চেকবইয়ের প্রথম পাতার ছবি অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

যোগ্যতার শর্তাবলি: শিক্ষার্থীকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি, একাদশ শ্রেণি বা আলিম প্রথম বর্ষ, অথবা স্নাতক প্রথম বর্ষ বা সমমানের কোর্সে অধ্যয়নরত হতে হবে।

অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকার নিচে হতে হবে, আবেদনকারীকে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। যেমন—এতিম, প্রতিবন্ধী, স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী পরিবারের সন্তান, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অথবা ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তান।

এছাড়া গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও ট্রাস্ট বিশেষ বিবেচনায় সহায়তা দিতে পারবেন।

সহায়তার অর্থ বিতরণ: বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদন জমার শেষ সময়ের পর সাধারণত ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আর্থিক সহায়তার অর্থ পাঠানো হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পুরো কার্যক্রম অনলাইনে হওয়ায় আবেদনকারীদের কোনো হার্ডকপি জমা দিতে হবে না। সহায়তার জন্য অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে ০২-৫৫০০০৪২৮, ০১৭৭৮৯৫৮৩৫৬ এবং ০১৭৭৮৯৬৪১৫৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।তথ্যসূত্রঃদৈনিক শিক্ষা ডটকম

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  ‘মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন ৪, ৬ ও ৮ হাজার টাকা সহায়তা’   পটুয়াখালীর শ্রেষ্ঠ পারফর্মার ডিবি অফিসার নির্বাচিত মেহেদী হাসান   বিদিশা এরশাদের দুই বছরের কারাদণ্ড   সিরিজ জয় বাংলাদেশের   ডে কেয়ার-শিশু শিক্ষায় ‘শ্রমিক সন্তুষ্টি’ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ   ভূমিসেবা পেতে জনগণকে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী   এক মাসে এক ডজন ডিমে দাম বেড়েছে ৩০–৪০ টাকা, সবজি–মাছ–মাংসও চড়া   তরমুজে ইঁদুর মারার বিষেই মৃত্যু একই পরিবারের সেই ৪ জনের   ভারত থেকে আসা পানির ঢলে নিমজ্জিত গোমস্তাপুরের বিস্তীর্ণ বোরো খেত, দিশাহারা কৃষক   চৌদ্দগ্রামে দুর্বৃত্তদের আগুনে ঘরহারা পরিবারগুলো পাচ্ছে নতুন ঠিকানা, উদ্যোগ নিলেন প্রধানমন্ত্রী   রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ   বৃষ্টির কাছে হার মানছে সবাই, চট্টগ্রাম শহরে অসহনীয় জলাবদ্ধতা   চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী   বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের   ইমতিয়াজ চৌধুরী লাখুটিয়া দাখিল মাদরাসার সভাপতি নির্বাচিত   ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে স্কলার আইডিয়াল স্কুলের বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠিত   বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের টার্গেট দিলো নিউজিল্যান্ড   সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, ভোগান্তিতে ক্রেতারা   বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা হাইস্কুলের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠিত   ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ চলছে