ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে উপকৃত হচ্ছে মানুষ, ধন্যবাদ মাননীয় মেয়র
Photo Card
Preview
ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে উপকৃত হচ্ছে মানুষ, ধন্যবাদ মাননীয় মেয়র
ফরিদ উদ্দিন: হাসপাতালটি ওপেন হবার পর থেকে কোভিডে আক্রান্ত রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়তই বেজে উঠছে মোবাইল ফোন। রিসিভ করা মাত্রই ফোনের অপর পাশ থেকে ভেসে আসে আর্তনাদের সুর। আমার অমুক কোরোনা আক্রান্ত হয়েছে, রোগীর অবস্থা টা খুব বেশি ভালনা, বেশ সিরিয়াস অবস্থা, একটা আইসিইউ লাগবে, এনিহাও একটা আইসিইউ ম্যানেজ করে দেন, দয়া করে আমার অমুককে বাঁচান। ভারী কন্ঠের এমন আর্তনাদ শুনে বুকের ভেতর খা,খা করে উঠে। এসব শুনে কি বলব খুজে পাইনা। তারপরেও নিজেকে সামলে নেই এবং আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে তাদের প্রত্যেককে সরাসরি ডিএনসিসি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে যেতে পরামর্শ দেই। সাথে কমন একটি লাইন বলি, হসপিটালে যাবার পরে যদি কোন প্রবলেম...
১০০
ফরিদ উদ্দিন:
হাসপাতালটি ওপেন হবার পর থেকে কোভিডে আক্রান্ত রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়তই বেজে উঠছে মোবাইল ফোন। রিসিভ করা মাত্রই ফোনের অপর পাশ থেকে ভেসে আসে আর্তনাদের সুর। আমার অমুক কোরোনা আক্রান্ত হয়েছে, রোগীর অবস্থা টা খুব বেশি ভালনা, বেশ সিরিয়াস অবস্থা, একটা আইসিইউ লাগবে, এনিহাও একটা আইসিইউ ম্যানেজ করে দেন, দয়া করে আমার অমুককে বাঁচান।
ভারী কন্ঠের এমন আর্তনাদ শুনে বুকের ভেতর খা,খা করে উঠে। এসব শুনে কি বলব খুজে পাইনা। তারপরেও নিজেকে সামলে নেই এবং আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে তাদের প্রত্যেককে সরাসরি ডিএনসিসি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে যেতে পরামর্শ দেই। সাথে কমন একটি লাইন বলি, হসপিটালে যাবার পরে যদি কোন প্রবলেম ফেস করেন তবে সাথেসাথেই আমাকে কল দিবেন।
এটুকু পরামর্শেই তারা সাহস নিয়ে বলে আচ্ছা আচ্ছা ঠিকআছে, ঠিকআছে। আবার কেউ বলে ফোনটা দয়া করে ধরবেন, আবার কখনো কখনো কেউ বলে দয়া করে আমার এই উপকারটা করেন/ করো বা কর, চিরজীবন কৃতজ্ঞ থাকব মজার ব্যাপার হলো হাসপাতালে যাবার পরে কেউ আর ফোন দেয়নি, দিবেই বা কি করে তারা তো রোগী নিয়েই ব্যস্ত। দিনশেষে সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা তা জানতে আমিই উলটো তাদেরকে ফোন করি।
বিলিভ মি, ফোনের অপরপাশ থেকে এবার ভেসে আসে তৃপ্তির সুর, কৃতজ্ঞতার সুর। সব ফোনেই একটি কমন লাইন থাকে, অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপনি/তুমি বা তুই না থাকলে অনেক বড় একটা ক্ষতি হয়ে যেত।
আত্মতৃপ্তিতে ভরপুর এমন বাক্য শোনার পরে সত্যিই অনেক ভাললাগা কাজ করে। পরমুহূর্তেই আমি যখন বলি এটিতে আমার কোন অবদান নেই, এটির পুরো কৃতিত্ব ডিএনসিসির সুযোগ্য মেয়র মহোদয়ের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপকৃত মানুষগুলো মাননীয় মেয়র মহোদয়ের জন্য অবলীলায় দোয়া করেন এবং মন থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সময়োপযোগী এমন মহানুভব উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য।
হাসপাতালটিতে বিদ্যমান অসাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থা সবাইকে জানাতেই আমার এ লেখা। এছাড়াও মাননীয় মেয়র মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কোভিড চিকিৎসায় শহরজুড়ে যে স্বস্তি নেমে এসেছে তাও আপনাদেরকে জানানো উচিৎ বলে মনে করেছি। যেন কোভিডে আক্রান্ত রোগীরা মনোবল হারিয়ে না ফেলে, যেন তারা মনে মনে সাহস সঞ্চার করতে পারে যে, কোভিডে আক্রান্ত হলেও ঢাকায় অন্ততঃ এখন এ চিকিৎসার সঠিক ব্যবস্থাপনা রয়েছে।
সবশেষে এটুকু বলতেই পারি, মাননীয় মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ হসপিটালটি নগরবাসী তথা দেশবাসীর জন্য একটি সময়োপযোগী ও স্বস্তিদায়ক উপহার।
আরো বলতে পারি, যিনি নিজ দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নগরবাসীর স্বস্তি চিন্তা করেন এবং তা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যান তাকেই তো বলে যোগ্য নগরপিতা।
স্যালুট হে নগরপিতা, স্যালুট হে মাননীয় মেয়র। আপনার এ উপহারটি দেশব্যাপী সকল মানুষ নিজ কৃতজ্ঞতায় চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
কেউ বলবে কিনা জানিনা, আমি ঠিকই গর্ব করে বলব: আমাদের একজন যোগ্য নগরসেবক আছে, আমাদের একজন
Atiqul Islam
আছে।
লেখক: ফরিদ উদ্দিন, এপিএস টু দ্যা অনারেবল মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে উপকৃত হচ্ছে মানুষ, ধন্যবাদ মাননীয় মেয়র
শনিবার, এপ্রিল ২৪, ২০২১ ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
Photo Card
Preview
ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে উপকৃত হচ্ছে মানুষ, ধন্যবাদ মাননীয় মেয়র
ফরিদ উদ্দিন: হাসপাতালটি ওপেন হবার পর থেকে কোভিডে আক্রান্ত রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়তই বেজে উঠছে মোবাইল ফোন। রিসিভ করা মাত্রই ফোনের অপর পাশ থেকে ভেসে আসে আর্তনাদের সুর। আমার অমুক কোরোনা আক্রান্ত হয়েছে, রোগীর অবস্থা টা খুব বেশি ভালনা, বেশ সিরিয়াস অবস্থা, একটা আইসিইউ লাগবে, এনিহাও একটা আইসিইউ ম্যানেজ করে দেন, দয়া করে আমার অমুককে বাঁচান। ভারী কন্ঠের এমন আর্তনাদ শুনে বুকের ভেতর খা,খা করে উঠে। এসব শুনে কি বলব খুজে পাইনা। তারপরেও নিজেকে সামলে নেই এবং আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে তাদের প্রত্যেককে সরাসরি ডিএনসিসি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে যেতে পরামর্শ দেই। সাথে কমন একটি লাইন বলি, হসপিটালে যাবার পরে যদি কোন প্রবলেম...
১০০
ফরিদ উদ্দিন:
হাসপাতালটি ওপেন হবার পর থেকে কোভিডে আক্রান্ত রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়তই বেজে উঠছে মোবাইল ফোন। রিসিভ করা মাত্রই ফোনের অপর পাশ থেকে ভেসে আসে আর্তনাদের সুর। আমার অমুক কোরোনা আক্রান্ত হয়েছে, রোগীর অবস্থা টা খুব বেশি ভালনা, বেশ সিরিয়াস অবস্থা, একটা আইসিইউ লাগবে, এনিহাও একটা আইসিইউ ম্যানেজ করে দেন, দয়া করে আমার অমুককে বাঁচান।
ভারী কন্ঠের এমন আর্তনাদ শুনে বুকের ভেতর খা,খা করে উঠে। এসব শুনে কি বলব খুজে পাইনা। তারপরেও নিজেকে সামলে নেই এবং আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে তাদের প্রত্যেককে সরাসরি ডিএনসিসি হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে যেতে পরামর্শ দেই। সাথে কমন একটি লাইন বলি, হসপিটালে যাবার পরে যদি কোন প্রবলেম ফেস করেন তবে সাথেসাথেই আমাকে কল দিবেন।
এটুকু পরামর্শেই তারা সাহস নিয়ে বলে আচ্ছা আচ্ছা ঠিকআছে, ঠিকআছে। আবার কেউ বলে ফোনটা দয়া করে ধরবেন, আবার কখনো কখনো কেউ বলে দয়া করে আমার এই উপকারটা করেন/ করো বা কর, চিরজীবন কৃতজ্ঞ থাকব মজার ব্যাপার হলো হাসপাতালে যাবার পরে কেউ আর ফোন দেয়নি, দিবেই বা কি করে তারা তো রোগী নিয়েই ব্যস্ত। দিনশেষে সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা তা জানতে আমিই উলটো তাদেরকে ফোন করি।
বিলিভ মি, ফোনের অপরপাশ থেকে এবার ভেসে আসে তৃপ্তির সুর, কৃতজ্ঞতার সুর। সব ফোনেই একটি কমন লাইন থাকে, অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপনি/তুমি বা তুই না থাকলে অনেক বড় একটা ক্ষতি হয়ে যেত।
আত্মতৃপ্তিতে ভরপুর এমন বাক্য শোনার পরে সত্যিই অনেক ভাললাগা কাজ করে। পরমুহূর্তেই আমি যখন বলি এটিতে আমার কোন অবদান নেই, এটির পুরো কৃতিত্ব ডিএনসিসির সুযোগ্য মেয়র মহোদয়ের। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপকৃত মানুষগুলো মাননীয় মেয়র মহোদয়ের জন্য অবলীলায় দোয়া করেন এবং মন থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সময়োপযোগী এমন মহানুভব উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য।
হাসপাতালটিতে বিদ্যমান অসাধারণ চিকিৎসা ব্যবস্থা সবাইকে জানাতেই আমার এ লেখা। এছাড়াও মাননীয় মেয়র মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কোভিড চিকিৎসায় শহরজুড়ে যে স্বস্তি নেমে এসেছে তাও আপনাদেরকে জানানো উচিৎ বলে মনে করেছি। যেন কোভিডে আক্রান্ত রোগীরা মনোবল হারিয়ে না ফেলে, যেন তারা মনে মনে সাহস সঞ্চার করতে পারে যে, কোভিডে আক্রান্ত হলেও ঢাকায় অন্ততঃ এখন এ চিকিৎসার সঠিক ব্যবস্থাপনা রয়েছে।
সবশেষে এটুকু বলতেই পারি, মাননীয় মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ হসপিটালটি নগরবাসী তথা দেশবাসীর জন্য একটি সময়োপযোগী ও স্বস্তিদায়ক উপহার।
আরো বলতে পারি, যিনি নিজ দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নগরবাসীর স্বস্তি চিন্তা করেন এবং তা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যান তাকেই তো বলে যোগ্য নগরপিতা।
স্যালুট হে নগরপিতা, স্যালুট হে মাননীয় মেয়র। আপনার এ উপহারটি দেশব্যাপী সকল মানুষ নিজ কৃতজ্ঞতায় চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
কেউ বলবে কিনা জানিনা, আমি ঠিকই গর্ব করে বলব: আমাদের একজন যোগ্য নগরসেবক আছে, আমাদের একজন
Atiqul Islam
আছে।
লেখক: ফরিদ উদ্দিন, এপিএস টু দ্যা অনারেবল মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।