বেনাপোলে নিলামে তালিকা বহির্ভুত ট্রান্সফারমার বিক্রির অভিযোগ
ফারুক হাসান,বেনাপোল: বেনাপোল স্থল বন্দরের পুরাতন বিল্ডিং সহ বিভিন্ন প্রকার মালামাল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা মালামাল ট্রাক যোগে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের নিলাম বহিভূত মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিলামকারীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে বন্দরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা।
এ ঘটনায় বন্দরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে। বন্দরের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বন্দরের ব্যারাক ভবনগুলি, ৩৪ নং শেড হতে প্রাপ্ত পুরাতন সীআইসীট, ৬ নং মেইন গেটের পাশ্বে অব্যবহৃত
এমএস গেইট, ১৪ নং শেড হতে প্রাপ্ত করোগেইটেড সীটের গেইটগুলি, আবাসিক এলাকার ডরমেটরির পুরাতন গ্রীল, এমএস রড, পারটেক্সের দরজা, টেবিল, টিটিবি ইয়ার্ডের এঙ্গেল পোষ্ট, ৩টি পরিত্যাক্ত ওয়েমিং স্কেলের মালামাল ৩ লাখ ৩৭ হাজার, ৮৮৮ টাকা ৬ পয়সা নিলাম মূল্যে বিক্রি করেন।
নিলাম ক্রেতা মাদারীপুরের নুরে আলম এসব মালামাল গত ২ মাস ধরে বন্দর অভ্যান্তর থেকে সংগ্রহ করছে। বন্দরের উপ- পরিচালক মামুন তরফদার ও সাব ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) খোরশেদ নিলাম ক্রেতার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বন্দরের আবাসিকে রক্ষিত প্রায় ৫২ লাখ টাকা মূল্যের ট্রান্সফারমার বিক্রি করে দেয়।
নিলামক্রেতা বন্দর আবাসিক থেকে রাতে গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে কাটার সময় এলাকা বাসিরা তা দেখে বাধাদেয়। বাধার মুখে কাজ বন্ধ রাখে তারা। পরে রাতে আবারও ট্রান্সফারমারের ভিতর থেকে তামা, এ্যালোমিনিয়াম ও ফাঙ্গাস অয়েল বের করে। এসব মালামাল শ্যামলাগাছি গ্রামের আজগারের ছেলে জুয়েল নিলামক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় করে।
জুয়েল এসব মালামাল গভীর রাতে জনমানব শুন্য হলে এসব মালামাল পিকআপ যোগে নিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন্দরের এক কর্মকর্তা বলেন, ট্রান্সফারমার নিলাম বহিভূত মাল। নিলামক্রেতার লোকসান হচ্ছে এ জন্য উপ-পরিচালক মামুন মৌখিক নির্দেশ দেয় ট্রান্সফারমারটি দিয়ে দেওয়ার জন্য। সাব ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) খোরশেদ আলম উপস্থিত থেকে নিলাম
ক্রেতার কাছে দিয়েদেয়। সরকারী সম্পদ এভাবে রাতের আধারে বিক্রি করা ঠিক হয়নি। বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক মামুন তরফদার বলেন, ২০০২ সালের আগে থেকে আবাসিকের ভিতর একটি অকেজো ট্রান্সফারমার পড়ে ছিল।
এটা সরকারী সম্পদ না অকেজো জিনিষ পড়ে ছিল। নিলামের তালিকায় সব জিনিষের নাম নেই। এর দাম আপনারা যত বলছেন তত না। এটা বিক্রি হয়েছে কি না আমি কাগজ পত্র না দেখে বলতে পারবো না।












