বেনাপোলে ভারত ফেরত পার্সপোট যাত্রীদের তল্লাশির নামে হয়রানি! - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪বেনাপোলে ভারত ফেরত পার্সপোট যাত্রীদের তল্লাশির নামে হয়রানি! - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ অক্টোবর ১৩, ২০১৯ ১০:০৪ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

বেনাপোলে ভারত ফেরত পার্সপোট যাত্রীদের তল্লাশির নামে হয়রানি!

৬৩

বেনাপোল প্রতিনিধি:বেনাপোল চেকপোষ্টে ভারত ফেরত পার্সপোট যাত্রীদের তল্লাশির নামে চলছে চরম হয়রানি ও মানষিক নির্যাতন।

ফলে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দিন দিন কমতে বসেছে পার্সপোট যাত্রীর সংখ্যা। এতে বিরক্ত পার্সপোট যাত্রীরা। কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পরও যাত্রীদের দু’দফায় পড়তে হয় বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) টেবিল চেকপোষ্টের সামনে। যুক্তিসংগত কারন ছাড়ায় হাতড়ানো হয় প্রতিটি ব্যাগ। কখনও ব্যাগের মালপত্র ফেলে রাখা হয় মেঝেতে।

বেনাপোলের বিজিবি চেকপোষ্টে মেঝের চারিদিকে ব্যাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় পার্সপোট যাত্রীর মালামাল। চেকিং এর নামে যাত্রী হয়রানি নিত্যদিনের ঘটনা। ব্যাগ-লাগেজ মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ওলট পালট করে চলে তল্লাাশি। অনেক টা সমুদ্রে সুঁচ খোজার মত। দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের আবার অনেকের ইউনিফর্মে নেই কোন নেমপ্লেট।

আইনি সুরক্ষা চাইলে ক্যাম্পে নেয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয়া হয় পার্সপোট যাত্রীদের। এখানেই শেষ নয়,বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে তিন কিলোমিটার দুরুত্বে আমড়াখালি নামক স্থানে বিজিবি’র আবার চেকপোষ্ট। সেখানে আবার প্রতিটি লাগেজ হাতড়ে তল্লাশি, আর প্রশ্নবান। ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ভাষায় এই তল্লাশির ধরন অসম্মানজনক।

যাত্রীদের কথায় যাওয়ার আগে একটু আইনে চোখ বুলানো যাক। কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এর সেকশন ৬ এর বলে বিজিবিকে আটটি ধারার ক্ষমতা দেওয়া হয় ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর। যদিও এসব চেকপোষ্ট চলছিলো তার আগে থেকেই।

আইনের ১৫৮ ধারা অনুযায়ী যুক্তিসংগত কারণে তল্লাশির কথা বলা হলেও, বিজিবির সদস্যরা সবার লাগেজেই
যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে পান। আবার ১৫৯ ধারায় গেজেটেড কাস্টমস কর্মকর্তা অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের
সামনে তল্লাশির কথা বললেও, যাত্রীকে সেই সুরক্ষা দেন না দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা। ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ নানা কারণে ভারত থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ হাজার পাসপোটযাত্রী বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে যাতায়াত করে থাকে।

পার্সপোট যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, একই সংস্থার দুইদফা এমন তল্লাশি রীতিমতো মানহানীকর।একই সংস্থার সদস্যদের দ্বারা তিন কিলোমিটার রাস্তার ব্যবধানে দুইবার তল্লাশির কোন যৌক্তিকতা নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র বলেন, কাস্টমস ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরও যাত্রীদের কাছে অবৈধ জিনিস থাকতে পারে। কিন্তু চেকিংয়ের নামে সাধারন যাত্রীদের হয়রানি কোন ভাবে কাম্য নয়। চেকিংয়ের পদ্ধতিটি আরও উন্নত হওয়া দরকার। তাদের আচরণ ভালো করা দরকার। অনেকটা ডিজিটাল যুগে এনালগ পদ্ধতির মতো।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী বলেন, চলতি তল্লাশির ধরন যাত্রীসেবার বড় অন্তরায়। ক্ষোভ আছে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও। নিরাপত্তার খাতিরে কেউ যদি অভিযোগ করতে চায়, তাহলের তারও একটা নীতিমালা থাকা দরকার।

ইন্দো বাংলা চেম্বারের সাফ কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমান বলেন, এটা আর কতোদিন? আমরা বিরক্ত। এক
নোম্যন্সল্যান্ডের তিন জায়গায় চেকিং। এটার কোন যুক্তি নাই। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে যে কোন
এজেন্সি এ কাজ করতে পারে। সম্প্রতি বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম বেসরকারী এক টেলিভিশনে বলেন, সমস্যা সমাধানে এরই মধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি।

সে কারণেই আমরা লাগেজ স্ক্যানার বসিয়েছি। এছাড়াও আমরা চেকপোষ্টে সন্দেহভাজন যেসব ট্রাক বা বাস থাকবে সেগুলোকে আমরা চেক করব। এছাড়া অন্যসব গাড়ি আমরা চেক করবো না।

দৈনিক বরিশাল ২৪

বেনাপোলে ভারত ফেরত পার্সপোট যাত্রীদের তল্লাশির নামে হয়রানি!

রবিবার, অক্টোবর ১৩, ২০১৯ ১০:০৪ অপরাহ্ণ
৬৩

বেনাপোল প্রতিনিধি:বেনাপোল চেকপোষ্টে ভারত ফেরত পার্সপোট যাত্রীদের তল্লাশির নামে চলছে চরম হয়রানি ও মানষিক নির্যাতন।

ফলে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দিন দিন কমতে বসেছে পার্সপোট যাত্রীর সংখ্যা। এতে বিরক্ত পার্সপোট যাত্রীরা। কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পরও যাত্রীদের দু’দফায় পড়তে হয় বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) টেবিল চেকপোষ্টের সামনে। যুক্তিসংগত কারন ছাড়ায় হাতড়ানো হয় প্রতিটি ব্যাগ। কখনও ব্যাগের মালপত্র ফেলে রাখা হয় মেঝেতে।

বেনাপোলের বিজিবি চেকপোষ্টে মেঝের চারিদিকে ব্যাগ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় পার্সপোট যাত্রীর মালামাল। চেকিং এর নামে যাত্রী হয়রানি নিত্যদিনের ঘটনা। ব্যাগ-লাগেজ মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ওলট পালট করে চলে তল্লাাশি। অনেক টা সমুদ্রে সুঁচ খোজার মত। দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের আবার অনেকের ইউনিফর্মে নেই কোন নেমপ্লেট।

আইনি সুরক্ষা চাইলে ক্যাম্পে নেয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয়া হয় পার্সপোট যাত্রীদের। এখানেই শেষ নয়,বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে তিন কিলোমিটার দুরুত্বে আমড়াখালি নামক স্থানে বিজিবি’র আবার চেকপোষ্ট। সেখানে আবার প্রতিটি লাগেজ হাতড়ে তল্লাশি, আর প্রশ্নবান। ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ভাষায় এই তল্লাশির ধরন অসম্মানজনক।

যাত্রীদের কথায় যাওয়ার আগে একটু আইনে চোখ বুলানো যাক। কাস্টমস আইন ১৯৬৯ এর সেকশন ৬ এর বলে বিজিবিকে আটটি ধারার ক্ষমতা দেওয়া হয় ২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর। যদিও এসব চেকপোষ্ট চলছিলো তার আগে থেকেই।

আইনের ১৫৮ ধারা অনুযায়ী যুক্তিসংগত কারণে তল্লাশির কথা বলা হলেও, বিজিবির সদস্যরা সবার লাগেজেই
যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে পান। আবার ১৫৯ ধারায় গেজেটেড কাস্টমস কর্মকর্তা অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের
সামনে তল্লাশির কথা বললেও, যাত্রীকে সেই সুরক্ষা দেন না দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা। ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ নানা কারণে ভারত থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ হাজার পাসপোটযাত্রী বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে যাতায়াত করে থাকে।

পার্সপোট যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, একই সংস্থার দুইদফা এমন তল্লাশি রীতিমতো মানহানীকর।একই সংস্থার সদস্যদের দ্বারা তিন কিলোমিটার রাস্তার ব্যবধানে দুইবার তল্লাশির কোন যৌক্তিকতা নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র বলেন, কাস্টমস ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পরও যাত্রীদের কাছে অবৈধ জিনিস থাকতে পারে। কিন্তু চেকিংয়ের নামে সাধারন যাত্রীদের হয়রানি কোন ভাবে কাম্য নয়। চেকিংয়ের পদ্ধতিটি আরও উন্নত হওয়া দরকার। তাদের আচরণ ভালো করা দরকার। অনেকটা ডিজিটাল যুগে এনালগ পদ্ধতির মতো।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসেন চৌধুরী বলেন, চলতি তল্লাশির ধরন যাত্রীসেবার বড় অন্তরায়। ক্ষোভ আছে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও। নিরাপত্তার খাতিরে কেউ যদি অভিযোগ করতে চায়, তাহলের তারও একটা নীতিমালা থাকা দরকার।

ইন্দো বাংলা চেম্বারের সাফ কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমান বলেন, এটা আর কতোদিন? আমরা বিরক্ত। এক
নোম্যন্সল্যান্ডের তিন জায়গায় চেকিং। এটার কোন যুক্তি নাই। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে যে কোন
এজেন্সি এ কাজ করতে পারে। সম্প্রতি বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম বেসরকারী এক টেলিভিশনে বলেন, সমস্যা সমাধানে এরই মধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি।

সে কারণেই আমরা লাগেজ স্ক্যানার বসিয়েছি। এছাড়াও আমরা চেকপোষ্টে সন্দেহভাজন যেসব ট্রাক বা বাস থাকবে সেগুলোকে আমরা চেক করব। এছাড়া অন্যসব গাড়ি আমরা চেক করবো না।

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র   এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন   সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী   এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, শুরু হতে পারে ২ ডিসেম্বর   বরিশাল প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদ পেলেন ১১ সাংবাদিক   হালিশহর মডেল স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নতুন সভাপতি জাকের হোসেন সম্পাদক আশ্রাফ আলী   বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীরা পাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী   বরিশালে যুবদলের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত   বরিশালে বাসচাপায় কাতার প্রবাসী নিহত   বর্ণিল আয়োজনে চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত   ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু   ‘এই জার্সিটাই ছিল আমার জীবন, এত ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ’   কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে রাজনীতিবীদদের ইতিবাচক ভুমিকা জরুরী   বরিশালে শ্রমিকদল নেতা রাজ্জাক সরদার আর নেই, শোকে স্তব্ধ ২নং কাশিপুর   রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী   বাঁশির সুরে তুমুল জনপ্রিয় শেখ সোলায়মান এবার নিয়ে এলেন ‘মানব জীবন’   বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ডিআইজি আবু রায়হান সালেহ্   পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি কই মাছে   গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত