বেনাপোলে রুগ্ন-মরা গরুর মাংস বিক্রির সময় মাটিতে পুতে ফেলা হলো ১ মন - দৈনিক বরিশাল ২৪ দৈনিক বরিশাল ২৪বেনাপোলে রুগ্ন-মরা গরুর মাংস বিক্রির সময় মাটিতে পুতে ফেলা হলো ১ মন - দৈনিক বরিশাল ২৪

প্রকাশিতঃ মে ১৫, ২০২০ ১১:০২ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

বেনাপোলে রুগ্ন-মরা গরুর মাংস বিক্রির সময় মাটিতে পুতে ফেলা হলো ১ মন

৬১

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
বেনাপোল বাজারে প্রায়ই প্রতিনিয়ত মরা-রুগ্ন ও পঁচা-বাসি গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দূর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সঠিক তদারকির অভাবে কসাই মিজনুর রহমান ও বাক্কা এধরনের অপকর্মে লিপ্ত বলে জানা গেছে। এরা বেনাপোল পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এর চোখ ফাঁকি দিয়ে ও তার কথা অমান্য করে নিজেদের ইচ্ছা মত কসাইখানা থেকে গরু জবাই করে বেনাপোল বাজারে বিক্রি করে। আর এসব পঁচা-বাসি ও রুগ্ন গরুর মাংস খেয়ে অনেকেই পেটের পীড়া সহ নানা ধরনের রোগে ভুগছে বলে অভিযোগ করেছে।

শুক্রবার বেনাপোল বাজারে রুগ্ন গরুর নষ্ট মাংস বিক্রি করার সময় ধরা পড়ে মিজান কসাই। এবং একই সময়ে তিনদিন আগের ফ্রিজ জাত খাওয়ার অনুপযুক্ত মাংস বিক্রি করে বাক্কা নামে এক কসাই। বেনাপোল দিঘির পাড় গ্রামের সাহেব আলী নামে একজন ভোক্তা জানান, আমি গত সপ্তাহে মিজানের দোকান থেকে থেকে মাংস কিনে খেতে পারিনি। ওই মাংস রান্না করার সময় দুর্গন্ধ বের হয়। তারপর রান্না শেষে কেউ খেতে পারিনি। আমি মিজানকে কয়েকবার বাজারে খুঁজতে আসলেও তাকে যথা সময়ে পাইনি।

দোকানের কর্মচারীরা বলে কাজে গেছে আসতে দেরি হবে। এরকম একাধিক অভিযোগ স্থানীয় ভোক্তারা করে। বেনাপোল পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর রাশিদা খাতুন বলেন, কসাইরা কোন কথা শুনতে চায় না। তারা আমাদের কথা অমান্য করে গরু জবাই করে । রাত তিনটার সময় মাঝে মধ্যে এ ধরনের কাজ করে থাকে। আজ পৌরসভার নির্ধারিত কসাই ইসমাইলকে বাদ দিয়ে, গোপনে তিনটি গরু রাত তিনটার সময় জবাই করে কসাই মিজান। আমি সকালে এসে গোশ মার্কেটে ঘুরে চলে যাই। যেহেতু করোনা ভাইরাসের কারনে আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়িতে।

সেখানে ভারত থেকে পাসপোর্ট যাত্রী এসে থাকে। তাদের দেখাশুনা করতে হয়। তবে ওই তিনটি গরুর পৌরসভার ফি ১০০ টাকা করে ৩০০ টাকা নিয়ে মেমো প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ মাংস এখন বাজারে আর বিক্রি করতে পারবে না। কারণ মাংস জবাই থেকে ছয় ঘন্টার মধ্যে বিক্রি করার কথা। আর এ মাংসের সময় পার হয়ে গেছে। কসাই ইসমাইল বলেন, আমি কসাইখানায় যাওয়ার আগে তিনটি গরু জবাই করে ফেলে।

তবে ওই গরুর অবস্থা কি ছিল তা আমি জানি না। সেটা মৃত্যু না জীবিত না রুগ্ন তা বলতে পারব না। বেনাপোল বাজার কমিটির সভাপতি আজিজুর রহমান ও বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বাজার কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান ঘটনাস্থলে যেয়ে মাংস দেখে শুনে স্যানেটারী ইন্সপেক্টরকে নিয়ে মাটিতে প্রায় ১ মনের মত মাংস পুতে রাখে।

এসময় বেনাপোল পোর্ট থানা এসআই মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডলকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বাজারের একটি অংশ ওই কসাইদের পক্ষ নিয়ে কথা বলে।

মিজান কসাইয়ের মাংস নিয়ে ঝামেলা শেষে তা মাটিতে পোতার পর সেখান থেকে পুলিশ সহ বাজার কমিটি চলে যাওয়ার পর বাক্কা নামে আর এক কসাই তিন দিন আগেকার খাওয়ার অনুপযুক্ত মাংস বেলা ১ টার সময় বিক্রি করতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকরা প্রশাসনকে খবর দিতে গেলে দৌঁড়ে মাংস নিয়ে পালিয়ে যায় বাক্কা ও তার কর্মচারীরা। তবে খবর পেয়েও স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ঘটনাস্থলে আসেনি।

তবে স্থানীয়রা বেনাপোল বাজারের গরু ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে বলেন, এরা সব সময় ভেজাল মাংস দিবে। এরা খুব বিচক্ষন । এদের ধরা খুব মুশকিল। সেই সাথে তারা অভিযোগ করে খাসির মাংস বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে। তারা বলেন, খাসির মাংস পট্রিতেও মরা খাসি ছাগল বিক্রি করে থাকে মাঝে মধ্যে। আর রুগ্ন ছাগল তো আছেই।

দৈনিক বরিশাল ২৪

বেনাপোলে রুগ্ন-মরা গরুর মাংস বিক্রির সময় মাটিতে পুতে ফেলা হলো ১ মন

শুক্রবার, মে ১৫, ২০২০ ১১:০২ অপরাহ্ণ
৬১

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
বেনাপোল বাজারে প্রায়ই প্রতিনিয়ত মরা-রুগ্ন ও পঁচা-বাসি গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দূর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও সঠিক তদারকির অভাবে কসাই মিজনুর রহমান ও বাক্কা এধরনের অপকর্মে লিপ্ত বলে জানা গেছে। এরা বেনাপোল পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এর চোখ ফাঁকি দিয়ে ও তার কথা অমান্য করে নিজেদের ইচ্ছা মত কসাইখানা থেকে গরু জবাই করে বেনাপোল বাজারে বিক্রি করে। আর এসব পঁচা-বাসি ও রুগ্ন গরুর মাংস খেয়ে অনেকেই পেটের পীড়া সহ নানা ধরনের রোগে ভুগছে বলে অভিযোগ করেছে।

শুক্রবার বেনাপোল বাজারে রুগ্ন গরুর নষ্ট মাংস বিক্রি করার সময় ধরা পড়ে মিজান কসাই। এবং একই সময়ে তিনদিন আগের ফ্রিজ জাত খাওয়ার অনুপযুক্ত মাংস বিক্রি করে বাক্কা নামে এক কসাই। বেনাপোল দিঘির পাড় গ্রামের সাহেব আলী নামে একজন ভোক্তা জানান, আমি গত সপ্তাহে মিজানের দোকান থেকে থেকে মাংস কিনে খেতে পারিনি। ওই মাংস রান্না করার সময় দুর্গন্ধ বের হয়। তারপর রান্না শেষে কেউ খেতে পারিনি। আমি মিজানকে কয়েকবার বাজারে খুঁজতে আসলেও তাকে যথা সময়ে পাইনি।

দোকানের কর্মচারীরা বলে কাজে গেছে আসতে দেরি হবে। এরকম একাধিক অভিযোগ স্থানীয় ভোক্তারা করে। বেনাপোল পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর রাশিদা খাতুন বলেন, কসাইরা কোন কথা শুনতে চায় না। তারা আমাদের কথা অমান্য করে গরু জবাই করে । রাত তিনটার সময় মাঝে মধ্যে এ ধরনের কাজ করে থাকে। আজ পৌরসভার নির্ধারিত কসাই ইসমাইলকে বাদ দিয়ে, গোপনে তিনটি গরু রাত তিনটার সময় জবাই করে কসাই মিজান। আমি সকালে এসে গোশ মার্কেটে ঘুরে চলে যাই। যেহেতু করোনা ভাইরাসের কারনে আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বেনাপোল পৌর বিয়ে বাড়িতে।

সেখানে ভারত থেকে পাসপোর্ট যাত্রী এসে থাকে। তাদের দেখাশুনা করতে হয়। তবে ওই তিনটি গরুর পৌরসভার ফি ১০০ টাকা করে ৩০০ টাকা নিয়ে মেমো প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ মাংস এখন বাজারে আর বিক্রি করতে পারবে না। কারণ মাংস জবাই থেকে ছয় ঘন্টার মধ্যে বিক্রি করার কথা। আর এ মাংসের সময় পার হয়ে গেছে। কসাই ইসমাইল বলেন, আমি কসাইখানায় যাওয়ার আগে তিনটি গরু জবাই করে ফেলে।

তবে ওই গরুর অবস্থা কি ছিল তা আমি জানি না। সেটা মৃত্যু না জীবিত না রুগ্ন তা বলতে পারব না। বেনাপোল বাজার কমিটির সভাপতি আজিজুর রহমান ও বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বাজার কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান ঘটনাস্থলে যেয়ে মাংস দেখে শুনে স্যানেটারী ইন্সপেক্টরকে নিয়ে মাটিতে প্রায় ১ মনের মত মাংস পুতে রাখে।

এসময় বেনাপোল পোর্ট থানা এসআই মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডলকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বাজারের একটি অংশ ওই কসাইদের পক্ষ নিয়ে কথা বলে।

মিজান কসাইয়ের মাংস নিয়ে ঝামেলা শেষে তা মাটিতে পোতার পর সেখান থেকে পুলিশ সহ বাজার কমিটি চলে যাওয়ার পর বাক্কা নামে আর এক কসাই তিন দিন আগেকার খাওয়ার অনুপযুক্ত মাংস বেলা ১ টার সময় বিক্রি করতে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকরা প্রশাসনকে খবর দিতে গেলে দৌঁড়ে মাংস নিয়ে পালিয়ে যায় বাক্কা ও তার কর্মচারীরা। তবে খবর পেয়েও স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ঘটনাস্থলে আসেনি।

তবে স্থানীয়রা বেনাপোল বাজারের গরু ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে বলেন, এরা সব সময় ভেজাল মাংস দিবে। এরা খুব বিচক্ষন । এদের ধরা খুব মুশকিল। সেই সাথে তারা অভিযোগ করে খাসির মাংস বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে। তারা বলেন, খাসির মাংস পট্রিতেও মরা খাসি ছাগল বিক্রি করে থাকে মাঝে মধ্যে। আর রুগ্ন ছাগল তো আছেই।

প্রকাশক: মোসাম্মাৎ মনোয়ারা বেগম। সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: ইঞ্জিনিয়ার জিহাদ রানা। সম্পাদক : শামিম আহমেদ যুগ্ন-সম্পাদক : মো:মনিরুজ্জামান। প্রধান উপদেষ্টা: মোসাম্মৎ তাহমিনা খান বার্তা সম্পাদক : মো: শহিদুল ইসলাম ।
প্রধান কার্যালয় : রশিদ প্লাজা,৪র্থ তলা,সদর রোড,বরিশাল।
সম্পাদক: 01711970223 বার্তা বিভাগ: 01764- 631157
ইমেল: sohelahamed2447@gmail.com
  ছেলেদের স্পর্শে আপত্তি, মেয়েদের ক্ষেত্রে ছাড়? সামাজিক বৈষম্যের চিত্র   এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন   সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলে গ্রেপ্তার উপযুক্ত কারণ দেখাতে না পারলে অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে : ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী   এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, শুরু হতে পারে ২ ডিসেম্বর   বরিশাল প্রেসক্লাবের নতুন সদস্য পদ পেলেন ১১ সাংবাদিক   হালিশহর মডেল স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নতুন সভাপতি জাকের হোসেন সম্পাদক আশ্রাফ আলী   বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষার্থীরা পাবে নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী   বরিশালে যুবদলের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত   বরিশালে বাসচাপায় কাতার প্রবাসী নিহত   বর্ণিল আয়োজনে চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত   ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু   ‘এই জার্সিটাই ছিল আমার জীবন, এত ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ’   কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে রাজনীতিবীদদের ইতিবাচক ভুমিকা জরুরী   বরিশালে শ্রমিকদল নেতা রাজ্জাক সরদার আর নেই, শোকে স্তব্ধ ২নং কাশিপুর   রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী   বাঁশির সুরে তুমুল জনপ্রিয় শেখ সোলায়মান এবার নিয়ে এলেন ‘মানব জীবন’   বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ডিআইজি আবু রায়হান সালেহ্   পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি কই মাছে   গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় এগিয়ে চলছে দেশ-তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী   চাঁদপাশা হাইস্কুল ও কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত