ব্রাদার্স ইউনিয়নের কান্ডারী হতে চান গোলরক্ষক মহিউদ্দিন রানু
রাকিব হাসানঃ বর্তমানে ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেডের গোলকিপারের মধ্যে একজন মহিউদ্দিন রানু । বয়সটা সবে মাত্র ১৯। বয়স হিসেবে প্রাপ্তিটা সামান্য তা বললে হয়তো ভুল হবে। গত আসর থেকে ব্রাদার্স ইউনিয়নের শিবিরে রয়েছেন এই গোলকিপার।
২২ নম্বর জার্সি পরিহিত এই খেলোয়াড়কে গত আসরে ২টি ম্যাচে দেখা যায়। এই আসর চলাকালীন সময়ে হানা দেয় করোনা ভাইরাস যার কারনে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে গোলবারের নিচে দেখা যায়নি তাকে । তবে সুযোগ পেলে নিজেকে মেলে ধরতে প্রস্তুত তিনি। বর্তমানে ব্রাদার্সে রয়েছে পাচজন গোলকিপার। * মোঃ মহিউদ্দিন রানু ১১ মে ২০০১ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাশবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
৬ ফিট ২ ইঞ্চির এই তরুন গোলকিপার এখন পর্যন্ত বিপিএলে ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ দুটি আসরেই একই দলের হয়ে খেলেছেন । মহিউদ্দিন রানু দীর্ঘ দিন স্থানীয় “সৈয়দপুর ফুটবল একাডেমী ” তে অনুশীলন করেছে। পরর্বতীতে জেলা পর্যাযে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ পান।
২০১৮ সালের শুরুর দিকে সুযোগ পান আরামবাগ ক্রিড়া চক্রের হয়ে তবে সেখানে খেলেছেন মাত্র ৩ মাস। একই বছর এপ্রিলে জায়গা পান ব্রাদার্স ইউনিয়নের অনূর্ধ্ব ১৮ দলে। সেখানেই নিজেকে প্রমান করে অক্টোবরে জায়গা করে নেন মূল দলে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৮ ও ১৯ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি।
এই আসরেও রয়েছেন সেই ব্রাদার্সেই। * জার্মানির গোলকিপার মেনুয়েল পিটার নিউয়ার কে আইডল মেনে নিজেকে করতে চান আরও পরিনত ।ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও ছিলেন তিনি বেশ পারদর্শী। পরিশেষে ফুটবল খেলাকেই বেছে নিলেন তিনি।
সেই সাথে নীলফামারীবাসী পেলো ফুটবল জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। মহিউদ্দিন রানুর মতো খেলোয়াড়রা আজ ফুটবল জগতের ছড়িয়ে দিচ্ছে নিজ শহরের নাম।নিজের যোগ্যতার প্রমান দিয়ে খেলতে চান জাতীয় দলে। কেনা চায় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে, সবারই স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার। তার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু নেই ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন দেখেন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলবেন দলের জয়ে অবদান রাখবেন।
ভালো পারফরমেন্স করে গেলে জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্নটা যে খুব বেশি দূরে নয় তা বলার অবকাশ রাখে না। . মহিউদ্দিন রানুর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারঃ ১।ফুটবল বেছে নিলেন কেনো ? রানুঃ ফুটবল খেলতে ভালো লাগে । ২। গোলকিপার পজিশনটিই কেনো বেছে নিলেন ?রানুঃ আমার বড় ভাই গোলকিপার খেলতো আর আমার মনে হল গোলকিপের পজিশনে খুব তাড়াতাড়ি আমি ডেভলপ করতে পারবো তাই গোলকিপার পজিশন বেছে নেওয়া। ৩। পরিবার থেকে কেমন সার্পোট পেয়েছেন ? রানুঃ পরিবারের সবাই আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছে।
৪। কার অনুপ্রেরণায় ফুটবলে আসা ? রানুঃ বড় ভাই। ভাইয়া যেহেতু গোলকিপার খেলতো তাই ভাইয়ার অনুপ্রেরণায় ফুটবলে আসা। ৫। ফুটবল নিয়ে কী স্বপ্ন দেখেন ? রানুঃ ইনশাআল্লাহ একদিন জাতীয় দলে খেলবো। ৬। কাকে নিজের আইডল মনে করেন? রানুঃ জার্মানির গোলকিপার মেনুয়েল পিটার নিউয়ারকে ৭। করোনা ভাইরাসের কারনে তো খেলা বন্ধ রয়েছে।
ফিটনেস ধরে রাখতে সয়টাকে কিভাবে কাজে লাগাচ্ছেন? রানুঃ করোনা ভাইরাসের কারণে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া হয় না তাই বাড়িতে নামাজ পড়ে রাতে জিম, রানিং এবং একদিন পর পর মাঠে গিয়ে অনুশীলন করি। প্রোফাইল নাম: মোঃ মহিউদ্দিন রানু ডাক নাম : রানু বাবা: মোঃ সালাউদ্দিন মা: মোছাঃ আক্তারী বেগম জন্ম: ১১ মে ২০০১ জন্মস্থান: বাশবাড়ি সৈয়দপুর নীলফামারী উচ্চতা: ৬ ফুট ২ ইঞ্চি প্রথম ক্লাব: আরামবাগ ফুটবল একাডেমি পজিশন : গোলরক্ষক প্রিয় ক্রিকেটার: মাশরাফি বিন মুর্তজা অন্য প্রিয় খেলা: ক্রিকেট প্রিয় ফুটবলার: নেইমার প্রিয় ফুটবল দল: ব্রাজিল ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত: বাহারাইনে অনূর্ধ্ব ১৯ এএফসি কোয়ালিফাই জর্দানের বিপক্ষে খুব সুন্দর খেলার পরে সকল খেলোয়াড়দের সামনে কোচের মুখে আমার প্রশংসা ঐ সময়টা আমার জন্য খুব সুন্দর ও সেরা মুহূর্ত ছিল ।












